ওসি-এসআইকে কান ধরিয়ে রাখার ভিডিও ভাইরাল
Why this classification
The road crash that killed three people is excluded on its own, but the incident is included because residents blockaded the national highway, confined the police officers, and then threw bricks and stones at the rescuing police and army, who had to use baton charges. The article reports no deaths or injuries from the violence itself, so the casualty counts are zero.
Killed
0
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি (রোববার) রাজশাহীর পুঠিয়ার পোল্লাপুকুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষের পর ক্ষুব্ধ জনতা রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে এবং বেলপুকুর থানার ওসি ও এসআইকে একটি টিনের ঘরে অবরুদ্ধ করে কান ধরিয়ে রাখে। পরে উদ্ধারে যাওয়া পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দিকে ইটপাটকেল ছোড়া হয় এবং সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের সরিয়ে দেয়।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/01/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ওসি-এসআইকে কান ধরিয়ে রাখার ভিডিও ভাইরাল
পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা ওসি-এসআইকে কান ধরিয়ে রাখার ভিডিও ভাইরাল পুলিশ কর্মকর্তাকে কান ধরিয়ে দাঁড় করানোর এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ছবি-ভিডিও থেকে নেওয়া) রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৬:১৬ | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৬:২৫ রাজশাহীর পুঠিয়ার পোল্লাপুকুর এলাকায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহতের ঘটনায় বেলপুকুর থানার ওসি মো. আরজুন ও এসআই সুবাশ চন্দ্র বর্মনকে কান ধরিয়ে দীর্ঘ সময় দাঁড় করিয়ে রাখে স্থানীয় জনতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ছবি ভাইরাল হয়েছে। পরে সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, পুঠিয়ার বালাদিয়ার গ্রামের ওমর আলীর ছেলে শান্ত ইসলাম (২২), নগরীর কর্নহার থানার ঠাকুরপাড়ার বেলাল হোসেনের ছেলে সুমাইয়া আকতার বৃষ্টি (৩০) ও অজ্ঞাত ৪৫ বছরের এক ব্যক্তি। স্থানীয়রা জানান, রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুঠিয়ার পোল্লাপুকুর এলাকায় রাজশাহীগামী রাজকীয় পরিবহন বিপরীতমুখী একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শান্ত ইসলাম নিহত হন। রামেক হাসপাতালে মারা যান আরও দু’জন। এতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এ সময় সড়কের কয়েক কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বেলপুকুর থানার ওসি মো. আরজুন ও এসআই সুবাস চন্দ্র বর্মনকে একটি টিনের ঘরে অবরুদ্ধ করে কান ধরিয়ে রাখা হয়। খবর পেয়ে সেখানে পুলিশের আরেকটি দল গেলে তাদেরও অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা যান তাদের উদ্ধার করতে। এ সময় স্থানীয় জনতা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ করে তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করেন। এরপর রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কে যানজট মুক্ত হয়। নগর পুলিশের মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বেলপুকুর থানার ওসি মো. আরজুন ও এসআই সুবাস সেখানে যান। তারা লাশের সুরতহাল করতে চাইলে স্থানীয় জনতা তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় তারা অভিযোগ করেন, পুলিশ রাজকীয় পরিবহনের বাস চালককে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু তাদের অভিযোগটি ছিল ভুল। কারণ অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে বাসটি দ্রুত চলে যায়। তিন কিলোমিটার দূরের একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে বাস রেখে চালক পালিয়ে যায়। তখন দুর্ঘটনার খবর পুলিশ জানতই না। কিন্তু একটি গোষ্ঠি বিষয়টিকে ভুলভাবে উসকানি দিয়ে পুলিশের দুই সদস্যকে আটকে কান ধরিয়ে রাখে। তাদের উপর মব সৃষ্টি করে মানসিকভাবে শাস্তি দেয়। পরে তাদের উদ্ধার করতে নগরীর মতিহার জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার আল মামুন, এডিসি মহিবুল ইসলাম ও এসি সোহেল রানার নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পুলিশের আরেকটি দল সেখানে গেলে তাদেরও অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।’ এসি সোহেল রানা বলেন, ‘আমাদের লাঞ্ছিত করেনি। তবে আটকে রেখে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে।’ তিনি জানান, পরে সেখানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমাদের উদ্ধার করে। এ সময় সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এতে যানজট মুক্ত হয়। তিনি জানান, এ ঘটনায় মামলা হচ্ছে। যারা মব করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - ওসি - এসআই - সড়ক দুর্ঘটনা
