ঝিকরগাছায় যুব জামায়াত নেতাকে অপহরণ ও নির্যাতন
Why this classification
This is a specific incident on Monday, 11 May 2026, in which a group of unidentified attackers abducted a Jamaat youth leader in Jhikargacha, beat him, demanded Tk 20 lakh and withdrew money from his accounts. Two people were beaten, and one was hospitalised. The report is based on a Jamaat press conference, so the details are allegations, but they describe a concrete violent act within the 14-day window.
Killed
0
Injured
2
Summary
যশোরের ঝিকরগাছায় ১১ মে (সোমবার) উপজেলা পরিষদের গেট থেকে যুব জামায়াতের নেতা জহিরুল ইসলামকে একদল দুর্বৃত্ত অপহরণ করে মারধর করে, ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং খালি স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেয়। পরে তার এটিএম কার্ড ও চেক ব্যবহার করে প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়, এবং একই ঘটনায় কর্মী আল-আমিনও মারধরের শিকার হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
80% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ঝিকরগাছায় যুব জামায়াত নেতাকে অপহরণ ও নির্যাতন
ঝিকরগাছায় যুব জামায়াত নেতাকে অপহরণ ও নির্যাতন Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ যশোরের ঝিকরগাছায় উপজেলা যুব জামায়াতের জহিরুল ইসলাম নামের এক নেতাকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি, মারধর এবং অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় আল-আমিন নামের আরেক কর্মীকে মারধর করা হয় বলে দাবি করেছেন জেলা জামায়াতের নেতারা। জহিরুল বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে বুধবার যশোর প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে যশোর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস জানান, সোমবার ব্যক্তিগত কাজে ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদে যান জহিরুল। কাজ শেষে উপজেলা পরিষদের গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় একদল দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। দুর্বৃত্তদের নাম আরমান হোসেন কাকন, নাফিজ অনিক, নওয়াজিস ইসলাম রিয়েল, রাসেল, সাগর, পিন্টু হোসেন পিনু। এদের সঙ্গে ছিল আরও কয়েকজন। দুর্বৃত্তরা জহিরুলের মোটরসাইকেলের চাবি কেড়ে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক অন্য একটি মোটরসাইকেলে তুলে নেয়। এরপর তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তারা তিনটি খালি স্ট্যাম্পে জোর করে তার স্বাক্ষর নেয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হামলাকারীরা জহিরুলের এটিএম কার্ড দিয়ে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা তুলে নেয়। পাশাপাশি ব্যাংকের চেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে ৫০ হাজার টাকা তুলে নেয়। পরে তারা এটিএম বুথ থেকে তুলে নেয় আরও ১২ হাজার টাকা।
