বুলডোজারে ভাঙা হলো এবি পার্টি নেতার বাড়ির সীমানাপ্রাচীর
Why this classification
A group allegedly led by a BNP local leader demolished the boundary wall of an AB Party leader's ancestral home with an excavator and beat his brother, a lawyer, who was seriously injured while trying to stop them. The incident happened on Monday, 5 October 2026, so it is recent and is a concrete attack rather than just a reaction to an earlier event.
Killed
0
Injured
1
Summary
গত ০৫ অক্টোবর ২০২৬ (সোমবার) লালমনিরহাট শহরের নবাবেরহাট এলাকায় এবি পার্টি নেতা ফিরোজ কবিরের পৈতৃক বাড়ির সীমানাপ্রাচীর বুলডোজার/ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং বাধা দিতে গেলে তাঁর ভাই আইনজীবী হুমায়ুন কবির গুরুতর আহত হন। অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ফরহাদ আহমেদ সম্রাট এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এটি পারিবারিক জমি বিরোধ।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
80% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: AB Party
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
বুলডোজারে ভাঙা হলো এবি পার্টি নেতার বাড়ির সীমানাপ্রাচীর
বুলডোজারে ভাঙা হলো এবি পার্টি নেতার বাড়ির সীমানাপ্রাচীর বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া সীমানা প্রাচীর লালমনিরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ০৭:৪৬ | প্রিন্ট সংস্করণ আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কেন্দ্রীয় সহ-প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফিরোজ কবিরের লালমনিরহাটের পৈতৃক বাড়িতে হামলা ও পৌরসভার বুলডোজার দিয়ে সীমানাপ্রাচীর গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর ভাই আইনজীবী হুমায়ুন কবির। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে লালমনিরহাট শহরের নবাবেরহাট এলাকায় নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ফিরোজ কবির। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা ফরহাদ আহমেদ সম্রাট ও তাঁর বাহিনী গত সোমবার দুপুরে পৌরসভার বুলডোজার এনে প্রকাশ্যে বাড়ির সীমানা প্রাচীর গুঁড়িয়ে দেয়। জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও এভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে হামলা ও ভাঙচুর চালানো ন্যক্কারজনক। হুমায়ুন কবির অভিযোগ করে বলেন, ‘পৈতৃক জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলছে। মামলা তুলে নিতে তারা প্রতিনিয়ত চাপ দিচ্ছিল। গত সোমবার দুপুরে আমি আদালত চত্বরে থাকাকালে খবর পাই ভেকু নিয়ে সম্রাট ও তাঁর লোকজন বাড়ি ভাঙচুর করছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে আমাকে তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে। পরে ৯৯৯-এ ফোন করা সত্ত্বেও মাত্র এক কিলোমিটার দূরের সদর থানা থেকে পুলিশ আসতে এক ঘণ্টা সময় নেয়।’ অভিযোগ অস্বীকার করে জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা সভাপতি ফরহাদ আহমেদ সম্রাট বলেন, ‘ফিরোজ কবির ও তাঁর ভাই আমার চাচাতো ভাই। এটি আমাদের পারিবারিক বিষয়, এর সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই। ২০২১ সালে তারা যুবলীগের ক্যাডার নিয়ে আমাদের ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়ে জায়গা দখল করেছিল। ভাঙচুরের সঙ্গে আমি জড়িত নই, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এটি করে থাকতে পারে।’ এদিকে এবি পার্টি নেতার বাসভবনে তাণ্ডবের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘পৌরসভার যন্ত্র ব্যবহার করে একজন রাজনৈতিক কর্মীর বাসভবন ভেঙে দেওয়া সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চিত্র হতে পারে না। এটি কেবল ফিরোজ কবিরের ওপর হামলা নয়, বরং প্রশাসনিক শক্তিকে ব্যবহার করে ভিন্নমতের ওপর দমন-পীড়নের এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।’ তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ফিরোজ কবির তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও কৃষকদের সারের ন্যায্য দাবিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্চার। এসব জনদাবি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট ও কথা বলার কারণে প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক নেতা তাঁকে প্রতিনিয়ত ফোন করে গালাগাল ও ‘উচিত শিক্ষা’ দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী গতকাল রাতে সমকালকে বলেন, পৌরসভার কোনো বুলডোজার নেই। একটি ভেকু আছে, সেটিও নষ্ট। হয়তো লালমনিরহাট থেকে বুলডোজারটি ভাড়া করে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে সদর থানার ওসি সাদ আহমেদ জানান, ‘অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ - বিষয় : - সীমানা নির্ধারণ
লালমনিরহাটে আলোচিত উজ্জ্বল হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় দিনে-দুপুরে কুপিয়ে জখম করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া যুবক মো. উজ্জ্বল মিয়া (২৮) হত্যাকাণ্ডের এজাহারভুক্ত ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) আদিতমারী থানা পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে রংপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন— মো. ফজলু হক (৪২), মোছা. ছকিনা বেগম (৩৮) ও মোছা. লাইলী বেগম (৫০)। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে লালমনিরহাট শহরের মিশন মোড়ে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। ওই মানববন্ধনে অংশ নেন নিহত উজ্জ্বলের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা রহিমা বেওয়া, তার দুই কন্যাসন্তান ও স্ত্রী। এ সময় নিহতের মা, সন্তান ও স্ত্রীর আহাজারিতে মিশন মোড় এলাকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুন সকাল আনুমানিক ৯টার সময় আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের তালুক দুলালী বারোঘড়ি গ্রামে নিজ বসতবাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন উজ্জ্বল মিয়া। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তার চাচাতো ভাই মো. আলমগীর হোসেন (আনন্দ) রামদা নিয়ে এসে পেছন থেকে কোনো কারণ ছাড়াই উজ্জ্বলকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উজ্জ্বলের বাম হাত ও বাম পায়ের হাঁটুর ওপরের অংশ গুরুতর জখম হয় এবং রগ কেটে যায়। পরে আরও কয়েকজন আসামি লাঠিসোঁটা ও ধারালো ছোরা নিয়ে উজ্জ্বলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। স্থানীয়রা উজ্জ্বলকে উদ্ধার করে প্রথমে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গত ৭ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান উজ্জ্বল। নিহতের মা রহিমা বেওয়া বলেন, ঘটনার দিন বিকেলেই আমরা আদিতমারী থানায় বিস্তারিত জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উজ্জ্বল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ডিএ
