বিএসএফের ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ যুবককে পুশ ইনের চেষ্টা

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

Local residents chased Indian BSF personnel with sticks to stop them forcing a man across the border, and the BSF retreated. This is a physical confrontation with a chase, but no one was reported killed or injured and no property was damaged, so severity is low.

Reported by:Dhaka PostSingle source
06/06/26•Azizpur border area, Sreerampur Union, Patgram Upazila

Killed

0

Injured

0

Summary

৬ জুন (শনিবার) বিকেল ৫টার দিকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার আজিজপুর সীমান্তে বিএসএফ এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয় জনতা লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া করলে এবং বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে বিএসএফ ভারতের ভেতরে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

80% · severity 2

Perpetrator side

Locals

Victim side

BSF

Other actors

Local border residents (Azizpur border)BSF patrol team of Dawakamari camp (156 BSF Battalion)BGB patrol team of Kalirhat camp (61 BGB Battalion, Teesta-2)Unidentified mentally unstable youth aged about 35Senior BGB official of Kalirhat camp (anonymous)

Tags

Vigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BSF

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 07/06/26open original ↗

বিএসএফের ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ যুবককে পুশ ইনের চেষ্টা

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে এক ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ যুবককে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে স্থানীয় সীমান্তবাসীর লাঠি হাতে প্রতিরোধের মুখে ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ধাওয়া খেয়ে বিএসএফ পিছু হটলে বিজিবি ওই যুবককে পুনরায় শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) ফিরিয়ে দেয়। শনিবার (৬ জুন) বিকেল ৫টার দিকে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আজিজপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও বিজিবি সূত্র জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ৮৫৫ নম্বর প্রধান পিলারের ৫ নম্বর উপ-পিলারের একদিকে বাংলাদেশের আজিজপুর সীমান্ত এবং অপরদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা থানার পকেটপাড়া সীমান্ত এলাকা। শনিবার বিকেলে ভারতের ১৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দাউয়াকামারী ক্যাম্পের একটি টহল দল সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার গেট খুলে দেয়। এরপর আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত যুবককে জোর করে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে তারা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সীমান্তবাসীদের নজরে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএসএফ সদস্যরা ওই যুবককে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার সময় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিএসএফের এমন অন্যায্য কর্মকাণ্ড রুখে দিতে স্থানীয় বাংলাদেশিরা লাঠিসোটা নিয়ে বিএসএফ সদস্যদের দিকে ধাওয়া করেন। সাধারণ মানুষের এমন মারমুখী ও কঠোর অবস্থানে ভড়কে যায় বিএসএফ। একই সাথে স্থানীয়রা দ্রুত বিজিবিকে খবর দেন। খবর পেয়ে ৬১ বিজিবি (তিস্তা-২) ব্যাটালিয়নের কালীরহাট ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। উদ্ধারকৃত যুবকের কথাবার্তা ও আচরণ অসংলগ্ন হওয়ায় প্রাথমিকভাবে তাকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বলে ধারণা করা হয়। এরপর বিজিবি সদস্যরা তাকে ঘটনাস্থল সংলগ্ন কাঁটাতারের বেড়ার গেট দিয়ে পুনরায় শূন্যরেখায় ফিরিয়ে দেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, ওই সময় বিএসএফ সদস্যরা যুবকটিকে আবারও জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। কিন্তু বিজিবি সদস্য এবং স্থানীয় জনতা একজোটে কঠোর অবস্থান নিয়ে তা প্রতিহত করলে বিএসএফ ভারতের অভ্যন্তরে পিছু হটতে বাধ্য হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালীরহাট বিজিবির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে পুশ ইনের চেষ্টার বিষয়টি বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ভারতের দাউয়াকামারী ক্যাম্পের বিএসএফ কমান্ডারকে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ওই যুবককে দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বিএসএফকে কড়া বার্তা দিয়েছে বিজিবি। এই ঘটনার পর থেকে আজিজপুর সীমান্তে বিজিবির নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। আরকে