সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখির জেরে কুয়েট ছাত্রকে পিটিয়ে জখম
Why this classification
ঘটনাটি সাম্প্রতিক (২৩ মে ২০২৬) এবং খুলনায় সংঘটিত। যুবদল ও সাবেক ছাত্রদল নেতারা কুয়েট শিক্ষার্থীকে কাঠের তক্তা দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছেন, যা শারীরিক সহিংসতা। তাই এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ।
Killed
0
Injured
1
Summary
খুলনার ফুলবাড়িগেটে ফেসবুকে রাজনৈতিক লেখালেখিকে কেন্দ্র করে কুয়েট শিক্ষার্থী জাহিদুর রহমানকে যুবদল ও সাবেক ছাত্রদল নেতারা পিটিয়ে জখম করেছে। ঘটনাটি ২৩ মে ২০২৬ তারিখে ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখির জেরে কুয়েট ছাত্রকে পিটিয়ে জখম
সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখির জেরে কুয়েট ছাত্রকে পিটিয়ে জখম প্রতীকী ছবি খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬ | ২২:০৬ সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে রাজনৈতিক বিষয়ে লেখালেখিকে কেন্দ্র করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে যুবদল ও সাবেক ছাত্রদলের নেতাদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জাহিদুর রহমান কুয়েটের ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থী। গতকাল শনিবার খুলনার ফুলবাড়িগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জাহিদুর রহমানের অভিযোগ, পরীক্ষা শেষে ঈদে বাড়ি ফেরার জন্য তিনি ফুলবাড়িগেট এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান। সেখানে খানজাহান আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক নেতা শুভসহ কয়েকজন তাকে ঘিরে ধরেন। একপর্যায়ে তারা জাহিদুরের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং ঘাঁটাঘাঁটি করেন। পরে স্থানীয় যুবদল নেতা মাসুম খান ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঠের তক্তা দিয়ে তাকে বেধড়ক পেটান। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। ভুক্তভোগী জানান, তার চিৎকার শুনে কয়েকজন পথচারী তাকে উদ্ধার করে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে দেন। নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। হামলায় প্রায় ২০ জন অংশ নেয়। তারা জাহিদুরের মোবাইল ফোনও কেড়ে নেন। তিনি বলেন, ফেসবুকে দেওয়া বিভিন্ন পোস্টকে কেন্দ্র করেই হামলাকারীরা ক্ষুব্ধ ছিল। অভিযুক্ত মাসুম খান খানজাহান আলী থানা যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী এবং শুভ থানা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি। অভিযোগের বিষয়ে মাসুম খান বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলাম না। কেন আমাকে জড়ানো হচ্ছে বুঝতে পারছি না। জাহিদুর একসময় আমাদের সঙ্গেই চলাফেরা করত। ছাত্রলীগের সময় আমরা তাকে সহায়তা করেছি। এখন শুনছি, তার শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। তবে তাকে মারধরের বিষয়ে কিছু জানি না।’ নগরীর খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিমকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০২২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখির অভিযোগে ছাত্রলীগের নির্যাতনের শিকার হন জাহিদুর রহমান। সে সময় তাকে মারধরের পর পুলিশে তুলে দেয় ছাত্রলীগ নেতারা।
র্যাবের কাছ থেকে দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ৫ ঘণ্টা পর ফেরত
খুলনায় র্যাবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া দুই আসামিকে পরে র্যাবের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় স্থানীয়রা তাদের র্যাবের কাছে হস্তান্তর করে। পরে র্যাব সদস্যরা তাদের থানায় হস্তান্তর করেন। এর আগে দুপুরে সুন্দরবন সংলগ্ন দাকোপ উপজেলা সদর চালনার আচাঁভুয়া বাজার এলাকা থেকে বিক্ষুব্ধ লোকজন র্যাবের গাড়ি ভাঙচুর করে আসামি মুকুন্দ মণ্ডল ও রসুল গাজীকে ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরে দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের খোনা এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধের বাইরের প্রায় ৪০ বিঘা জমিতে আবদুল্লাহ ফকির, বাবলু সানা ও সাজ্জাদ হোসেন সরদার মাছ চাষ করে আসছেন। সম্প্রতি তাদের সঙ্গে খোনা এলাকার মুকুন্দ মণ্ডল, বাচ্চু ফকির ও রসুল গাজীর মাছের ঘের নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। গত ১৬ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে