সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নেমেই কোপ, বিচ্ছিন্ন কবজি রেখেই হাসপাতালে হারিছ আলী

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a recent (yesterday) knife and stick attack in Sylhet resulting in serious injury, meeting the violence definition and occurring within Bangladesh. No political, religious, or mob-justice elements are present, so it is classified as criminal violence.

Reported by:Prothom AloJugantorCorroborated · 2 sources
11/10/26•Kamargram, bamboo grove

Killed

0

Injured

1

Summary

রোববার রাত সিলেটের গোয়াইনঘাটে কামারগ্রাম এলাকায় হারিছ আলীর ওপর দা ও লাঠি ব্যবহার করে একদল লোক আক্রমণ করে, যার ফলে তার ডান কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হামলাকারীরা এমরান, মোহাম্মদ, বুরহান, নজরুল ও অটো রিকশা চালক ইমামসহ স্থানীয় পরিচিত ব্যক্তিরা বলে দাবি করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

হারিছ আলীএমরানমোহাম্মদবুরহাননজরুলইমাম (অটো রিকশা চালক)ওসি ওমর ফারুক মোড়লঅবদুর রশিদ

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 13/10/26open original ↗

স্ত্রীর ছবি তুলতে বাধা, প্রাণ গেল সিসিক কর্মচারীর

স্ত্রীর ছবি তুলতে বাধা, প্রাণ গেল সিসিক কর্মচারীর Advertisement সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সিলেট নগরীতে স্ত্রীর ছবি তুলতে বাধা দেওয়ায় বখাটের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল সিটি করপোরেশনের এক কর্মচারীর। রোববার রাতে নগরীর সুইপার কলোনিসংলগ্ন কাস্টঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হৃদয় কুমার হরিজন (৩৫) সিসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ছিলেন। তিনি চার সন্তানের জনক। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকালে লাশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, রোববার কাস্টঘর এলাকায় হৃদয়ের স্ত্রী পিংকী রানীর ছবি অসদুপায়ে তুলছিল স্থানীয় বাসিন্দা আমিন নামে এক যুবক। এর প্রতিবাদ জানিয়ে বাধা দিলে হৃদয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয় আমিনের। পরে আমিন মোবাইল ফোনে খবর দিয়ে তার সহযোগীদের ডেকে আনে। তারা হৃদয়কে উপর্যুপরি ছুরিঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হৃদয়ের ছোট ভাই অজয় কুমার হরিজন অভিযোগ করেন, ভাবির ছবি তোলার প্রতিবাদ করায় প্রকাশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ভাইকে খুন করে বখাটেরা। তার চারটি অবুঝ ছেলেমেয়ে রয়েছে। সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি খান মো. মাইনুল জাকির সোমবার সন্ধ্যায় জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান অভিযুক্ত আমিনসহ তার সহযোগীদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় একটি ভিডিওর সঙ্গে ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগের ভিন্নতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে তদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে।

Source 2: Prothom Alo · 12/10/26open original ↗

সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নেমেই কোপ, বিচ্ছিন্ন কবজি রেখেই হাসপাতালে হারিছ আলী

সিলেটের গোয়াইনঘাটে দা দিয়ে কুপিয়ে হারিছ আলী (৫৫) নামের এক ব্যক্তির কবজি বিচ্ছিন্ন করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে লাঠি দিয়েও পেটানো হয়েছে। বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। গতকাল রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে কামারগ্রাম এলাকার একটি বাঁশঝাড়ের পাশে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হারিছ আলী উপজেলার ফুলতৈছগ্রামের বাসিন্দা। তিনি কৃষিকাজ করে সংসার চালান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হারিছ আলী প্রথম আলোকে বলেন, রোববার রাতে তোয়াকুল বাজারে একটি সালিস ছিল। সালিস শেষে রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি হেঁটে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তাঁর পেছনে একই এলাকার আরও একজন পথচারী ছিলেন। বাজার থেকে তাঁর বাড়ির দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। পথে কামারগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এসে তাঁর সামনে থামে। হারিছ আলীর ভাষ্য, অটোরিকশা থেকে পাঁচজন লোক দা ও লাঠি নিয়ে নামেন। তাঁরা তাঁকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘গুন্ডারে বহুত দিনে পাইছি।’ এরপরই একজন দা দিয়ে তাঁকে কোপ দেন। কোপ থেকে বাঁচতে ডান হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে তাঁর কবজির ওপরের অংশ কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকেন। এ সময় তাঁর পেছনে থাকা লোকটি ভয়ে পালিয়ে যান। ভুক্তভোগী জানান, তাঁর চিৎকার শুনে এবং হামলাকারীদের কথাবার্তা টের পেয়ে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা অটোরিকশায় করে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রাস্তার পাশের খাদ থেকে তাঁকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হারিছ আলীর দাবি, হামলাকারীদের তিনি চিনতে পেরেছেন। তাঁরা একই গ্রামের এমরান, মোহাম্মদ, বুরহান, নজরুল ও অটোরিকশাচালক ইমাম। এমরান, মোহাম্মদ ও বুরহান পরস্পর ভাই। এমরানই তাঁকে কুপিয়েছেন। প্রথম কোপেই তাঁর হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে জানান হারিছ আলী। তিনি বলেন, এরপর তিনি কাটা হাতটি খুঁজেছিলেন। তবে হাতের দিকে তিনি তাকানটি। হাত থেকে অঝোরে রক্ত ঝরছিল। পরে উদ্ধারকারীদের একজন নিজের পাঞ্জাবি দিয়ে হাতে বেঁধে দিয়েছিলেন। তাঁকে উদ্ধার করা স্থানীয় লোকজনকেও হাতটি খুঁজে হাসপাতালে নিয়ে আসার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। তবে কাটা হাতটি আর পাওয়া যায়নি। হারিছ আলী বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে নজরুলের সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই বিরোধ ছিল। গত চৈত্র মাসে (মার্চের দিকে) তাঁর একটি গরু চুরি হয়। পরে খোঁজ করে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে গরুটি উদ্ধার করেন তিনি। যে স্থান থেকে গরুটি উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখান থেকে তিনি জানতে পারেন, নজরুল গরুটি চুরি করে অন্যত্র রেখেছিলেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ হয়। পরে বিষয়টি সালিসের মাধ্যমে মীমাংসা হলেও নজরুল বিরোধ জিইয়ে রেখেছিলেন বলে দাবি হারিছ আলীর। হাসপাতালে হারিছ আলীকে দেখতে আসেন তাঁর ভাগনে আবদুর রশিদ। তিনি বলেন, তাঁর মামা কৃষিকাজ করে সংসার চালান। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে আছে। ডান হাত হারানোয় তিনি কর্মক্ষমতা হারালেন। কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় আছেন। হামলাকারীদের মধ্যে মোহাম্মদের মোবাইলে কল দিলে প্রথমবার সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে কল দিলে মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ ছাড়া অভিযুক্ত নজরুলের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মোড়ল বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে ঘটনাটি জানার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সিলেটহামলাসিএনজিসিলেট বিভাগঅটোরিকশাচুরিহাসপাতালগোয়াইনঘাট