মানিকগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পাশে ছিল রক্তমাখা বটি
Why this classification
The article reports the discovery of a woman's body with suspicious injury marks and a blood-stained weapon, leading to police investigation and the detention of her husband.
Killed
1
Injured
0
Summary
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় সুফিয়া বেগম (৪২) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের স্বামী ইসমাইলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
সালিশে মারধরের পর গৃহবধূর আত্মহত্যা, গ্রেপ্তার ৩ সালিশদার
সালিশে মারধরের পর গৃহবধূর আত্মহত্যা, গ্রেপ্তার ৩ সালিশদার গ্রেপ্তার তিনজন। ছবি: সমকাল মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯:৪২ মানিকগঞ্জের শিবালয়ে গ্রাম্য সালিশে প্রকাশ্যে মারধর ও অপমানের পর আত্মহত্যা করেছেন এক গৃহবধূ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর কাশাদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে নিহতের বাবা বাদী হয়ে জাকির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে শিবালয় থানায় মামলা করেন। নিহত নাজমা আক্তার (২৫) ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের স্ত্রী এবং স্থানীয় একটি তালা তৈরির কারখানার শ্রমিক ছিলেন। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে পুলিশ তিন সালিশদারকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন– আব্দুল আজিজ খান (৭০), নাঈম হোসেন (২১) ও শুক্কুর আলী (৪৫)। পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগ তুলে নাজমার বাবার বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় মাতব্বর আজিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সালিশে লিটন, চুন্নু, নান্নুসহ বেশ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি নেতৃত্ব দেন। অভিযোগ ওঠে, সালিশ চলাকালীন নাজমা ও অভিযুক্ত যুবক জাকির হোসেনকে দীর্ঘ সময় ধরে কিলঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। উপস্থিত ৫০-৬০ জন মানুষের সামনে তাদের চরম অপমানজনক কথা বলা হয়। নিহতের স্বামী নুরুল ইসলাম জানান, সালিশে তার স্ত্রীকে মারধরের দৃশ্য উপস্থিত কেউ কেউ মোবাইল ফোনে ধারণ করে এবং পরে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এই লোকলজ্জা ও শারীরিক লাঞ্ছনা সহ্য করতে না পেরে পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন নাজমা। নিহতের বাবা ও মামলার বাদী খালেক পেয়াদা অভিযোগ করেন, “মেয়েকে শাসনের কথা বলে ডেকে এনে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। সালিশদাররা আমার মেয়েকে উদ্দেশ করে বলেছিল, ‘এই লজ্জা নিয়ে বাঁচার চেয়ে তোর মরে যাওয়াই ভালো।’ তাদের এই প্ররোচনাতেই আমার মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।” ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। আজ রোববার বিকেলে স্থানীয় কবরস্থানে নাজমার দাফন সম্পন্ন হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শিবালয় থানার উপপুলিশ পরিদর্শক সুমন চক্রবর্তী জানান, মামলার পর রোববার অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের এরই মধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মানিকগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পাশে ছিল রক্তমাখা বটি
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় সুফিয়া বেগম (৪২) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি একই এলাকার ইসমাইলের স্ত্রী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার হরগজ বেপারীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার খবর পেয়ে নিহতের ভাই পুলিশের কাছে তথ্য দেন, তার বোনকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে সাটুরিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং বিষয়টি তদন্ত শুরু করে। পুলিশ জানায়, নিহতের হাতে ও পেটে কাটা দাগ রয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা বটি উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনাটিকে ঘিরে সন্দেহ আরও ঘনীভূত করেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ইসমাইলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। সেই সাথে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। সাইফুল ইসলাম/এসএইচএ
