সিল্টাকুণ্ডে পানির পাইপলাইনতে বিষ গাঁট

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

It was not classified as political violence because the article does not mention any political party or faction; the perpetrators are described only as unknown criminals targeting a security camp.

Reported by:Dhaka PostSingle source
26/07/26•Salimpur (Jungle), Seetakunda

Killed

0

Injured

3

Summary

২৬ জুলাই চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ সদস্যরা পানির পাইপলাইন থেকে অস্বাভাবিক সাদা পানি ও তীব্র গন্ধ লক্ষ্য করে, পরে জানা যায় দুষ্কৃতরা কীটনাশক ঢেলে দিয়েছে। কোনো মৃত্যু না ঘটলেও তিনজন সদস্য অল্প অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Law Enforcement

Other actors

মো. নাজিমুল হকএসপি মাসুদ আলম

Affected infrastructure

water pipeline (dip tube well)pump

Tags

Extremist Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 27/07/26open original ↗

জঙ্গল সলিমপুরে পানি সরবরাহের পাইপলাইনে বিষ প্রয়োগ, পুলিশের অভিযান

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের রাষ্ট্রের ভেতরে ‘আলাদা রাষ্ট্র’ খ্যাত জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর খাবার পানির পাইপলাইনে সুপরিকল্পিতভাবে কীটনাশক বা বিষ প্রয়োগের ঘটনায় অভিযানে নেমেছে পুলিশ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল থেকে শুরু হয় এই অভিযান। ঘটনার সূত্রপাত ঘটে রোববার সকালে। পুলিশ সদস্যরা ঘুম থেকে উঠে হাত-মুখ ধুতে ও ব্রাশ করতে গিয়ে দেখতে পান, পাইপলাইন থেকে ফেনার মতো অস্বাভাবিক সাদা পানি বের হচ্ছে এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মুখে দেওয়ার পর বমি ভাব ও পেটের পীড়াসহ ফুড পয়জনিংয়ের লক্ষণ দেখা দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে জরুরি চিকিৎসায় তারা সুস্থ হয়ে ওঠেন। এই চাঞ্চল্যকর খবর পেয়ে রাতেই, অর্থাৎ সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, যে ঘরটির ভেতর ডিপ মোটর বসানো রয়েছে, সেখানে সরাসরি প্রবেশ করতে না পেরে দুর্বৃত্তরা পাইপলাইন ও সংযোগস্থলের গোড়া থেকে কেটে সেখানে সরাসরি রাসায়নিক কীটনাশক ঢেলে দেয়। ক্যাম্পের পাশাপাশি স্থানীয় স্কুলের কোমলমতি শিশুরাও এই পাইপলাইনের পানি পান করত। ফলে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারত বলে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম মুঠোফোনে ঢাকা পোস্টকে বলেন, 'আলীনগরের যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে র্যাব, বিজিবি ও পুলিশ মিলিয়ে প্রায় তিনশ সদস্য রয়েছেন। পাশের ডিপটিউবওয়েল থেকে তাদের পানি সরবরাহ করা হয়। দুর্বৃত্তরা ডিপটিউবওয়েলের সংযোগস্থলে বিষ বা বিষজাতীয় কিছু পুশ করে। অপারেটর সকালে পানি ও টাংকি চেক করতে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে সবাইকে সতর্ক করেন। এর মধ্যেই হাত-মুখ ধোয়ার পর দুই-তিনজন সদস্য সামান্য অসুস্থ বোধ করলেও পরে সুস্থ হয়ে যান।' তিনি আরও বলেন, 'রাস্তা কেটে দেওয়া বা ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো এসব ঘটনা পুরোপুরি অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম (সাবভার্সিভ অ্যাক্টিভিটিজ)। দেশের ও সরকারের বাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টে নিয়মিত মামলা রুজু করা হচ্ছে। আজ বিকেল পাঁচটা থেকে যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে আলীনগরকেন্দ্রিক চিহ্নিত অপরাধীরাই এ ঘটনার সাথে জড়িত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক বলেন, 'আমাদের নিজস্ব ডিপ টিউবওয়েল ও পাম্পের পাইপলাইনটি নষ্ট করতে এবং মানুষ খুন করার কুমানসিকতা থেকে এই কীটনাশক দেওয়া হয়েছে। স্কুলপড়ুয়া শিশুরাও এই পানি পান করত। অপরাধীদের এই অমানবিক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।' পুলিশের মতে, যৌথবাহিনীর জোরালো অবস্থান ও গোয়েন্দা তৎপরতায় কোণঠাসা হয়ে পড়া সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি প্রকাশ্যে পেরে না উঠে এখন এই গোপন ও জঘন্য হত্যাচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এর আগেও তারা ক্যাম্প লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ, ক্যাম্প ভাঙচুর, রাস্তা কেটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং বিদ্যুৎ ও পানির লাইন কেটে দেওয়ার মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল। মূলত নিজেদের অবৈধ সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতেই এই অপচেষ্টা চালাচ্ছে চক্রটি। এমআর/বিআরইউ