একদল ব্যক্তি ঘেরটি দখলের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার আকরাম আলী ফকির বাদী হয়ে মুকুন্দ মণ্ডল ও রসুল গাজীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দাকোপ থানায় মামলা করেন। পরে গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ওই ঘের এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় পানখালী গ্রামের জসিম মোল্লা, হাফিজুর মোল্লা, আবু মুসা শেখ, জাফর সরদার ও সাজ্জাদ হোসেন সরদার গুরুতর আহত হন। তাদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে মামলার প্রতিবাদে শনিবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়রা উপজেলা সদর চালনায় বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় র্যাব-৬-এর সদস্যরা ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মুকুন্দ মণ্ডল ও রসুল গাজীকে আটক করেন। তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় সমর্থকরা দাকোপ উপজেলা সদর চালনার আচাঁভুয়া বাজার এলাকায় র্যাবের গাড়ি অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন র্যাবের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে মুকুন্দ মণ্ডল ও রসুল গাজীকে ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনার পর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান খান, চালনা পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ মোজাফফার হোসেন ও সদস্য সচিব আলামিন সানা তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের বন্দোবস্তকৃত ও সরকারি ওই জমি জোর করে দখলে নিয়ে আব্দুল্লাহ ফকির ও রাশেদ কামালের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের বিরোধ চলে আসছে। আমরা জানতে পারি এ ঘটনা নিয়ে উপজেলা সদরে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু খুলনা থেকে র্যাবের সদস্যরা এসে ওই মিছিল থেকে লোক তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এ খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করি। তবে র্যাবের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া এবং র্যাবের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা তারা অস্বীকার করেন। এদিকে র্যাবের কাছ থেকে আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন মো. বাবলু সানা। শনিবার দুপুর ২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২০ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আসামি আলামিন শেখ ঘেরের পাড়ে গিয়ে ঘেরের কেয়ারটেকার মহিবুর বয়াতিকে পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়। একই তারিখ রাত ১১টার দিকে আসামিরা আমাদের ঘের থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়, যার আনুমানিক মূল্য ২০ হাজার টাকা। আসামি পঙ্কজ কবিরাজসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আইন অমান্য করে মৎস্য ঘেরে জোরপূর্বক মাছ ধরা হয়। আসামি রসুল গাজী বেশ কয়েকবার আমাকে ও আমার ছেলেকে ডেকে বলে- হয় ঘেরের দখল ছেড়ে দিতে হবে, অন্যথায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। আসামিরা বারবার দখলের চেষ্টা করলে বৈধ কাগজপত্রের ভিত্তিতে আমরা প্রতিরোধ করি। এ বিষয়ে দাকোপ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ খায়রুল বাসার বলেন, শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জনতা সংঘবদ্ধ হয়ে র্যাবের কাছ থেকে মুকুন্দ মণ্ডল ও রসুল গাজীকে ছিনিয়ে নেয়। তবে পাঁচ ঘণ্টা পর স্থানীয়দের সহায়তায় র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে সন্ধ্যা ৬টার দিকে আসামিদের পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-৬ এর খুলনার কমান্ডার লে. কর্নেল নিস্তার আহমেদ বলেন, আমরা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করেছিলাম। সেখানে জনতা সংঘবদ্ধ হয়ে আসামিদের আমাদের কাছ থেকে নিয়ে যায়। পরে আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিই- আইন অনুযায়ী আসামি ছাড়া আমরা যাব না। অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়, তারাও ঘটনাস্থলে আসেন। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় একজোট ছিলাম। পরবর্তীতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা আসামিদের আমাদের কাছে হস্তান্তর করেন। আমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদের থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি। মোহাম্মদ মিলন/আরএআর
