ডাব পাড়া নিয়ে বিরোধ, নরসিংদীতে তরুণকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা
Why this classification
This is a single, concrete incident on 3 April 2026 in which a man was stabbed several times in the chest and back and died, so it counts as a murder. The dispute was between two neighbours over coconuts, and the article reports the attacker fled the area.
Killed
1
Injured
0
Summary
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে ডাব ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে আজিজুল মিয়া মীমাংসার কথা বলে ২০ বছর বয়সী মামুন মিয়াকে ইটভাটায় ডেকে নিয়ে বুকে ও পিঠে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মামুনের মৃত্যু হয় এবং অভিযুক্ত আজিজুল এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মাদ্রাসা শিক্ষকের প্রহারে হাসপাতালে ভর্তি ৭ বছরের শিশু
মাদ্রাসা শিক্ষকের প্রহারে হাসপাতালে ভর্তি ৭ বছরের শিশু Advertisement নরসিংদী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম নরসিংদীর মাদ্রাসাতুল আবরার এরাবিয়ার ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে। শিক্ষকের প্রহারে শিশুটির পিঠে রক্ত জমাট হয়ে যায়। পুরো পিঠ জুড়ে কালো কালো বেত্রঘাতের দাগ পরে যায়। শিশুটির অবস্থা শংকটাপন্ন হয়ে পড়লে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে শনিবার বিকেলে নরসিংদীর ভেলানগর জেলখানার মোড়ে অবস্থিত মাদ্রাসাতুল আবরার এরাবিয়ার শিক্ষক নাজমুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহত শিশুর নাম মুজাহিদ। সে শিবপুর দক্ষিণ কাকারচর এলাকার দর্জি জুয়েল ও শান্তা বেগমের ছেলে। সে নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করছে। শুক্রবার অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল তাকে গোসল করতে বলেন। তার কথা না শোনায় শিক্ষক নাজমুল তাকে বেত দিয়ে বেধরক পিটান। এতে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। জ্ঞান ফেরার পর শিক্ষক তাকে পুনারায় পিটায়। একপর্যায়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের গভীর চিহ্ন পড়ে যায়; এবং সারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়া ফেটে রক্ত বের হতে থাকে। ওই সময় শিশুটি একাধিক বার মাফ চাইলেও তাকে মাফ করেননি পাষন্ড শিক্ষক। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। শিশুটির বাবা শিশুটিকে দেখতে মাদ্রাসায় যায়। ওই সময় তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। পরে জামা খুলে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির শরীরজুড়ে বেতের দাগ ও রক্তাক্ত ক্ষত দেখতে পান। এ ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে শিশু মুজাহিদকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়ি যাওয়ার পর তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। রাত ২টার দিকে তীব্র জ্বর বমি সহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়। পরে পরিবারর সদস্যরা পুনরায় তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করান। বিষয়টি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মীমাংসা করে অভিযুক্ত শিক্ষককে জরিমানা ও অব্যাহতির সিদ্বান্ত নেওয়া হয়। শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শনিবার বিকেলে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে। শিশু মুজাহিদ বলেন, আমি গোসল করি নাই দেখে হুজুর আমাকে মারছে। আমাকে মারার পর আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। জ্ঞান ফেরার পর তিনি আমাকে আবার মারেন। আমি বারবার বলেছি আমাকে মাফ করে দেন, তবুও আমাকে মেরেছে। আমার বাবা মাদ্রাসায় আসার পর হুজুর আমাকে ভয় দেখিয়ে বলেন- তুমি বাবার সামনে হাসি মুখে থাকবে। আমার ব্যথার জ্বালায় কান্না আসতেছিল, আমি বাবার সামনে কান্না করে দেই। বাবা হাতে দেখেন মাইরের অনেক দাগ। তখন পাঞ্জাবি খুলে দেখেন সারা শরীরে মাইরের দাগ। তারপর হুজুরে আমাকে যে মারছে সব বাবার কাছে বলে দেই। শিশু মুজাহিদের