পাইকগাছায় সহকর্মীর হাতে খুন
Why this classification
The article reports a coworker stabbing and killing another coworker, which is a clear criminal act; no political parties or motives are mentioned, so it is not classified as political violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
২০২৬-০৭-২০ তারিখে খিলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার আরএফএল কোম্পানির কর্মী অন্তর সরকার তার সহকর্মী বিশ্বজিৎ দেওয়ারীকে গলায় প্যাঁচিয়ে হত্যা করেন। ঘটনা রামপ্রসাদ মণ্ডলের ভাড়াটিয়া ঘরে ঘটেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পাইকগাছায় সহকর্মীর হাতে খুন
পাইকগাছায় সহকর্মীর হাতে খুন Advertisement পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ খুলনার পাইকগাছায় আরএফএল কোম্পানিতে কর্মরত সহকর্মীর হাতে বিশ্বজিৎ দেওয়ারী (২৭) নামে অপর সহকর্মী খুন হয়েছেন। নিহত বিশ্বজিৎকে গলায় তার দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় জবাই করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পৌরসভার হাসপাতাল মোড়ে অবস্থিত রামপ্রসাদ মণ্ডলের ভাড়াটিয়ার ঘরে। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা সোমবার গভীররাতে কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে বিশ্বজিৎ-এর সহকর্মী ও একই বাসার ভাড়াটিয়া অন্তর সরকার ওই রাতেই কক্ষে তালা দিয়ে নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান। পাইকগাছা উপজেলার আরএফএল কোম্পানিতে কর্মরতদের মাধ্যমে জানা যায়, ঝালকাঠি সদর উপজেলার বেতরা গ্রামের হরলাল দেওয়ারীর ছেলে বিশ্বজিৎ দেওয়ারী কোম্পানিটির ভিগো গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি ছিলেন। অপরদিকে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ফেসটুলা গ্রামের লিটন সরকারের ছেলে অন্তর সরকার (২৫) একই কোম্পানির টেকনিশিয়ান পদে কর্মরত। তারা দুজন রামপ্রসাদ মণ্ডলের বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষের ভাড়াটিয়া। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে একই কোম্পানির স্থানীয় অফিসের লোকজন মোবাইলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে না পেলে টেকনিশিয়ান নয়ন রায় তাদের কক্ষে খুঁজতে আসেন। এ সময় তিনি ঘরের দরজার সামনে রক্তমাখা হাতলবিহীন চাকু ও ঘরে তালা দেওয়া দেখে অফিস কর্তৃপক্ষকে জানান এবং থানা পুলিশে খবর দেন। বিশ্বজিৎকে শ্বাসরোধের পর জবাই করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি। সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) আমির হামজা ও থানার অফিসার ইনচার্জ অপারেশন (চলতি দায়িত্ব) জুলফিকার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা বলেন, খুনি যেখানে থাকুক না কেন তাকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।
