কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে
Why this classification
This is classified as political violence because it involves a physical clash and attack with weapons by one political group (Jamaat-Shibir) against the members of another political organization (Gono Odhikar Parishad) in Kushtia.
Killed
0
Injured
1
Summary
কুষ্টিয়ায় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Gono Odhikar Parishad
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিরোধীদল হয়েই আ.লীগের সমস্ত বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে জামায়াত: রাশেদ
বিরোধীদল হয়েই আ.লীগের সমস্ত বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে জামায়াত: রাশেদ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৯ এএম রাশেদ খান। ফাইল ছবি বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান অভিযোগ করেছেন, জামায়াতে ইসলামী বিরোধীদল হিসেবে আওয়ামী লীগের মতোই আচরণ করছে। তিনি দাবি করেছেন, ভবিষ্যতে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ভিন্নমতের মানুষদের ন্যূনতম রাজনৈতিক পরিসরও দেওয়া হবে না। রোববার (১৬ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াত-শিবিরকে উদ্দেশ করে রাশেদ খান বলেন, ‘পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, জামায়াত-শিবির পুরোপুরি জালিম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করে আজকে আবার দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পেশিশক্তির মহড়া দিয়েছে জামায়াত-শিবির।’ তিনি বলেন, ‘অতীতে আমরা বিরোধীদলকে সবসময় মজলুম ও বিনয়ী হিসেবে দেখেছি। কিন্তু প্রধান বিরোধীদল হয়েই আওয়ামী লীগের সমস্ত বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে জামায়াত। এরা ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে ভিন্নমতকে ন্যূনতম স্পেস দেবে না।’ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের জামায়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদকে ধন্যবাদ জানাই এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য। বিশেষ করে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনকে ধন্যবাদ জানাই যে, তারা গণঅধিকার পরিষদকে যারা জামায়াতমুখী করতে চেয়েছিল, সেসব নেতাদের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করছে।’ জামায়াত-শিবিরের বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা এখন ‘সতর্ক’ হয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, ‘জামায়াত-শিবির কতটা ভয়ংকর, এখন অন্তত গণঅধিকার পরিষদ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বুঝতে পেরেছে এবং এর প্রেক্ষিতে সারাদেশে নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকে সাধুবাদ জানাই।’ গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের জামায়াতের পক্ষে বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, ‘আশা করি, গণঅধিকার পরিষদের আর কেউ টকশো কিংবা বক্তব্যে আর কখনো জামায়াতি বয়ানে বক্তব্য দেবে না।’ জামায়াতের মহাসচিবের বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি। রাশেদ খান বলেন, ‘দল হিসেবে জামায়াত ও তাদের সেক্রেটারি জেনারেল গণঅধিকার পরিষদকে নিয়ে আজকে যে জঘন্য বক্তব্য দিয়েছে, আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।’ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণঅধিকার পরিষদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও ফ্যাসিবাদের পতনে দল হিসেবে জামায়াতের তুলনায় গণঅধিকার পরিষদের অবদান বেশি। জামায়াত যখন গুপ্ত ছিল, গণঅধিকার পরিষদ তখন রাজপথে ছিল।’ জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘কিন্তু আজকে তাদের আস্ফালন দেখে মনে হচ্ছে, তারাই সব করেছে! কিন্তু ইতিহাস তো বদলানো যায় না।’
