যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩, আহত ১০
Why this classification
This report describes one specific, recent incident on 9 April 2026 in which two Jubo Dal factions exchanged gunfire and bombs in Chandni Housing, Narayanganj. At least three people were shot, including a 13-year-old boy, and about 10 others were injured, so it clearly qualifies as violence.
Killed
0
Injured
13
Summary
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) সকালে চাঁদনী হাউজিং এলাকায় যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও বোমা নিক্ষেপের সংঘর্ষে শিশু ইমরানসহ অন্তত তিনজন গুলিবিদ্ধ এবং আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, তবে কোন পক্ষ গুলি চালিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 13
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩, আহত ১০
যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩, আহত ১০ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ ও ফতুল্লা প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০১ পিএম ছবি: সংগৃহীত নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে শিশুসহ অন্তত তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া পথচারীসহ উভয় গ্রুপের আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিসিক শিল্পাঞ্চলের পাশে চাঁদনী হাউজিং এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতরা হলেন- এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির ২নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন খোকার ছেলে রাকিব (২৩), বিএনপির কর্মী রফিক (৪০) ও স্থানীয় বাসিন্দা আসমাউল হোসেনের ছেলে মাদ্রাসাছাত্র ইমরান হোসেন (১৩)। ইমরান মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। তার বাবা আসমাউল হোসেন বলেন, ইমরানের বুকের নিচের মাঝখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রচন্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনায়েতনগর ইউনিয়ন যুবদলের স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সারজিল আহমেদ অভি গ্রুপ ও ফতুল্লা থানা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদ গ্রুপ একটি গার্মেন্টসের ঝুট দখল নিতে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপ গোলাগুলিতে জড়িয়ে পড়ে। একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি আর বোমা নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় মাসুদ গ্রুপের রাকিব ও পথচারী মাদ্রাসাছাত্র ইমরান হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়। গুলি ও বোমার শব্দে পুরো চাঁদনী হাউজিং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাদ্রাসাছাত্র ইমরান বেশ কিছু সময় রাস্তায় কাতরাতে থাকে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকেসহ রাকিবকে উদ্ধার করে প্রথমে খানপুর হাসপাতালে পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর এনায়েতনগর ইউনিয়নের হরিহরপাড়ার চাঁদনী হাউজিং এলাকার বেস্ট স্টাইল কম্পোজিট লিমিটেডের ঝুট নামাতেন জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনির অনুসারী এনায়েতনগর ইউনিয়ন যুবদল স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সারজিল আহমেদ অভি , মনির , সুমন। এ নিয়ে ফতুল্লা থানা যুবদলের আহ্বায় মাসুদুর রহমান ও তার অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ বিষয় জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনি মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, কারখানাটি থেকে বৃহস্পতিবার ঝুট নামার কথা ছিল। কারখানাটি থেকে যারা বৈধভাবে ঝুট নামাচ্ছিলেন, তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তবে ঘটনাটি কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নয়, পুরোটা ব্যবসায়িক। আর এতে আমি কোনোভাবে জড়িত নই, আমি ঘুম থেকে উঠে ঘটনাটি জেনেছি। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান। প্রাথমিক তদন্তের বরাতে তিনি বলেন, স্থানীয় যুবদলের দুটি পক্ষ এ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। একটি পক্ষ গত ১৮ মাস ধরে একটি কারখানার ঝুট নামাচ্ছিল। প্রতিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে এ নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে তথ্য আছে। তিনি আরও বলেন, কোন পক্ষ গুলি চালিয়েছে- তা এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। আহতদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। যারা সংঘর্ষে জড়িয়েছে তাদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
