চট্টগ্রামে হোটেল ঘরে নারীর ঝুলন্ত দেহ পাওয়া

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The incident involves a private domestic homicide with no political party or group involvement; therefore it is not political violence.

Reported by:Dhaka PostAjker PatrikaProthom AloJugantorCorroborated · 4 sources
30/09/26•City Palace Hotel, Akbar Shah

Killed

1

Injured

0

Summary

চট্টগ্রাম নগরীর সিটি প্যালেস হোটেলের একটি কক্ষে ২৭ বছর বয়সী জান্নাতুল নাঈমের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার স্বামী খাবার নিয়ে ঘরে ঢুকে দেহটি দেখেন এবং হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

জান্নাতুল নাঈম (মৃত্যু)মন্সুর হেলাল (স্বামী)অ্যাকবরশাহ থানার ওসি কামরুজ্জামান

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 30/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 30/09/26open original ↗

জামিনে বেরিয়েই মামলার বাদীর ওপর হামলা, আহত ২

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১২ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে উত্ত্যক্তের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বেরোনো আসামির বিরুদ্ধে মামলার বাদী ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় বাদী মোহাম্মদ রুবেল (৩৮) এবং তাঁর বাবা তামিজ আহমদ (৬৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আজ বুধবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের হেটিখাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৮ জুলাই রাতে চাচার দোকানের সামনে এক কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় প্রতিবাদ করেন তাঁর চাচা মোহাম্মদ রুবেল। এ ঘটনার জেরে রুবেলের দোকানে ভাঙচুর এবং পরদিন কিশোরীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। ওই হামলায় নারী-পুরুষসহ পাঁচজন আহত হন।পুলিশ ওই ঘটনায় এলাকার রোকনকে (২৫) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে রোকনসহ অভিযুক্তরা মামলা তুলে নিতে হুমকি-ধমকি দেন। মোহাম্মদ রুবেলের পরিবারের দাবি, মামলা তুলে না নেওয়ায় আজ বিকেলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রুবেলকে কুপিয়ে আহত করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের উপস্থিতিতেই আবার হামলা চালানো হয়।আহত তামিজ আহমদ বলেন, ‘বিকেলে শিবলু, রোকনসহ একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ছেলেকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। এ সময় আমরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ আসে। অভিযুক্তরা পুলিশের সামনে আমার ওপর হামলা করে পালিয়ে যায়।’ মোহাম্মদ রুবেলের বড় ভাই মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, ‘অভিযুক্তরা জেল থেকে বেরিয়ে ইভটিজিংয়ের মামলা তুলে নিতে বারবার চাপ সৃষ্টিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নেওয়ায় তারা আমার পরিবারের ওপর দুই দফায় হামলা করে। এতে আমার ভাই ও বাবা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ওয়ালি উল্লাহ বলেন, গুরুতর আহত দুজনকে হাসপাতালে আনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েদ চৌধুরী বলেন, ‘মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ হয়নি।’

Source 2: Dhaka Post · 01/10/26open original ↗

চট্টগ্রামে হোটেল থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রাম নগরীর একটি আবাসিক হোটেল থেকে জান্নাতুল নাঈম (২৭) নামে এক নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর আকবরশাহ থানার একে খান মোড় এলাকার সিটি প্যালেস হোটেলের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত জান্নাতুল নাঈম বোয়ালখালী উপজেলার উত্তর আকুবদণ্ডী এলাকার মনসুর হেলালের স্ত্রী। প্রায় আড়াই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। নগরীতে ভাড়া বাসায় বসবাস করলেও বাসাটি ছেড়ে দিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে তারা ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তার স্বামী সল্ট ক্রসিং এলাকায় পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুরে খাবার নিয়ে স্বামী কক্ষে ঢুকে জান্নাতুল নাঈমকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আরএমএন/জেআই

