জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
Why this classification
প্রবন্ধে জামায়াতের নেতা আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মী ও নির্বাহী পরিচালকের ওপর হুমকি ও শারীরিক আক্রমণ করেছেন, যা রাজনৈতিক পার্টির সদস্যের দ্বারা সংঘটিত আক্রমণ; তাই এটি রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
1
Summary
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, জামায়াত নেতা, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী পরিচালক ও নিরাপত্তা কর্মীদের হুমকি ও শারীরিক হামলা করেন এবং পরে ডিবি দ্বারা গ্রেপ্তার হন। তিনি ট্রলি‑তে পানি বোতল ফেলে ক্ষতি ও নিরাপত্তা কর্মীদের verbal ও শারীরিক আক্রমণ করেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
94% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (5 sources)
জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮:২৯ | আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮:৪৪ জামায়াত নেতা ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার বিকেলে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার আকতার হোসেন। এর আগে শুক্রবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন। একই দিন বিকেলে মামলার এজাহার আদালতে এলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তা গ্রহণ করেন। বিমানবন্দর থানার এসআই মাজেদুল ইসলামকে আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবু বক্কর ছিদ্দিক। মামলার এজাহারে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট (বিজি-৩৩৮) বিমানবন্দরে অবতরণের পর বিপুল যাত্রীর চাপ সৃষ্টি হয়। এ সময় ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলি-সংকট দেখা দেয় এবং যাত্রীরা লাগেজ পেতে বিলম্বের মুখে পড়েন। এতে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যাত্রীদের ক্ষোভ ও উত্তেজনার মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের আহ্বানে ঘটনাস্থলে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। আখতারুজ্জামান নির্বাহী পরিচালককে ‘আমি কিন্তু পিটাব ধইরা’ এবং ‘ঘাড় ধরে বের করে দেব’ বলে হুমকি দেন। একই সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী সম্পর্কেও অশালীন মন্তব্য করেন তিনি। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা প্রটোকল সহকারীরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত (কেপিআই) এলাকায় মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। সেখানে দায়িত্ব পালনরত নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাদের ভিডিও ধারণে নিষেধ করেন। এতে আখতারুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং একপর্যায়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ছাড়া সাধারণ যাত্রীদের সংগ্রহ করা জমজমের পানির বোতল ট্রলি থেকে ফেলে দিয়ে ক্ষতিসাধন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, অভিযুক্তের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্পর্শকাতর ও সংরক্ষিত বিমানবন্দর এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা-তর্কবিতর্ক: আখতারুজ্জামানের মামলার প্রতিবেদন ১০ নভেম্বর
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর, সরকারি কাজে বাধা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এই তারিখ ধার্য করেন। ঢাকার আদালতের বিমানবন্দর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আবু বক্কর ছিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার এজাহার আদালতে উপস্থাপনের পর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়। মামলাটির তদন্ত করছেন বিমানবন্দর থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল মদিনা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ সদস্যের একটি দল পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর লাগেজ সংগ্রহের সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপের কারণে ট্রলি পেতে ভোগান্তি হয়। এ নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে বিমানবন্দরের কর্মীদের কথা-কাটাকাটি হয়। এজাহারে বলা হয়েছে, লাগেজ পেতে দেরি হওয়া এবং জমজমের পানি না পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিষয়টি জানার পর ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। পরে নির্বাহী পরিচালক সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তাঁর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন এবং হুমকিমূলক ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংসদ সদস্য নির্বাহী পরিচালককে সেখান থেকে সরিয়ে নেন। বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা-তর্কবিতর্ক: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার পর আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও হুমকি দেন। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন প্রটোকল সহকারী ঘটনার ভিডিও করছিলেন এবং সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলছিলেন। বিমানবন্দরের কেপিআইভুক্ত এলাকায় ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের অনুরোধ করেন নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। এ সময় তাঁর সঙ্গে আখতারুজ্জামান অশালীন আচরণ করেন এবং একপর্যায়ে ওই নিরাপত্তাকর্মীকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা-তর্কবিতর্ক: জামায়াতের আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার পরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একজন প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে গেলে তাঁর সঙ্গেও আখতারুজ্জামান উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সময় অন্যান্য যাত্রীর সংগ্রহ করা জমজমের পানির বোতল ট্রলি থেকে ফেলে দিয়ে ক্ষতিসাধনের অভিযোগও রয়েছে। বাদীর অভিযোগ, এসব ঘটনায় বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ তৈরি হয়।
জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফা আখতার প্রীতি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এরা আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা ও মারধরের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ব্যাপক যাত্রীদের চাপের কারণে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মদিনা থেকে আগত একটি ফ্লাইটের (বিজি-৩৩৮) লাগেজ পেতে বিলম্ব হওয়ায় যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে এলে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া ও মারধরের হুমকি দেন। এমনকি তিনি বিমান মন্ত্রীকে নিয়েও অশালীন মন্তব্য করেন। আরও বলা হয়, আখতারুজ্জামানের সঙ্গীরা সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণ শুরু করলে নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেজর আখতারুজ্জামান তাকেও গালাগাল ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ছাড়া তিনি সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলে দেন এবং বিমান বাংলাদেশ প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। উল্লেখ্য, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিএনপি থেকে একাধিকবার বহিষ্কৃত হয়েছেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীতে যোগদান করেন। জেইউ/এমএন
