মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে নির্যাতন, যুবকের দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ
Why this classification
The article reports a concrete recent attack where a youth was brutally beaten and his eyes removed, meeting the violence criteria and occurring within the 14‑day window in Bangladesh.
Killed
0
Injured
1
Summary
বোরহানউদ্দিনে ২ অক্টোবর রাতে মো. রাজিবকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে মারধর করে তার দুই চোখ কেটে ফেলা হয়; তিনি গুরুতর আঘাত পেয়ে ভোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। পুলিশ ইমাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং মামলাটি দাখিল করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
96% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে নির্যাতন, যুবকের দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় রাতের আঁধারে বাড়ির সামনে থেকে মো. রাজিব নামে এক যুবককে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে মারধরের পর তার ২ চোখ উপরে ফেলার অভিযোগ ঘটেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর ইমাম হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে বোরহানউদ্দিন থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী ফারহানা। এরআগে, সোমবার (৫ অক্টোবর) দিনগত মধ্যরাতে বোরহানউদ্দিনে অবস্থিত ভোলা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের পাশ থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। ভুক্তভোগী রাজিব উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফারুক খানের ছেলে। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত রাজিব একই বাড়ির আমির খানের ছেলে বলেও জানা গেছে। মামলার এজাহার,পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইল টিপছিল রাজিব। এসময় হঠাৎ একটি মাইক্রোবাস নিয়ে আসামিরা আসে এবং রাজিব কিছু বুঝে ওঠার আগেই মুখ চেপে ধরে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে পথে অমানবিক নির্যাতন করে ও তার চোখ দুটি তুলে ফেলে পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের পাশে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফেলে যায়। এসময় তার চিৎকার শুনে সেখানকার শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে এসে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে ৯৯৯ এ কল দিলে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয় এবং তার পরিবারকে খবর দেয়। পরে সেখান থেকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে নিলে সকালে ভোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। রাজিবের বড় ভাই রিয়াজ অভিযোগ করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা রাজিবের উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা থেকে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি। রাজিবের চোখ নষ্ট করে দেওয়াসহ শরীরে ও মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের কয়েকজনকে চিনেছে ও তাদের নাম বলেছে রাজিব। মামলা হয়েছে, আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই। বিকেলে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশ্রাব আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে থানা পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুপুরে রাজিবের স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ইমাম হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদসহ আদালতে সোপর্দ করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া মামলাটির বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টাসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলছে বলেও জানান তিনি। মো.খাইরুল ইসলাম/এসএইচএ
বোরহানউদ্দিনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
বোরহানউদ্দিনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা Advertisement বোরহানউদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০৩:০৪ এএম ভোলার বোরহানউদ্দিনে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মাইনুদ্দিন (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার (২৯ মে) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে দেউলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটপাতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মাইনুদ্দিনের বাবা নেছারউল্লাহর সঙ্গে একই এলাকার ফয়জুল্লাহ গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধের জেরে উভয়পক্ষের মধ্যে একাধিকবার উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিকালে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে মাইনুদ্দিনের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হামলাকারীরা ধারাল অস্ত্র নিয়ে মাইনুদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মাইনুদ্দিনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। একই সঙ্গে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এলাকায় নজরদারি জোরদার করেন। এ ঘটনায় বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেউলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটপাতা গ্রামের বজলুর রহমান (৫৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বোরহানউদ্দিন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার সাহা জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের আটকের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহতের বাবা নেছারউল্লাহ দাবি করেছেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। পরিকল্পনা করেই মাইনুদ্দিনকে হত্যা করা হয়েছে।
