২০০ বছরের ‘বউঘাট’ খুঁড়ে প্রকাশ্যে প্রত্নসম্পদ লুট

AI-classifiedconfidence 70%

Why this classification

A group is openly digging up and destroying a roughly 200-year-old historic ghat at the Baishroshi zamindar house in Faridpur, removing antiquities and damaging the heritage site. This is a concrete destructive act (vandalism and looting) on a specific date, though no people were reported killed or injured.

Reported by:SamakalSingle source
25/04/26•বাইশরশি জমিদারবাড়ির বউঘাট, সদরপুর

Killed

0

Injured

0

Summary

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো বাইশরশি জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক বউঘাট গুপ্তধনের লোভে প্রকাশ্যে খোঁড়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। ঘাটের নিচের অংশ ইতোমধ্যে খুঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং একটি চক্র সেখান থেকে অলংকার, মুদ্রা ও অন্যান্য প্রত্নসামগ্রী সংগ্রহ করছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

70% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Other actors

অসাধু চক্রের সদস্যরা (গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে আসার দাবিদার)হেরিটেজ ফরিদপুরের সদস্য সচিব ফারাহ দিবা আহমেদসদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়া

Affected infrastructure

বউঘাটজমিদারবাড়ির প্রাচীন পুকুরপ্রাচীন পাথরের মূর্তি ও তৈজসপত্রের অংশপূজার সামগ্রীর ভগ্নাংশ

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 25/04/26open original ↗

২০০ বছরের ‘বউঘাট’ খুঁড়ে প্রকাশ্যে প্রত্নসম্পদ লুট

২০০ বছরের ‘বউঘাট’ খুঁড়ে প্রকাশ্যে প্রত্নসম্পদ লুট বাইশরশি জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক ‘বউঘাট’ খুঁড়ে মূল্যবান প্রত্নসম্পদ লুট চলছে সমকাল ফরিদপুর অফিস প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:৪১ | আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:৪২ | প্রিন্ট সংস্করণ গুপ্তধনের লোভে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো বাইশরশি জমিদার বাড়ির ঐতিহাসিক ‘বউঘাট’ খোঁড়া হচ্ছে। একটি অসাধু চক্র প্রকাশ্যেই খুঁড়ে মূল্যবান প্রত্নসম্পদ লুট করছে। ইতোমধ্যে বউঘাটের নিচের অংশ খুঁড়ে মাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে ছড়িয়ে রয়েছে পাথরের ভাঙা মূর্তি, প্রাচীন তৈজসপত্রের অংশ, পাথরের থালা ও পূজার সামগ্রীর ভগ্নাংশ, যা স্থাপনাটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের সাক্ষ্য বহন করে। বাইশরশি জমিদার বাড়ি ‘জমিদার রাজেন্দ্র চন্দ্র বায় চৌধুরীর বাড়ি’ নামেও পরিচিত। জানা গেছে, ১৮০০ শতকের দিকে লবণ ব্যবসায়ী উদ্ধর চন্দ্র সাহা (উদয় চন্দ্র সাহা) বাড়িটি নির্মাণ করেন। পরবর্তী সময়ে ২২টি পরগনা ক্রয়ের মাধ্যমে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন তারা। ১৮০০ শতক থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ পর্যন্ত তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি ছিল। এক সময় প্রায় ৫০ একর জমির ওপর বিস্তৃত এই জমিদার বাড়িতে ছিল বাগানবাড়ি, শান বাঁধানো পুকুর, পূজামণ্ডপ এবং ছোট-বড় মিলিয়ে ১৪টি দালানকোঠা। বর্তমানে প্রায় ৩০ একর এলাকা টিকে থাকলেও বাকিটা দখল হয়ে গেছে। অবশিষ্ট স্থাপনাগুলোতে এখনও কারুকার্যময় দরজা-জানালা ও লোহার অলংকরণে অতীতের আভিজাত্যের ছাপ মিললেও, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, এক সময় এই জমিদার পরিবার ফরিদপুর ও বরিশালসহ ২২টি পরগনার শাসনভার পরিচালনা করত। যে বউঘাটে খনন চলছে, সেটি ছিল জমিদার পরিবারের নারীদের স্নানের স্থান এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ধারণা করা হচ্ছে, স্নানের সময় হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান রত্নের আশাতেই এই খননকাজ চালানো হচ্ছে। জমিদার বাড়ির ভেতরেই উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় থাকা সত্ত্বেও এর নিরাপত্তা ও সংরক্ষণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। জানা গেছে, সম্প্রতি পুকুরের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় সুযোগ নেয় একটি চক্র। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দিনের বেলাতেই কয়েকজন ব্যক্তি মাটি খুঁড়ে তা পাশের পুকুরে ধুয়ে বিভিন্ন পুরোনো সামগ্রী সংগ্রহ করছে। তাদের হাতে অলংকার, পাথরের দাবার ঘুঁটি, গোলাকার বল, তামা ও রুপার মুদ্রা পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা থেকে আসা বলে পরিচয় দিয়েছে। হেরিটেজ ফরিদপুরের সদস্য সচিব ফারাহ দিবা আহমেদ বলেন, অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঐতিহাসিক এই স্থাপনা সংরক্ষণ এবং লুটপাট বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়া বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - লুটপাট