Source 3: Jugantor · 29/09/26open original ↗

চট্টগ্রামে মধ্যরাতে বিএনপির দুই গ্রুপে গোলাগুলি

অ্যাক্সেস রোড এখন ‘ক্রাইম জোন’ চট্টগ্রামে মধ্যরাতে বিএনপির দুই গ্রুপে গোলাগুলি Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামে মাদক কারবার ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার মধ্যরাতে এবারও সেই চকবাজার থানাধীন বাকলিয়ার অ্যাক্সেস রোডে (সৈয়দ শাহ রোডসংলগ্ন) এই ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলির শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাবাসীর মধ্যে। বিএনপি সমর্থিত দুই নেতা জসিম উদ্দিন ও মুরাদের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। পরে রাতভর অভিযান চালিয়ে উভয় পক্ষের ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকলিয়ার অ্যাক্সেস রোড এলাকা ‘কিশোর গ্যাং’ ও ‘মাদকের’ হটস্পটে পরিণত হয়েছে। ওই দুই গ্রুপই মাদকের এই ডিপো নিয়ন্ত্রণে রাখতে মরিয়া। তাদের দুজনেরই আশ্রয়দাতা নগর যুবদল নেতা এমদাদুল হক বাদশা। রোববার রাত ১২টার দিকে মাদক বিক্রি নিয়ে এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের ওপর চড়াও হয়। তারা হকিস্টিক, লাঠিসোঁটা ও চাপাতি নিয়ে পরস্পরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একের পর এক গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারাও গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। পরে বাকলিয়া থানা থেকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, শতাধিক লোক লাঠিসোঁঠা নিয়ে এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর হামলে পড়ছে। রাস্তার দুই পাশে বহুতল ভবনের গেট ভাঙচুর করছে। এক দল আরেক দলকে ধাওয়া দেওয়ার দৃশ্যও চোখে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম যুগান্তরকে জানান, দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরস্পরের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় পারটাপালটি ধাওয়া শুরু হয়। তারা একে অপরকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় কয়েকটি বিকট বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ১৫ জন গ্রেফতার : সংঘর্ষের পর বাকলিয়া ও চকবাজার থানা পুলিশ যৌথভাবে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। অভিযান চালিয়ে বাকলিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংঘর্ষে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারের বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় সংঘর্ষকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ও সড়কে চলাচলরত সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর করে। এতে জনসাধারণের জানমালের ক্ষতি ও নাশকতা সৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে বাকলিয়া থানার টহল পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সিএমপির সিনিয়র সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অ্যাক্সেস রোড এখন ‘ক্রাইম জোন’ : স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাকলিয়া এক্সেস রোড এখন ‘ক্রাইম জোনে’ পরিণত হয়েছে। এখানে দিনদুপুরে চলে গোলাগুলি ও পালটাপালটি হামলা। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এলাকাটি। এক্সেস রোডের আশপাশে চারটি সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। গ্রুপের সদস্যদের বেশির ভাগেরই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নানা পদ-পদবি রয়েছে। আধিপত্য বিস্তার, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, ডিস ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে বিরোধ, বিরোধপূর্ণ জায়গা দখল-বেদখল নিয়েই মূলত গ্রুপগুলো প্রায়ই দ্বন্দ্ব-সংঘাতে জড়াচ্ছে। রাজনীতি নয়; বরং তারা জড়াচ্ছে স্বার্থের দ্বন্দ্বে। গত বছরের ২৮ অক্টোবর অ্যাক্সেস রোডে যুবদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের সময় ছাত্রদলকর্মী সাজ্জাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এর আগে ৩০ মার্চ এই রোডেই ঘটে জোড়া খুনের ঘটনা। প্রকাশ্যে গাড়ির ভেতর ব্রাশফায়ার করে হত্যা করা হয় বখতিয়ার হোসেন মানিক ও মো. আবদুল্লাহকে।

Source 4: Prothom Alo · 30/09/26open original ↗

চট্টগ্রামে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে কিশোরকে খুন, আটক ৫

খুলশী থানাছবি: সংগৃহীত চট্টগ্রামে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে নগরের খুলশী থানার ওয়্যারলেস কলোনি এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের অভ্যন্তরীণ বিরোধে ঘটেছে এই ঘটনা। নিহত কিশোরের নাম মোহাম্মদ হৃদয় (১৬)। সে স্থানীয় ওয়ারলেস কলোনি বাজারে ভ্যানে সবজি বিক্রি করত। আটক পাঁচজনও একই এলাকার। তারা স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। কিশোর গ্যাংটি নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) ওয়াকিল হোসেন বগা নিয়ন্ত্রণ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, নিহত কিশোরও কিশোর গ্যাংটির সদস্য ছিল। কয়েক দিন আগে তার সঙ্গে দলের কয়েকজনের ঝগড়া হয়। এই ঝগড়ার জেরে রাতে বাসা থেকে তাকে রাস্তায় ডেকে নিয়ে প্রথমে কান কেটে ফেলা হয়। পরে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আহত অবস্থায় রাস্তা থেকে উদ্ধার করে স্বজনেরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করেছেন। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম প্রথম আলোকে বলেন, বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ওই কিশোরকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি কিশোর গ্যাংয়ের পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তারা ওয়াকিলের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। ওয়াকিলকেও ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরে বর্তমানে ২০০ কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে বলে পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে। একেকটি দলে রয়েছেন ৫ থেকে ১৫ জন। নগরজুড়ে এসব গ্যাংয়ের সদস্যসংখ্যা অন্তত ১ হাজার ৪০০। পুলিশ বলছে, কিশোর গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষকতা বা প্রশ্রয়ে ৬৪ ‘বড় ভাই’ আছেন। গত ৬ বছরে ৫৪৮টি অপরাধের ঘটনায় কিশোর গ্যাং জড়িত বলে জানায় পুলিশ। ২০২৪ সালের মার্চে নগর পুলিশের করা এক জরিপে উঠে আসে, চট্টগ্রামের স্কুলগুলোতে অনুপস্থিত থাকা ৫৪ শতাংশ শিক্ষার্থীর বেশির ভাগই জড়িয়ে পড়েছে অপরাধে। নগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সামাজিক অস্থিরতা ও কিশোর গ্যাংয়ের উত্থানের কারণ খুঁজতে গিয়ে স্কুলপড়ুয়া ছাত্রদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পায় পুলিশ। এসব ছাত্র পর্নোগ্রাফি, সাইবার অপরাধ, ছিনতাই, চুরি, মাদক নেওয়া ও কেনাবেচা এবং অনলাইন জুয়ার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এ ক্ষেত্রে তারা বেছে নেয় স্কুলের সময়টা। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন চট্টগ্রামঅপরাধখুনচট্টগ্রাম বিভাগকিশোর গ্যাং