নেত্রকোনা-৫ জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে টাকার ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে ঢোকার অভিযোগ, হেনস্তার শিকার
Why this classification
This incident was classified as political violence in Netrokona. Parties reported: BNP, Jamaat. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা-৫ আসনের কাপাশিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে জামায়াত প্রার্থী মাছুম মোস্তফাকে বিএনপি সমর্থকরা অবরুদ্ধ করে হেনস্তা করে এবং তাঁর গাড়িতে ইটপাটকেল ছোড়ে। বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ, জামায়াত প্রার্থী কেন্দ্রে টাকা নিয়ে ঢুকেছিলেন, যা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 2
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
জামায়াতের প্রার্থীর ভোট জালিয়াতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে মদনে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক মদন উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার। তিনি বলেন, আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রায় শেষ পর্যায়ে। আমরা মদন উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অতি দুঃখের সহিত জানাচ্ছি যে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে মদন উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আমাদের শ্রদ্ধেয় নেতা জনাব লুৎফুজ্জামান বাবর সাহেবের নির্দেশনা মোতাবেক নির্বাচনের সকল প্রকার আচরণ বিধি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আসছি। আমরা কোথাও কোনো আচরণ বিধি লংঘন করেছি বলে কোনো নজির নাই। কিন্তু একটি দল দাঁড়িপাল্লার ভোটের কাজ করতে গিয়ে ১নং কাইটাইল ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাংচুর করে বিভিন্ন জায়গায় নগদ টাকা, লুঙ্গি, কাপড় বিতরণ করে হাতে নাতে ধরা পড়েছে। তারা আমাদের প্রার্থীকে এবং আমাদের দলের নেতাকর্মীদেরকে বিতর্কিত করার জন্য মারাত্মক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে মিথ্যা বানোয়াট কল্পকাহিনী তৈরি করে প্রোপাগাণ্ডার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতিকে ঘোলা করতে চাচ্ছে। আমরা জামায়াতে ইসলামীর এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মদন উপজেলার ৫২টি ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো জায়গায় বিএনপির নেতাকর্মী কোনো জামায়াতের এজেন্টের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে বলে কোনো তথ্য প্রমাণ নেই এবং জামায়াতের নেতাকর্মীদের হুমকি-ধমকী এখন পর্যন্ত আমরা অত্যন্ত ধৈর্য্যের সঙ্গে মোকাবেলা করছি। ভবিষ্যতে তাদের এই মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা ও ষড়যন্ত্রকে আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করব। নেত্রকোনা-৪ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী জনাব মোঃ আল হেলাল তালুকদার কিছু মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। উক্ত বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করায় আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আকন্দ, পৌর বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দন, সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদির, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য রমজান আলী মাস্টার, যুগ্ম আহবায়ক সাইফুদ্দিন আহমেদ সেকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে এলাহী টুটন, সাবেক উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল হেলিম ভুলু, বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
নেত্রকোনা-৫ জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে টাকার ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে ঢোকার অভিযোগ, হেনস্তার শিকার
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাছুম মোস্তফা একটি কেন্দ্রের বাইরে হেনস্থার শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পূর্বধলা উপজেলার কাপাশিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরেছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাছুম মোস্তফা একটি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে ব্যাগ নিয়ে ঢোকেন বলে অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার। আর মাছুম মোস্তফার অভিযোগ, তিনি কেন্দ্র পরিদর্শেন শেষে বের হওয়ার সময় বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকেরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে হেনস্তা করেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ শেষের দিকে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের কাপাশিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির প্রার্থী আবু তাহেরের অভিযোগ, মাছুম মোস্তফা ভোট গ্রহণ শেষে কাপাশিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে তাঁর দুজন সমর্থকসহ একটি ব্যাগ নিয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর তিনি বের হন। তাঁর অভিযোগ ওই ব্যাগে তিনি টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে তিনি কেন্দ্র থেকে বের হয়ে এলে স্থানীয় লোকজন ব্যাগে কী ছিল তা জানতে চান। তখন ওই দুই ব্যক্তি দৌড়ে সটকে পড়েন। আর মাছুম মোস্তফা কোনো সদুত্তর দিতে না পেরে দ্রুত গাড়িতে উঠে চলে যান। আবু তাহের অভিযোগ বলেন, ‘জামায়াতের প্রার্থী ব্যাগে টাকা নিয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ভোটের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের প্রভাবিত করেছেন। এ ব্যাপারে আমি সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছি।’ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মাছুম মোস্তফা বলেন, ভোট গ্রহণ শেষের দিকে তিনি কেন্দ্রটি পরিদর্শন শেষে বের হন। এ সময় ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবীর ইদ্রিসের নেতৃত্বে উচ্ছৃঙ্খল বেশ কিছু লোকজন তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে তিনি গাড়িতে উঠে যেতে চাইলেই টপাটকেল ছোড়া হয়। মাছুম মোস্তফা আরও বলেন, ‘আমি কেন্দ্র থেকে বের হয়ে বাইরে এলে তাঁরা মব সৃষ্টি করার লক্ষ্যে ঘিরে রাখেন। তাঁরা বলেন, “আমি নাকি ব্যাগে করে টাকা নিয়ে কেন্দ্রে গিয়েছিলাম।” মূলত এসব মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাকে হেনস্তা করা হয় ও গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করা হয়। এ ব্যাপারে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেব। শুধু ওই কেন্দ্রের ঘটনাই নয়, আরও বেশ কিছু স্থানে আমার কর্মী-সমর্থকদের ভোট প্রদানে বাধাসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করব।’ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনকালে মামুনুল হকের ওপর হামলাচেষ্টার অভিযোগ, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি শরীয়তপুর-২ আসনের ৪০টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিতের আবেদন জামায়াত প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন এ ব্যাপারে জানতে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবু মাসুদ আকন্দের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। আর সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনিছুর রহমান খান ফোন কেটে দেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীজাতীয় সংসদ নির্বাচনবিএনপিনেত্রকোনাত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনজাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ময়মনসিংহ বিভাগজামায়াত