নানি বলেন, হুজুরদের দ্বায়িত্ব বাবা মার মতো আদর করে লেখা পড়া শেখানো। বাবা মার মতো দ্বায়িত্ব নিয়ে লেখাপড়া না করালে আমরা এই ছোট ছোট বাচ্চা কেন মাদ্রাসায় দেব। ছেলের বাবা ছেলেকে দেখতে গেলে সে কান্না ভেঙে পড়ে। তারপর বাবা জামা কাপড় খুলে দেখেন শরীরে অনেক মারধরের দাগ। বেত দিয়ে মারার কারণে শরীরে লাল দাগ হয়ে রয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর পরই শিশুটির পরিবারকে আইনের সহযোগিতা নেওয়ার কথা বলি। তারা প্রথমে আইনের আওতায় না যাওয়ার সিদ্বান্ত নেয়। তখন আমরা স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করি। অভিযুক্ত শিক্ষককে অফিসিয়ালি অব্যাহতি দেওয়া হয়। ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল নরসিংদীর ভারপ্রাপ্ত তত্বাবধায়ক ডা. এএনএম মিজানুর রহমান বলেন, মুজাহিদ নামে ৭ বছরের এক শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার পুরো শরীরে বেতের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শারীরিক ও মানসিক ভাবে ৭ বছরের বাচ্চা অনেক কষ্টের মধ্যে আছে। আমরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এমন হতে পারে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা রেফার করতে পারি। এমন আঘাত শারীরিক ও মানসিক ভাবে বেশ প্রভাব পড়তে পারে।
ডাব পাড়া নিয়ে বিরোধ, নরসিংদীতে তরুণকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা
হত্যার শিকার মামুন মিয়া (২০)ছবি: সংগৃহীত নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় প্রতিবেশীর গাছের ডাব পেড়ে দেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মামুন মিয়া (২০) নামের এক তরুণকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নে গালিমপুর গ্রামের এক ইটভাটায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন মিয়া নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামের প্রয়াত আবদুল মোমেন মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন। অন্যদিকে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. আজিজুল মিয়া (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকে আজিজুল মিয়া এলাকাছাড়া। বাড়িঘরের দরজা তালাবদ্ধ করে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও পালিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, দুই দিন আগে গাছের ডাব পেড়ে দেওয়ার জন্য রাবেয়া বেগম নামের একজন প্রতিবেশী মামুনকে তাঁর বাড়িতে ডেকে নেন। এ সময় রাবেয়া তাঁকে দিয়ে কয়েকটি গাছ থেকে বেশ কিছু ডাব পাড়ান। এর মধ্যে প্রতিবেশী আজিজুলের গাছের ডাবও ছিল। পরে ডাবগুলো একত্র করে রাবেয়া ও আজিজুলের পরিবারের মধ্যে ভাগাভাগি করা হয়। তবে এ নিয়ে আজিজুল সন্তুষ্ট না হওয়ায় তাঁরা কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে আজিজুল উত্তেজিত অবস্থায় মামুনের বাড়িতে যান। এ সময় তাঁর ঘরের টিন ও অটোরিকশা ভাঙচুর করেন আজিজুল। গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা মীমাংসা করতে চাইলেও আজিজুল তা মানেননি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে মামুন মিয়াকে কল করে মীমাংসার কথা বলে পাশের ইটভাটায় ডেকে নেন আজিজুল। মামুন সেখানে যাওয়ার পরপরই তাঁর বুকে ও পিঠে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান তিনি। পরে তাঁর চিৎকারে স্থানীয় কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁরা দ্রুত মামুনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন। তবে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদা গুলশানারা কবির বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত তরুণকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর বুক–পিঠসহ অন্তত তিন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহেদ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। নিহত ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে আছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন অপরাধপলাশঢাকা বিভাগনরসিংদীহত্যাছুরিকাঘাত
