পুলিশের উপস্থিতিতে ‘মব’ করে ফাঁকা চেকে সই নেওয়ার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 75%

Why this classification

A fish trader was forcibly taken from his home by three men, and a crowd of about 120 to 130 people was gathered around him to coerce him into signing blank cheques and stamp papers under threat of not being released. The article does not report injuries, but the forced removal and mob intimidation count as a concrete, recent violent act within Bangladesh.

Reported by:SamakalSingle source
28/05/26•চাঁইসাড়া গ্রাম, হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

রাজশাহীর বাগমারায় ২০২৬ সালের ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) চাঁইসাড়া গ্রামে মাছ ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলামকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে প্রায় ১২০-১৩০ জনের মব তৈরি করা হয় এবং পুলিশের উপস্থিতিতে তার কাছ থেকে ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। অভিযুক্তদের দাবি, প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তবে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চাঁদা না দেওয়ায় তাকে হেনস্তা করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

75% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

হাসান সরদারমাসুদ রানাআশরাফুল ইসলামআসাদুল ইসলাম (ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ী)হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এএসআই আবদুল মান্নানস্থানীয় মব (প্রায় ১২০-১৩০ জন)

Tags

ExtortionLynching

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 30/05/26open original ↗

পুলিশের উপস্থিতিতে ‘মব’ করে ফাঁকা চেকে সই নেওয়ার অভিযোগ

পুলিশের উপস্থিতিতে ‘মব’ করে ফাঁকা চেকে সই নেওয়ার অভিযোগ ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৬ | ২০:৪৬ রাজশাহীর বাগমারায় পুলিশের উপস্থিতিতেই ‘মব’ তৈরি করে এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ফাঁকা চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, মাছ চাষ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী আসাদুল ইসলামের দাবি, অভিযুক্তরা তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় এ কাজ করেন তারা। একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেছেন, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে চাঁইসাড়া গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলামকে তার নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় একই গ্রামের হাসান সরদার, মাসুদ রানা ও আশরাফুল ইসলাম। পরে সন্ধ্যার দিকে তাকে প্রকাশ্যে আনা হলে সেখানে ১২০-১৩০ জনের একটি ‘মব’ তৈরি হয়। খবর পেয়ে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা পুলিশকেও ঘিরে ফেলে। এসময় অভিযুক্তরা দাবি করেন, স্থানীয় কোলা বিলে মাছ চাষ প্রকল্পের কোষাধ্যক্ষ থাকাকালে আসাদুল ইসলাম টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সেই টাকা পরিশোধ না করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। পরে ব্যাংকের ফাঁকা চেক ও ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযুক্তদের দাবি অনুযায়ী পুলিশের উপস্থিতিতেই আসাদুল ইসলামের থেকে তিনটি ফাঁকা চেক ও তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর রাত ৯টার দিকে আসাদুল ইসলামকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। মাছ ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলামের দাবি, পুলিশের সহযোগিতায় ফাঁকা স্ট্যাম্প ও চেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। স্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে কোলা বিলে মাছ চাষ প্রকল্প পরিচালনা করতেন তিনি। প্রকল্পের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। ৯ মাস আগে নতুন কমিটির কাছে হিসাব বুঝিয়ে দিয়ে দায়িত্ব ছেড়ে দেন। শুক্রবার সকালে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত হাসান সরদার বলেন, ‘যা হয়েছে, পুলিশের সামনেই হয়েছে। পুলিশ উপস্থিত থেকে সব করেছে।’ অভিযুক্তদের দাবি, আসাদুল ইসলাম মাছের খাদ্যের কমিশনের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে এ বিষয়ে তারা কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ করেননি। ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল মান্নান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়ে মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেন। স্থানীয় নরদাশ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমিও অবাক হয়েছি। মব করে এ রকম ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এ ছাড়া পুলিশ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার না করে বাড়ি থেকে চেক আনার ব্যবস্থা করেছে।’ - বিষয় : - রাজশাহী - ব্যবসায়ী - সামাজিক মাধ্যম