চার বন্ধু মিলে গণধর্ষণ, নিস্তেজ হয়ে গেলে নদীতে ফেলে দেয়
Why this classification
This article reports a specific, recent incident in which four men raped a five-year-old girl in Dhobaura, Mymensingh, and then threw her into the Konsh river while she was unconscious, causing her death. The body was recovered and the suspects were arrested, so this is a concrete, real incident of rape and murder.
Killed
1
Injured
0
Summary
ধোবাউড়ার গোয়াতলা ইউনিয়নের টাংগাটি গ্রামে ১৫ জুন (সোমবার) সন্ধ্যায় কদম ফুলের লোভ দেখিয়ে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ডেকে নিয়ে চার বন্ধু মিলে ধর্ষণের পর নিস্তেজ অবস্থায় কংশ নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে আরিফ ও রাকিব অপরাধ স্বীকার করেছে এবং চারজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চার বন্ধু মিলে গণধর্ষণ, নিস্তেজ হয়ে গেলে নদীতে ফেলে দেয়
শিশু নিছামনি হত্যা চার বন্ধু মিলে গণধর্ষণ, নিস্তেজ হয়ে গেলে নদীতে ফেলে দেয় Advertisement ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আরিফ ও রাকিব ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পাঁচ বছরের শিশুকে পরিকল্পিতভাবে চার বন্ধু মিলে গণধর্ষণ করে। পরে নিস্তেজ হয়ে গেলে ওই শিশুকে নদীতে ফেলে দেয় তারা। আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব কথা জানায় আসামি আরিফ ও রাকিব। মঙ্গলবার বিকালে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, গোয়াতলা ইউনিয়নের টাংগাটি গ্রামের চার বন্ধু আরিফ, রাকিব, মারুফ, সায়েম গত কয়েক দিন ধরে যেকোনো একজনকে ধর্ষণ করার পরিকল্পনা করছিল। তারই অংশ হিসেবে সোমবার সন্ধ্যায় একই গ্রামের শিশুকে (৫) কদম ফুল দেওয়ার কথা বলে ডেকে কংশ নদীর পাড়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ সময় তারা চার বন্ধু মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে শিশুটি নিস্তেজ হয়ে পড়লে রক্তাক্ত অবস্থায় কংশ নদীতে ফেলে দেয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর শিশুটির লাশ নদী থেকে তুলে গোসল করানোর সময় ধর্ষণের আলামত পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম টুটনকে জানায় তার পরিবার। চেয়ারম্যান পুলিশকে জানালে রাতেই ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম নিজে গিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসেন। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে আরিফকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার তথ্যমতে বাকি তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত চার বন্ধুর মাঝে একজন সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী, একজন এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে এবং অপর দুজন নির্মাণ শ্রমিক। শিশু নিছামনি হত্যায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এত ছোট একটি শিশুকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনার বিচার দাবি করছেন এলাকাবাসী। ইতোমধ্যে এলাকার সচেতন মহল বিচার দাবিতে মানববন্ধন করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া এবং পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম। তারা দুজনই দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বুধবার ওই শিশুর বাড়িতে যান। তিনি শিশুর পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে বলেন, আমি ইতোমধ্যে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। শিশু রামিসা হত্যার বিচারের মতো প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বিচার সম্পন্ন হবে। পরিদর্শন করে শিশুর পরিবারকে সমবেদনা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন।
