বাগমারায় প্রতারক স্বামীর বিচার দাবি
Why this classification
The article is the victim's own first-hand account of being beaten by her husband, co-wife and in-laws at her in-laws' house in Bagmara, Rajshahi. The beating is a concrete physical attack within the last two weeks, so it counts as violence, though the article gives no injury count.
Killed
0
Injured
1
Summary
রাজশাহীর বাগমারায় আনসার ভিডিপি সদস্য এমরান আলী প্রথম স্ত্রী মারা গেছেন বলে প্রতারণা করে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। ভুক্তভোগী দ্বিতীয় স্ত্রী আছমা বেগম অভিযোগ করেন, অধিকার ফিরে পেতে চাইলে স্বামী, সতীন ও শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে শ্বশুরবাড়িতে মারধর করেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
75% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাগমারায় প্রতারক স্বামীর বিচার দাবি
জীবিত স্ত্রীকে মৃত বলে দ্বিতীয় বিয়ে বাগমারায় প্রতারক স্বামীর বিচার দাবি Advertisement বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ জীবিত স্ত্রীকে মৃত বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে এমরান আলী নামে এক আনসার ভিডিপি সদস্যের বিরুদ্ধে। তিনি বাগমারার তকিপুর গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে। বর্তমানে বগুড়ার শাজাহানপুরে আনসার ভিডিপি অফিসে কর্মরত। তার প্রতারিত দ্বিতীয় স্ত্রী আছমা বেগম স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে শ্বশুরবাড়িতে স্বামী, সতীন ও শ্বশুর-শাশুড়ির হাতে মারধরের শিকার হন। শুক্রবার বাগমারা উপজেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী আছমা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে আছমা বেগম দাবি করেন, তিনি বগুড়া সদরে টিএমএসএস নামে একটি এনজিওতে চাকরি করেন। তার জন্মস্থান গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিশরাম গ্রামে। তার বাবার নাম আফাজ উদ্দিন। চাকরির সুবাদে বগুড়া সদরে আনসার ভিডিপি অফিসে কর্মরত আনসার ভিডিপি সদস্য এমরান আলীর সঙ্গে চার বছর আগে তার পরিচয় হয়। প্রথম স্ত্রী মারা গেছেন বলে এমরান আলী মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সে প্রেমের সম্পর্ককে চিরস্থায়ী করতে দুই বছর আগে রাজশাহী নোটারি পাবলিকে এফিডেভিট করে তাদের বিয়ে হয়। এছাড়া হাটগাঙ্গোপাড়া কাজী অফিসে গিয়ে তিন লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিবাহ রেজিস্ট্রি করা হয়। এরপর থেকেই তারা বগুড়া সদরে একটি ভাড়া বাসায় দাম্পত্য সংসার শুরু করেন। এরপর এমরান আলী তার কাছে থেকে বেতন ও স্বর্ণ বিক্রির সাত লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া তার (আছমা) নামে একটি এনজিও থেকে ৬০ হাজার টাকা লোন নিয়ে এমরান আলী ঈদের কয়েক দিন আগে তাকে কোনোকিছু না জানিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়।
