ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে উলিপুরে ভাঙচুর ও লুটপাট

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The article describes a specific attack on 30 May 2026 in Ulipur, Kurigram, where about 30-40 people with local weapons attacked a family's house, looted property and cash, and injured three people, including a woman stabbed in the stomach. This is a concrete, recent act of violence, so it qualifies.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
30/05/26•মধুপুর, ধরনীবাড়ী ইউনিয়ন, উলিপুর

Killed

0

Injured

3

Summary

কুড়িগ্রামের উলিপুরের ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের মধুপুর এলাকায় ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের নেতৃত্বে প্রায় ৩০-৪০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। ২০২৬ সালের ৩০ মে (শনিবার) ঘটনায় নারীসহ তিনজন কুপিয়ে আহত হন এবং ২৫০ মন ধানসহ নগদ টাকা লুট হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Union Parishad Chairman Ershadul HaqueAbu Bakr SiddiqueSahida BegumPhool Miah

Affected infrastructure

housesfurniturepaddy storedpoultrycash

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 30/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 31/05/26open original ↗

উলিপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বাড়িঘরে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ধরনীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় চেয়ারম্যানের হুকুমে নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার রোববার (৩১ মে) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরআগে, শনিবার (৩০ মে) দুপুরে উপজেলার মধুপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের মধুপুর এলাকার আলশিয়া শেখের ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক (৬৮), তার ছোট ভাই আব্দুর রহমানের (৫৫) সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে পারিবারিক বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল। হঠাৎ করে শনিবার (৩০ মে) দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের নেতৃত্বে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকের বাড়িতে আসেন। এরপর পরিবারের লোকজনকে কুপিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। এ সময় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে তার লোকজন ২৫০ মণ ধান, আসবাবপত্র, হাঁস-মুরগি, নগদ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যান। ঘটনা দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দিয়ে সহযোগিতা চান। এরপর রাতে উলিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অবরুদ্ধ আবু বক্কর সিদ্দিক, স্ত্রী সাহিদা বেগম ও ছেলে ফুল মিয়াকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ ঘটনায় আবু বক্কর সিদ্দিক বাদী হয়ে রোববার (৩১ মে) ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হককে প্রধান আসামি করে ৫জন নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ৩৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, কোনো ধরনের ঘটনা ছাড়াই ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের নেতৃত্বে আমাদের উপর হামলা ও বাড়িঘর লুটপাট করা হয়। এছাড়া আমার স্ত্রী সাহিদার পেটে ছুরি মেরে গুরুত্বর আহত করা হয়। আমরা নিরূপায় হয়ে পুলিশের সহযোগিতায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। চেয়ারম্যানসহ তার লোকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি। আমাদের লুটপাটকৃত মালামাল ফেরত না পেলে পথে বসতে হবে। এ বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হলে ধরনীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার সময় আমি নিজ বাড়িতে ছিলাম। কোনো কারণে হয়তো আবু বক্কর সিদ্দিক আমার উপর ক্ষেপে আছেন। এ কারণে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে পুলিশ ৩ জনকে হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করান। এরমধ্যে সাহিদা বেগমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। এছাড়া অপর দুইজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক অবরুদ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করার কথা স্বীকার করে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত আবু বক্কর সিদ্দিক ওই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মমিনুল ইসলাম বাবু/এসএইচএ

Source 2: Jugantor · 01/06/26open original ↗

ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে উলিপুরে ভাঙচুর ও লুটপাট

ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে উলিপুরে ভাঙচুর ও লুটপাট নারীসহ ৩ জনকে কুপিয়ে জখম Advertisement উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ উলিপুরে ধরনীবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় চেয়ারম্যানের নির্দেশে নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম করে তার লোকজন। উপজেলার মধুপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, শনিবার দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের নেতৃত্বে প্রায় ৩০-৪০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের মধুপুর এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের বাড়িতে আসে। এরপর পরিবারের লোকজনকে কুপিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ২৫০ মন ধান, আসবাবপত্র, হাঁস-মুরগি, নগদ টাকা লুটপাট করা হয়। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ অবরুদ্ধ আবু বক্কর সিদ্দিক, স্ত্রী সাহিদা বেগম ও ছেলে ফুল মিয়াকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় আবু বক্কর সিদ্দিক রোববার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, কোনো ধরনের ঘটনা ছাড়াই ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এছাড়া আমার স্ত্রী সাহিদার পেটে ছুরি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। অভিযুক্ত এরশাদুল হক বলেন, ঘটনার সময় আমি নিজ বাড়িতে ছিলাম। কোনো কারণে হয়তো আবু বক্কর সিদ্দিক আমার ওপর খেপে আছেন। তাই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। ওসি সাঈদ ইবনে সিদ্দিক বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।