অন্য হোতারা ধরা না পড়ায় প্রশ্ন
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা অন্য হোতারা ধরা না পড়ায় প্রশ্ন Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন ও মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় নূর আলম নামে যুবদলের সাবেক এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে আলোচিত এই তাণ্ডবে ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হলো। তবে কয়েকশ মানুষের অংশগ্রহণে হওয়া ভয়াবহ এই হামলায় এতদিনেও মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতাদের চিহ্নিত করতে না পারায় তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির কর্মীরা। পাশাপাশি ঘটনার সময় পুলিশের রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তা ও নেপথ্যের রাজনৈতিক ইন্ধনের বিষয়টি এখনো স্পষ্ট না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। এর মধ্যে শুক্রবার ছুটির দিনেও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে দ্রুতগতিতে সংস্কারকাজ চলতে দেখা গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে নূর আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঘটনার তদন্ত করছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, গ্রেফতার নূর আলম শাহ আলী থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৩০ সেপ্টেম্বর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। রাড্ডা সংশ্লিষ্ট কর্মী ও স্থানীয়রা বলছেন, রাজনৈতিক নেতাদের সরাসরি ইন্ধন ও সুপরিকল্পিত ছক ছাড়া একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমন ভয়াবহ হামলা ও দখলচেষ্টা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। হামলার আগে সন্ত্রাসী জোগাড় করতে একাধিক বৈঠক হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কুশীলবদের আড়াল করতেই তদন্ত ধীরগতিতে চলছে কিনা-সে প্রশ্নও তুলেছেন তারা। ঘটনার সময় শাহ আলী থানার তৎকালীন ওসি জাহাঙ্গীর আলমের রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও জনমনে চরম ক্ষোভ রয়েছে। তাকে প্রত্যাহার করে ডিএমপির কেন্দ্রীয় রিজার্ভে সংযুক্ত করা হলেও শুক্রবার পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি। স্থানীয়দের আশঙ্কা, শুধু ওসিকে সরিয়ে দিয়ে পুলিশের গাফিলতি ও নেপথ্যের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যেখানে পুলিশের বিরুদ্ধেই নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ, সেখানে তাদের দিয়ে তদন্ত করালে প্রকৃত সত্য কতটা বেরিয়ে আসবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা আরও বলছেন, জড়িতদের মধ্যে বেশির ভাগই সরকারদলীয় পরিচয়ের হওয়ার তদন্তে তেমন দ্রুতগতি দেখা যাচ্ছে না। চলছে সংস্কারকাজ : শুক্রবার সরেজমিন রাড্ডা সেন্টারে গিয়ে দেখা যায়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকলেও সেখানে জোরেশোরে চলছে সংস্কারকাজ। মিস্ত্রিরা ভাঙা দরজা, জানালা ও বারান্দা মেরামতের কাজ করছেন। নিরাপত্তা প্রহরায় রয়েছেন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। মূল ভবনের পাশের খালি জায়গায় সেবাগ্রহীতাদের বসার জন্য লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে টিনশেডের ছাউনি তৈরি করা হয়েছে। ভাঙা কক্ষগুলোর ইটের গাঁথুনি ও পানির সংযোগ মেরামতের কাজও শেষের দিকে। রাড্ডা সেন্টারের নিরাপত্তারক্ষী জাকির বলেন, মানুষের বসার জন্য টিনশেড বারান্দার কাজ শেষ হয়েছে। বেশির ভাগ ভাঙা কক্ষের দেওয়াল গাঁথুনির কাজও শেষ পর্যায়ে। তবে পানির সংযোগ দেওয়া হলেও শৌচাগার পুরোপুরি ব্যবহার উপযোগী হতে আরও কয়েক দিন লাগবে।
মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা–সংঘর্ষের ঘটনায় চার মামলা, আসামি দুই হাজার, গ্রেপ্তার ২৫
পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ। গতকাল বুধবার রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায়ছবি: প্রথম আলো ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় হামলা–সংঘর্ষ–ভাঙচুর–আগুনের ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা হয়েছে। মিরপুর মডেল থানায় হওয়া দুই মামলার বাদী পুলিশ। মিরপুর মডেল থানা ও কাফরুল থানায় হওয়া অপর দুই মামলার বাদী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কর্মকর্তারা। পুলিশ বলেছে, চার মামলায় মোট আসামি দুই হাজার। আসামিদের মধ্যে ২০ জনের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত একজনসহ মোট ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও পড়ুন ‘ফুটপাত ভাঙতে এসে মার্কেটের ভেতরে ভেকু ঢোকানো হলো, ক্ষতির দায় কে নেবে’ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে গতকাল মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় হকারদের সঙ্গে পুলিশ ও ডিএনসিসির কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ডিএনসিসির তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মী হামলার শিকার হন। পরে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে হকারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। পুলিশের করা মামলায় বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা, আহত করা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, গাড়ি–ট্রাফিকবক্স ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে। ডিএনসিসির করা মামলায় সংস্থার গাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, প্রতিটি মামলায় ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানায় পুলিশের করা মামলায় ২৫ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আরও পড়ুন মিরপুরে হামলা–ভাঙচুর–অগ্নিসংযোগের এই কাজ ফ্যাসিজমের দোসরেরা করেছে: ডিএনসিসি প্রশাসক ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আজ বৃহস্পতিবার মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর থানায় হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিসহ মোট ২৫ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ব্যাপারে ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, গতকালের এ ঘটনার পর ৩০ জনকে আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর ২৫ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে তাঁর থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদী ডিএনসিসির এক কর্মকর্তা। এই মামলায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। আরও পড়ুন মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০ জন আটক ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আরও পড়ুন মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন অপরাধ থেকে আরও পড়ুন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনগ্রেপ্তারমিরপুরহামলাপুলিশআগুনমামলাসংঘর্ষ