এক্সকেভেটরে আইনজীবীর বাড়ি গুঁড়িয়ে লুটপাট
এক্সকেভেটরে আইনজীবীর বাড়ি গুঁড়িয়ে লুটপাট লালমনিরহাটে আহত ৪ Advertisement লালমনিরহাট ও কালীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ লালমনিরহাট শহরে দিনদুপুরে এক্সকেভেটর দিয়ে এক আইনজীবীর বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় আসবাবপ্রত্র লুটে নেওয়ার পাশাপাশি আইনজীবী ও তার স্ত্রীসহ অন্তত চারজন পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। সোমবার শহরের বিডিআর হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত হুমায়ুন কবির লালমনিরহাট জেলা জজ আদালতের আইনজীবী। বর্তমানে তিনি লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা জজ আদালতের আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। জানা যায়, সোমবার সকালে আইনজীবী হুমায়ুন কবির আদালতের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে দুপুরের দিকে ৪০-৫০ জনের একটি সশস্ত্র দল এক্সকেভেটর, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে চড়াও হয়। একপর্যায়ে এক্সকেভেটর দিয়ে বাড়ির মূল ফটক ও সীমানাপ্রাচীর গুঁড়িয়ে দিয়ে তারা ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে বলে অভিযোগ করা হয়। খবর পেয়ে হুমায়ুন কবির দ্রুত বাড়িতে ফিরলে হামলাকারীরা বাড়ির সামনের সড়কেই তাকে বেধড়ক মারধর করে। এ সময় স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা রুমিও হামলার শিকার ও লাঞ্ছিত হন। আইনজীবী হুমায়ুন কবির বলেন, দুর্গাপুরের আউয়াল মাস্টারের ছেলে রবিউল ও সম্রাটের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন হঠাৎ আমার বাড়িতে তাণ্ডব চালায়। তাদের সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল না। কী কারণে এ হামলা চালানো হলো, তা বুঝতে পারছি না। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রবিউল ও সম্রাটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
লালমনিরহাটে এবি পার্টির নেতার বাড়ির সীমানাপ্রাচীর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
লালমনিরহাটে এবি পার্টির নেতা ফিরোজ কবিরের বাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে শহরের বিডিআর হাট রোডেছবি: প্রথম আলো লালমনিরহাটে জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় সহপ্রকাশনা সম্পাদক ফিরোজ কবিরের বাড়ির সীমানাপ্রাচীর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে শহরের বিডিআর হাট রোডে এ ঘটনা ঘটে। ফিরোজের প্রতিবেশী ও জাতীয়তাবাদী সাইবার দল নামের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. ফরহাদ আহমেদ ওরফে সম্রাটের নেতৃত্বে এ ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। এ সময় বাধা দিলে ফিরোজের ভাই আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার লালমনিরহাট সদর থানায় হুমায়ুব কবির একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফরহাদ আহমেদের নেতৃত্বে ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল দেশি অস্ত্র ও বুলডোজার নিয়ে এসে ফিরোজদের বাড়ির দক্ষিণ দিকে পাকা সড়কের পাশের ফটক ও সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দেন। এ সময় হুমায়ুন কবির বাধা দিলে তাঁকে মারধর করতে করতে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় হুমায়ুনের স্ত্রীকেও মারধর করা হয়। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অভিযোগের বিষয়ে ফরহাদ আহমেদ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের সাথে হুমায়ুন কবিরদের জমিজমার বিরোধ আছে। এ নিয়ে মামলাও আছে।’ তবে তিনি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি থানায় ছিলাম না। ডিউটি অফিসার আল আমিনকে এ–সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে বাদী ফোনে জানিয়েছেন। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের ঘটনায় এবি পার্টির নেতা ফিরোজ কবির ও তাঁর ভাই হুমায়ুন কবিরের সংবাদ সম্মেলন। আজ মঙ্গলবার লালমনিরহাট শহরের বিডিআর হাটে নিজ বাড়িতেছবি: প্রথম আলো ‘বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্চায় থাকায় হামলা’ এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেলে বিডিআর হাট রোডে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এবি পার্টির নেতা ফিরোজ কবির ও তাঁর ভাই হুমায়ুন কবির। এ সময় তাঁদের মা তাহেরা বেগমসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ কবির বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি লালমনিরহাট-৩ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১১–দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন এবং জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্চার। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁকে বিভিন্ন সময়ে হুমকিধমকি দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন। এবি পার্টির প্রতিবাদ এদিকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এবি পার্টি। গতকাল সোমবার দলটির সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং ফিরোজ কবিরের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, দিনদুপুরে একজন রাজনৈতিক কর্মীর বাড়ি ভেঙে দেওয়া কোনো সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চিত্র হতে পারে না। এটি শুধু ফিরোজ কবিরের ওপর হামলা নয়; বরং স্থানীয় প্রশাসনিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক মতের ওপর নগ্ন দমন-পীড়নের ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন লালমনিরহাট সদররংপুর বিভাগলালমনিরহাটভাঙচুরএবি পার্টি
