‘আজকে পুলিশ মেরে ভাত খাব’
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Thakurgaon. Parties reported: Police, Criminal Gang. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ১৪ মে ঠাকুরগাঁও শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সময় কনস্টেবল আজিজুল ইসলামকে অপহরণ ও নির্মম নির্যাতন করা হয়। আসামিরা মুক্তিপণ দাবি ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
76% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজের একদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজের একদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার ছবি: সমকাল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬ | ১৫:৫০ ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে নিখোঁজের একদিন পর সাহিদা আক্তার লামিয়া নামে ৪ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের আনসার ডাঙ্গী পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত লামিয়া ওই এলাকার শফিকুর রহমানের মেয়ে। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিল লামিয়া। এরপর থেকে তার স্বজন ও এলাকাবাসীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ভূট্টা ক্ষেতে তার মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও জেনালের হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, ‘শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও জেনালের হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মোরসালিন নামে এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় সে হত্যার দায়ী স্বীকার করেছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
‘আজকে পুলিশ মেরে ভাত খাব’
ঠাকুরগাঁওয়ে সাদা পোশাকে দায়িত্বরত এক পুলিশ কনস্টেবলকে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, আসামিরা ‘আজকে পুলিশ মেরে দুপুরে ভাত খাব’ বলে তাঁর ওপর নির্মমভাবে নির্যাতন চালিয়েছে উল্লেখ করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য। এ ছাড়াও লক্ষাধিক টাকা চাঁদা দাবি ও জোরপূর্বক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি। আজ শনিবার এ মামলায় অভিযুক্ত ৫ জনকেই গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরগাঁও থানা–পুলিশ। পরে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী পুলিশ কনস্টেবল আজিজুল ইসলাম। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩ / ১৮৬ / ৩৪১ / ৩৩৩ / ৩৫৩ / ৩৪২ / ৩৩২ / ৩৬৫ / ৩৮৫ / ৫০৬ / ১১৪ / ৩৪ ধারায় সরকারি কাজে বাধা, অপহরণ, অবরুদ্ধ করে চাঁদা দাবি ও গুরুতর আঘাতের অভিযোগে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা (মামলা নম্বর-২৫) দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘটনার নেপথ্যে কোনো গভীর রহস্য বা আর্থিক লেনদেনের বিরোধ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আসামিদের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. সোহেল রানা (৩২), মো. বিপ্লব ইসলাম (২৭), মো. নাজমুল হোসেন ওরফে রাব্বি (২২), মো. সাকিব খান (২৬) ও মো. নাইম আহাম্মেদ (২৮)। মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর থানার কনস্টেবল মো. আজিজুল ইসলাম সাদা পোশাকে গোয়েন্দা তথ্য ও মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি শহরের গোয়ালপাড়া (পুরোনো ওয়ালটন সার্ভিস মোড়) এলাকায় পৌঁছালে একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার ও অটোরিকশা নিয়ে একদল যুবক তাঁর পথরোধ করে। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই যুবকেরা তাঁকে জোরপূর্বক প্রাইভেটকারের ভেতর টেনেহিঁচড়ে তুলে নেয় এবং চড়-থাপ্পড় মেরে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনটি কেড়ে নেয়। পরবর্তীতে একটি দোকানে নিয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহের কারণে আসামিরা তাঁকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিয়ে বলেন, ‘এই থানায় থাকতে হলে আমাদের চাঁদা দিতে হবে।’ একপর্যায়ে জোরপূর্বক তিনটি ১০০ টাকা মূল্যমানের ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে উল্লেখ করা হয়। এজাহারে ঘটনার বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়, কনস্টেবল আজিজুল ইসলাম প্রতিবাদ করলে এক আসামি অন্যদের হুকুম দিয়ে চিৎকার করে বলেন, ‘এই বেটা পুলিশকে ধর। আজকে পুলিশ মেরে দুপুরে ভাত খাব।’ এরপর দুজন (আসামি) তাঁর গালে চড় থাপ্পড় দেন ও দোকানে থাকা শক্ত বাঁশের লাঠি দিয়ে দুই পায়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। ভুক্তভোগী চিৎকার করলে আসামিরা তাঁর মুখ চেপে ধরে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। পরে ভুক্তভোগী ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা নেন। প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ ও আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহের কারণে এজাহার দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এজাহারনামীয় পাঁচ আসামির সবাইকে আমরা ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাঁদের কড়া নিরাপত্তায় ঠাকুরগাঁও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’ এসআই হারুন অর রশিদ আরও বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে, এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো গভীর রহস্য বা অর্থনৈতিক লেনদেনের কোনো বিষয় থাকতে পারে। আসামিরা কেন একজন পুলিশ সদস্যের ওপর এতটা চড়াও হলো, তা বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এ জন্য খুব দ্রুতই আদালতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।’ এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘সরকারি পোশাক ছাড়া তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ সদস্যের ওপর এমন বর্বরোচিত হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। খবর পাওয়ার পরপরই আমরা মাঠে নামি এবং প্রধান পাঁচ আসামিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করি।’
তথ্য সংগ্রহে গিয়ে অপহৃত পুলিশ সদস্য, নির্যাতন
তথ্য সংগ্রহে গিয়ে অপহৃত পুলিশ সদস্য, নির্যাতন ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রেফতার ৫ Advertisement ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঠাকুরগাঁও সদর থানার এক পুলিশ কনস্টেবলকে অপহরণের পর নির্যাতন ও চাঁদা দাবির অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ১৪ মে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে ওই পুলিশ সদস্য অপহরণের শিকার হন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় গ্রেফতাররা হলেন- পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জ লোহাগড়ার সোহেল রানা, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার গড়েয়া এলাকার বিপ্লব ইসলাম, গোবিন্দনগর এলাকার নাজমুল হোসেন ওরফে রাব্বি, জগন্নাথপুর হাজির মোড়ের সাকিব খান এবং মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কুড়েগ্রাম এলাকার নাইম আহাম্মেদ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর থানার কনস্টেবল আজিজুল ইসলাম সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহ ও মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৪ মে দুপুরে শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায় গেলে একটি প্রাইভেটকার ও অটোরিকশায় আসা কয়েকজন যুবক তার পথরোধ করে। এরপর তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে অপহরণ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, অপহরণের পর কনস্টেবল আজিজুলকে শহরের জেলা স্টেডিয়ামের পূর্বপাশে মহাসড়কসংলগ্ন একটি মোটরসাইকেলের দোকানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে জিম্মি করে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে অভিযুক্তরা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। হামলাকারীরা ঘটনাটি কাউকে না জানাতে ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ওই কনস্টেবল কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
