কালীগঞ্জে বিধবাকে বিবস্ত্র, ছেলেসহ মা হাসপাতালে, ভাঙচুর, স্বর্ণালংকার লুট
Why this classification
This is a single, specific incident on 6 June 2026 in which named local men with sticks and cutting weapons beat a widow and her son, stripped and sexually harassed the widow, burned her blood-stained clothes, and looted cash and gold. Both victims were hospitalised with serious injuries, so this is a real violent attack within the 14-day window.
Killed
0
Injured
2
Summary
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ২০২৬ সালের ৬ জুন জমি ও পূর্বশত্রুতার জেরে জাকারিয়া শেখ, মোস্তাকিন শেখসহ একদল সন্ত্রাসী বিধবা সাবিনা ইয়াসমিন ও তার ছেলে সাব্বির হোসেনকে মারধর করে, বিবস্ত্র করে এবং স্বর্ণালংকার লুট করে বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। আহত মা ও ছেলে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পুলিশ বক্সের ভেতর ঢুকে সাংবাদিককে পেটালো যুবক
গাজীপুর পুলিশ বক্সের ভেতর ঢুকে সাংবাদিককে পেটালো যুবক স্টার নিউজের গাজীপুর প্রতিনিধি আলী বাবু গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬ | ১৮:৪১ | আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬ | ১৮:৪২ ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ব্যস্ততা ও মহাসড়কের যানজটের চিত্র স্টার নিউজের লাইভে তুলে ধরছিলেন চ্যানেলটির গাজীপুর প্রতিনিধি হোসাইন আলী বাবু। লাইভ শেষ হলে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা মোড়ের পুলিশ বক্সে বসে ল্যাপটপে কিছু ফুটেজ এডিট করছিলেন। এরই মধ্যে হঠাৎ এক যুবক পুলিশ বক্সের ভেতর ঢুকে বাবুর ওপর হামলা চালায়। কিছু বুঝে উঠার আগেই ওই যুবক বাবুকে পেটাতে থাকে। আকস্মিক ওই হামলায় হতভম্ব হয়ে পড়েন উপস্থিত সবাই। সাংবাদিকের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়রা। পরে হামলাকারীকে আটক করা হয়। সাংবাদিক বাবুকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হোসাইন আলী বাবু বলেন, আজ শনিবার দুপুরের দিকে লাইভ শেষ হওয়ার পর পুলিশ বক্সে গিয়ে বসেন তিনি। এর পরপরই অপরিচিত এক যুবক তার সামনে এসে কয়েকবার তার পরিচয় জানতে চায়। তখন বিষয়টিকে স্বাভাবিক বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ব্যক্তি হামলাকারীর রূপ নেবে, তা কল্পনাও করেননি তিনি। প্রত্যক্ষদর্শী ট্রাফিক পুলিশ তাজউদ্দিন বলেন, বক্সের সামনেই দায়িত্ব পালন করছিলাম। হঠাৎ বক্সের ভেতর অনেক শব্দ শুনতে পাই। দৌড়ে গিয়ে দেখি, সাংবাদিক বাবুকে এলোপাতাড়ি মারধর করছে এক যুবক। চেয়ার উঠিয়ে তাকে মাথায় আঘাত করতে চেয়েছিল। আমি মাঝখানে এসে ফেরানোর সময় আমার শরীরেও আঘাত লেগেছে। মাথায় আঘাত পেয়েছে, শরীর রক্তাক্ত হয়েছে। আমি নিজে তাকে সেভ করেছি। স্থানীয়দের মতে, চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদকসেবী, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন অপরাধ চক্রের আনাগোনা রয়েছে। সংবাদকর্মীরা মাঠে কাজ করতে গেলে অনেক সময় তাদের অপতৎপরতা প্রকাশ্যে চলে আসে। গত বছরের ৭ আগস্ট রাতে একই এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহীনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে। তুহীন তার মোবাইলে একটি সন্ত্রাসী ছিনতাইকারী চক্রের চাঁদাবাজি ও হামলার ভিডিও ধারণ করেছিলেন। সন্ত্রাসীরা তাকে ভিডিও ডিলিট করতে বললে তিনি সাংবাদিক হিসেবে নিজের পরিচয় দেন ও অস্বীকৃতি জানান, যার জের ধরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। স্থানীয়রা বলছেন, সাংবাদিক বাবুকে কোনো নির্জন গলি কিংবা জনমানবহীন এলাকায় ঘটেনি; ঘটেছে একটি পুলিশ বক্সের ভেতরে। যে স্থাপনাটি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার