নরসিংদী থেকে লোক ভাড়া করে এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মারামারি, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০
Why this classification
The article reports a specific, recent armed clash on 3 October 2026 in Charlapang village, Nabinagar, where gunfire during a feud between two groups injured at least 10 people, including two gunshot victims. The incident is a physical clash with firearms, so it qualifies as relevant violence.
Killed
0
Injured
10
Summary
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার চরলাপাং গ্রামে (৩ অক্টোবর ২০২৬) রাতে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে দুজনসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। নরসিংদী থেকে ভাড়ায় লোক এনে হামলার অভিযোগ উঠেছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নবীনগরে বাজার দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১০
গ্রেফতার তিন নবীনগরে বাজার দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১০ Advertisement নবীনগর দক্ষিণ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারে একটি দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আওয়াল রবি, তার ভাই শফিকুল ইসলাম, তুহিন ও রুবেল, বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি শামীম, তার ছেলে শান্ত এবং মিজানুর রহমান মজনু রয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধ ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে চেয়ারম্যান রবিউল আওয়াল রবির পক্ষ এবং সাবেক যুবদল নেতা কাউছার আলমের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ রয়েছে, বাঙ্গরা বাজারের একটি খালি জায়গায় দোকানঘর নির্মাণ করতে গেলে চেয়ারম্যানের ভাই শফিকুল ইসলামকে বাধা দেন প্রতিপক্ষের লোকজন। এ সময় তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রতিপক্ষের লোকজন ‘মব’ সৃষ্টি করে চেয়ারম্যান ও তার ভাইদের মারধর করে একটি স্থানে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৌশলে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে পুলিশ চেয়ারম্যান রবি এবং তার দুই ভাই রুবেল মিয়া ও পলাশ মিয়াকে গ্রেফতার করে। যুবদল নেতা কাউছার আলম ব্যস্ততার কথা বলে মন্তব্য করতে অপারগতা জানান। নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাঙ্গরা বাজারসহ আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নরসিংদী থেকে লোক ভাড়া করে এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মারামারি, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০
সংঘর্ষপ্রতীকী ছবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন ফুল মিয়া (৬০) ও উম্মে হানি (২২)। আহত ফুল মিয়া চরলাপাং গ্রামের বাসিন্দা। উম্মে হানি একই গ্রামের সুমন মিয়ার স্ত্রী। দুজনকে উদ্ধার করে প্রথম নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা গেছে, চরলাপাং গ্রামে একটি সড়ক নির্মাণের সময় গ্রামের অহিদ মিয়া বাধা দেন। এ নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। সড়কটি নির্মাণের পর গ্রামের মুসলেম মিয়া কৃষকদের জমিতে ভাড়ায় চাষ দেওয়ার জন্য একটি ট্রাক্টর কিনে আনেন। এতে বিরোধ আরও তীব্র হয়। ট্রাক্টর ভাড়া ব্যবসায় একক আধিপত্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় মুসলেম মিয়ার ওপর অহিদ মিয়া ও তাঁর ভাই উবায়দুল মিয়া ক্ষুব্ধ হন। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পুলিশ ও স্থানীয় মানুষের ভাষ্য, এর জের ধরে গতকাল শনিবার রাতে অহিদ মিয়া নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জারচর গ্রাম থেকে ভাড়ায় লোকজনকে আনেন। অহিদ মিয়ার নেতৃত্বে ওই লোকজন মুসলেম মিয়ার লোকজনের ওপর হামলা চালান। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় গুলি চালালে মুসলিম মিয়ার পক্ষের ফুল মিয়া ও উম্মে হানি নামের দুজন গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হন। নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার রোকসানা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে ডান হাতে গুলিবিদ্ধ দুজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে তাঁদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় অহিদ মিয়া ও মুসলেম মিয়ার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। জানতে চাইলে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি গ্রামের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়। আরও পড়ুন ককটেল–গুলির শব্দে ঘুম ভাঙল শান্তিপুর গ্রামের মানুষের, দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে তরুণ নিহত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ওসি মোরশেদুল আলম আরও বলেন, এক পক্ষে নরসিংদীর রায়পুরার মির্জারচর থেকে লোকজন ভাড়া এনে হামলা চালায়। সংঘর্ষে গোলাগুলির ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি বলে জানান তিনি। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়াপুলিশনবীনগরসংঘর্ষনরসিংদীগুলি
