ইউএনওকে কোপানোর হুমকি, ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদল নেতা
Why this classification
[ { "justification": "This incident is classified as political violence because members of the BNP, specifically involving Chhatradol leader Redowan Talukdar, targeted the UNO office in Baniyachong, Habiganj on August 13, 2026. The perpetrators hurled brickbats at the government office and threatened to hack the UNO, directing violence against law enforcement and state infrastructure. Although no casualties were reported, the aggressive actions and subsequent apology by the political figure confirm the politically motivated nature of the confrontation. The event is verified by 2 corroborating sources, while the exact number of participants remains unknown." } ]
Killed
0
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ১৩ আগস্ট হবিগঞ্জের বানিয়াচং ইউএনও কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ইউএনও-কে কোপানোর হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান তালুকদার ক্ষমা চেয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ইউএনও কার্যালয়ে হামলার ৩ দিনেও মামলা হয়নি
ইউএনও কার্যালয়ে হামলার ৩ দিনেও মামলা হয়নি হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:৪৪ | প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় তিন দিনেও কোনো মামলা হয়নি। এ ছাড়া ইউএনওকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেদোয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে অভিযুক্ত ওই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে জেলা ছাত্রদল একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন নিয়োগ বঞ্চিতরা। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা ইউএনওর কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বৃন্দাবন কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেদোয়ান তালুকদার ইউএনও মাহমুদা আক্তার সাথীকে উদ্দেশ্য করে ‘তুই শেষ, তাড়াতাড়ি ফলাফল স্থগিত দে’ বলে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দিচ্ছেন। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে ঘটনার তিন দিন পার হলেও উপজেলা প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি। উপজেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, এ বিষয়ে আজ রোববার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজীব আহমেদ রিঙ্গন বলেন, কোনো ব্যক্তির দায় সংগঠন নেবে না। সে দিন কোনো দলীয় কর্মসূচি ছিল না। যেহেতু দলীয় পদে থাকা একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বানিয়াচং থানার ওসি নাজমুল হক জানান, ঘটনাটিতে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তাই কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার সাথীর ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। গত ১২ আগস্ট রাতে বানিয়াচং উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। চূড়ান্ত তালিকায় নাম না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে ১৩ আগস্ট দুপুরে উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করেন বঞ্চিত প্রার্থীরা। - বিষয় : - মামলা
ইউএনওকে কোপানোর হুমকি, ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদল নেতা
ইউএনওকে কোপানোর হুমকি, ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদল নেতা Advertisement সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীর তালিকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকে রাখা নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) কোপানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকির একাধিক ভডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এসব ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ। তিনি জানান, হুমকির একাধিক ভিডিও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। তারা আইনি পদক্ষেপ নেবে। বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ভিডিও পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ঘটনার পর থেকে ফেসবুকে একাধিক স্ট্যাটাস ও ভিডিও পোস্ট দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেদোয়ান তালুকদার। এ বিষয়ে জানতে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি। এদিকে হুমকির ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মো. রেদোয়ান তালুকদার ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষমা চান। ফেসবুকে তিনি লেখেন, আইন সবার ঊর্ধ্বে, আইন সমাজকে রক্ষা করে, অপরাধ কমায় এবং সবার অধিকার নিশ্চিত করে। এ সময় তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেন। এতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রিয় দেশবাসী-গত ১৩ তারিখ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম সাথী আপুর সঙ্গে ঘটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’ এর আগে তিনি একই বক্তব্য একাধিকবার নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন। সম্প্রতি ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রশাসন। এ তালিকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের একাধিক নেতার নাম আসে। এতে ক্ষুব্ধ হন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ। ১৩ আগস্ট ইউএনও কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে।