উপস্থিতির প্রতীক। সেখানে একজন সাংবাদিক হামলার শিকার হওয়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। গাজীপুরে কর্মরত সাংবাদিকরা বলছেন, এটি কেবল একজন সংবাদকর্মীর ওপর হামলা নয়; এটি তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ পরিবেশনের স্বাধীন পরিবেশের ওপরও আঘাত। কারণ, মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকরা যদি নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হন, তাহলে সত্য তুলে ধরার কাজও বাধাগ্রস্ত হবে। হামলার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ। তবে ঘটনার পেছনের রহস্য উদ্ঘাটনের পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাও এখন সময়ের দাবি। মহানগরের বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, হামলাকারী যুবকের নাম জুয়েল রানা (২৮)। তার বাড়ি নরসিংদীর বেলাব উপজেলায়। ভবঘুরের মতো চান্দানা চৌরাস্তা এলাকায় ঘুরাফেরা করতেছিল। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। - বিষয় : - গাজীপুর
কালীগঞ্জে বিধবাকে বিবস্ত্র, ছেলেসহ মা হাসপাতালে, ভাঙচুর, স্বর্ণালংকার লুট
কালীগঞ্জে বিধবাকে বিবস্ত্র, ছেলেসহ মা হাসপাতালে, ভাঙচুর, স্বর্ণালংকার লুট Advertisement কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কালীগঞ্জে পূর্বশত্রুতা ও জমিসংক্রান্ত বিরোধে বিধবা এক নারী ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে জাকারিয়া শেখ, মোস্তাকিন শেখ, আল আমিন শেখ, মাহমুদা বেগম, রোকেয়া বেগম, আব্দুল্লাহ ও শাহিনুর বেগমসহ তাদের সহযোগীরা। সন্ত্রাসীরা বিধবা ওই নারীর পরনের জামাকাপড় টেনেহিঁচড়ে শ্লীলতাহানি করে। একপর্যায়ে বিধবার রক্তমাখা জামা শরীর থেকে খুলে নিয়ে পুড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেশীরা এসে গুরুতর রক্তাক্ত জখম, অচেতন ও বিবস্ত্র অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত বিধবা নারী ও তার ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ সময় বিধবার বাড়িতে ভাঙচুর করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র লুটপাট করে হামলাকারীরা। এ ঘটনা ঘটেছে ৬ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাঙ্গালিয়া মধ্যপাড়া নাদু শেখের বাড়িসংলগ্ন রাস্তায়। কালীগঞ্জের ওসি জাকির হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভুক্তভোগী বিধবা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, প্রায় ৮ বছর আগে আমার স্বামী মারা যান। তার মৃত্যুর পর সন্তানদের নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করে আসছি। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই দেবর-ভাসুর ও তার ছেলেরা জোর করে সন্তানদেরসহ আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে জায়গা-জমি দখলের নানা পাঁয়তারা করে আসছিল। মানুষের সহায়তায় বড় ছেলে প্রবাসে থাকে আর ছোট ছেলে সাব্বির হোসেন জাঙ্গালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিরাপত্তা কর্মী হিসাবে কর্মরত রয়েছে। ৬ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছোট ছেলে সাব্বির তার ফুপার পাওনা টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির দক্ষিণ পাশে রাস্তায় গেলে আসামিরা তার পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্র দা, ছেন ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মারধর করে। ছেলের চিৎকার শুনে আমি দৌড়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর ও কুপিয়ে স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। আমাকে মাটিতে ফেলে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরে পরনের রক্তমাখা কাপড় ছিঁড়ে বিবস্ত্র করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা।
