পাওনা টাকা নিয়ে সালিশ বৈঠকের আগেই সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single, specific incident on Friday 8 May 2026 in Chuadanga where a dispute over unpaid money led to a physical fight in which a 55-year-old man was beaten and died. The alleged attacker, Liaqat Ali, was detained by police. The cause of death is disputed in the sources, as the hospital reported he collapsed, but the chairman and family describe a fatal beating.

Reported by:Dhaka PostSingle source
08/05/26•মানিকডিহী গ্রাম, ডিঙ্গেদহ ইউনিয়ন, চুয়াডাঙ্গা সদর

Killed

1

Injured

0

Summary

চুয়াডাঙ্গা সদরের শংকরচন্দ্র এলাকায় পাওনা টাকা নিয়ে সালিশ বৈঠকের আগে সংঘর্ষে আলিম উদ্দিন (৫৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত লিয়াকত আলীকে পুলিশ আটক করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

লিয়াকত আলী (অভিযুক্ত, আটক)আলামিন (লিয়াকত আলীর ছেলে)আরাফাত (আরিফের ছেলে)আলিম উদ্দিন (নিহত, ৫৫)জিয়া (পাওনাদার)মো. মহিউল আলম (শংকরচন্দ্র ইউপি চেয়ারম্যান)ডা. নাসিম (চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক)মিজানুর রহমান (চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি)

Affected infrastructure

চেয়ারম্যানের বাসভবনের সামনের এলাকা

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 09/05/26open original ↗

পাওনা টাকা নিয়ে সালিশ বৈঠকের আগেই সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত

চুয়াডাঙ্গা সদরের শংকরচন্দ্র এলাকায় পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সালিশ বৈঠকের আগেই সংঘর্ষ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে কিল-ঘুষি ও মারধরে আহত হয়ে আলিম উদ্দিন (৫৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ অভিযুক্ত লিয়াকত আলীকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) রাতে সাড়ে ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ ইউনিয়নের মানিকডিহী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলিম উদ্দিন শংকরচন্দ্র গ্রামের মৃত ঝড়ু মণ্ডলের ছেলে। নিহতের ভাই কালু মণ্ডল অভিযোগ করে জানান, শংকরচন্দ্র গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে আরিফের নিকট একই গ্রামের গোলাম রসুলের ছেলে জিয়া ব্যবসা সংক্রান্ত কারণে ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন। দীর্ঘদিন ধরে টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময় তারিখ দিলেও টাকা পরিশোধ করা হচ্ছিল না। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গতকাল ওই পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে নতুন করে সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে অংশ নিতে জিয়া, তার চাচা আলিম উদ্দিনসহ কয়েকজন চেয়ারম্যানের বাসভবনের সামনে বসে ছিলেন। এমন সময় মোটরসাইকেলযোগে সেখানে আসেন লিয়াকত আলী, তার ছেলে আলামিন এবং আরিফের ছেলে আরাফাত। তারা হঠাৎ করেই আমার ভাই আলিম উদ্দিনের ওপর চড়াও হয়। এসময় তারা তলপেটে লাথি, কিল-ঘুষি মারতে থাকে। মারধরের একপর্যায়ে আমার ভাই অসুস্থ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এরপরও তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত লিয়াকত আলীকে নিজ হেফাজতে নেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. মহিউল আলম। পরে খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহিউল আলম বলেন, পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষ আমার বাসভবনে এসেছিল। সালিশ কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই হঠাৎ করে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে কিল-ঘুষি ও ইটের আঘাতে আলিম উদ্দিন মারা যায়। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসিম বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বজনরা আলিম উদ্দিনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। স্বজনরা আমাদের জানিয়েছেন, তিনি হঠাৎ চেয়ার থেকে মাটিতে পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে মারামারি বা হামলার বিষয়ে তারা তখন কিছু জানাননি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পাওনা টাকা নিয়ে মারামারির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিয়াকত আলীকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আফজালুল হক/এসএইচএ