টাকা পেয়ে স্ত্রীকে বাড়িছাড়া করার চেষ্টা
Why this classification
A wife was beaten by her husband, his brother and his brother's wife on 17 April 2026 and needed hospital treatment, which is a concrete physical attack within the recent window. The article describes one specific incident of physical violence, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
নেত্রকোনার মদনে ১৭ এপ্রিল স্বামী জহিরুল ইসলাম, তার ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী মিলে স্ত্রী নূরুন্নাহারকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এরপর ভুয়া তালাকের অভিযোগ তুলে তাকে বাড়ি থেকে বের করতে চাপ দেওয়া হয় এবং স্ত্রী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
টাকা পেয়ে স্ত্রীকে বাড়িছাড়া করার চেষ্টা
মদনে ভুয়া তালাকের নাটক টাকা পেয়ে স্ত্রীকে বাড়িছাড়া করার চেষ্টা Advertisement মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মদনে ভুয়া তালাকের নাটক সাজিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে বাড়িছাড়া করার অভিযোগ করেছে স্ত্রী। এ নিয়ে স্বামী জহিরুল ইসলামসহ তার ভাইদের বিরুদ্ধে স্ত্রী নূরুন্নাহার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। জানা গেছে, উপজেলার গোবিন্দশ্রী বড্ডা গ্রামের জহিরুল ইসলাম ১৭ বছর আগে ওই নারীকে বিয়ে করেন। পরে নূরুন্নাহার বাবার বাড়ি থেকে ওয়ারিশান বাবদ প্রায় ২৫ লাখ টাকা বাড়ি ও জমি করার জন্য এনে দেয়। ওই নারীর অভিযোগ, টাকা চেয়ে স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। এ নিয়ে কয়েকবার সালিশ হয়। এতে সে অপরাধ স্বীকার করে সংসার চালাতে থাকে। পরে জাহাঙ্গীরপুর পশ্চিমপাড়ার হোসাইন নামে এক মাদ্রাসার শিক্ষক কাজির মাধ্যমে তিনটি নোটিশ দিয়ে সে তালাক দিয়েছে বলে এলাকায় প্রচার করতে থাকে। এ নিয়ে গত ১৭ এপ্রিল বাগবিতণ্ডার জেরে স্বামী, তার ভাই ও ভাইয়ের বউ ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর শুরু করে। আহত অবস্থায় তাকে প্রতিবেশীরা মদন হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসা শেষে বাড়িতে গেলে তাকে ঘর থেকে বের হওয়ার জন্য তারা চাপ দেয়। জহিরুল ইসলাম জানান, সে সব মিথ্যা বলছে। আমি তাকে তালাক দিয়েছি। কাগজপত্র আছে। আমি নিজে পরিশ্রম করে এ টাকা আয় করেছি। ওসি হাসনাত জামান জানান, তাদের নিয়ে একবার থানায় বসা হয়েছিল। এখন আবার অভিযোগ দিয়েছে, মামলা হবে।
