পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনিকে হত্যার পর লাশ উদ্ধার
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Pabna. Parties reported: Miscreants. Reported casualties: 2 killed and 0 injured. Reported by 3 sources.
Killed
2
Injured
0
Summary
পাবনার ঈশ্বরদীতে রাতে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা এবং তার দাদিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে বাড়ি ও পাশের শর্ষেখেত থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
98% · severity 9
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
দাদি-নাতনি হত্যা: অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা, দুই সন্দেহভাজন আটক
পাবনার ঈশ্বরদীতে চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে নিহত দাদি সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেন। এ ছাড়া জোড়া খুনের ঘটনায় দুই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল মন্ডলের ছেলে রাব্বি মন্ডল এবং মফেজ্জল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম।গতকাল সকালে ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে বাড়ির উঠানে দাদি সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান স্বজনেরা। এরপর বাড়ি থেকে কিছু দূরে সরিষাক্ষেতে নাতনি জামিলা খাতুনের (১৬) লাশ খুঁজে পান তাঁরা। নিহত সুফিয়া বেগম ওই গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দিন খাঁর স্ত্রী। আর জামিলা উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ও হাফেজা ছিল। তার বাবার নাম জয়নাল উদ্দিন খাঁ। দাদি ও নাতনি একই বাড়িতে থাকত। ঈশ্বরদী থানার ওসি বলেন, দাদি-নাতনি হত্যা মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, যেহেতু ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর, সেহেতু মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটকের বিষয়ে ওসি বলেন, তাঁদের থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে ও জিজ্ঞাসাবাদে জোড়া হত্যার ঘটনার সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। শিগগির মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।আরও পড়ুন:দাদি-নাতনি হত্যার ক্লু হাতে পেয়েছে পুলিশ: অতিরিক্ত ডিআইজিঈশ্বরদীতে বাড়ির ফটকে দাদির রক্তাক্ত লাশ, অদূরে সরিষাখেতে নাতনির বিবস্ত্র মরদেহ
ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
রাজনীতি ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিনিজস্ব প্রতিবেদক১ মার্চ ২০২৬, ০১:০২অ+অ-পাবনার ঈশ্বরদীতে মর্মান্তিক দাদি ও নাতনির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর শোক, তীব্র ক্ষোভ ও কঠোর নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দেশে ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। ধর্ষকরা বারবার আইনের ফাঁকফোকর গলে বেরিয়ে আসছে, বিচার দীর্ঘসূত্রিতায় ঝুলে থাকছে-ফলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এ ধরনের নৃশংসতা প্রমাণ করে, অপরাধীদের মধ্যে আইনের প্রতি ন্যূনতম ভয়ও অবশিষ্ট নেই। নেতারা বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্রে নারীর সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে নারী ও শিশু আজ ঘরেও নিরাপদ নয়, মাঠেও নয়। দাদি-নাতনির মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড ও সম্ভাব্য ধর্ষণের ঘটনা জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই-এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তারা আরও বলেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, তদন্ত প্রক্রিয়ায় গাফিলতি রোধ এবং অপরাধীদের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রভাবমুক্ত বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে, যাতে সমাজ থেকে এই ঘৃণ্য ব্যাধি নির্মূল হয়। ওএফএ/এমএন
পাবনায় দাদি–নাতনির লাশ উদ্ধার, পুলিশের ধারণা নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা
লাশপ্রতীকী ছবি পাবনার ঈশ্বরদীতে দুটি আলাদা স্থান থেকে দাদি (৬৫) ও নাতনির (১৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে বাড়ি থেকে দাদির এবং পাশের শর্ষেখেত থেকে নাতনির লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, ধর্ষণের পর নাতনিকে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, নিহত বৃদ্ধার ছেলে ঢাকায় কাজ করেন। বাড়িতে দাদি ও নাতনি থাকতেন। গতকাল শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নার শব্দ শোনা গিয়েছিল। এ সময় কয়েকজন প্রতিবেশী ঘর থেকে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে যাওয়ায় তাঁরা নিজেদের ঘরে ফিরে যান। আজ সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির উঠানে দাদির লাশ দেখতে পান। নাতনিকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। একপর্যায়ে পাশের একটি শর্ষেখেতে কিশোরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন বলে স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে দুর্বৃত্তরা মধ্যরাতে কিশোরী নাতনিকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে দাদি বাধা দেন। এ সময় দাদিকে হত্যা করা হয়। এরপর কিশোরীকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। লাশ বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়ায় সম্ভাব্য যৌন নির্যাতনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পাবনাঈশ্বরদীরাজশাহী বিভাগহত্যা
