বগুড়ায় হাত-পা গুঁড়িয়ে দেওয়া যুবলীগকর্মীর মৃত্যু
Why this classification
The article reports a single concrete incident on 28 March 2026 in which a Jubo Dal leader's group abducted a Jubo League worker, tied him up, and beat and hacked him with sharp weapons, breaking his limbs and cutting a tendon. The victim died on 2 April, and the case has been converted into a murder case.
Killed
1
Injured
0
Summary
গত ২৮ মার্চ বগুড়ার ফতেহ আলী বাজারে সমবায় সমিতির নির্বাচনের সময় জেলা যুবদলের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে যুবলীগকর্মী আলাল শেখকে তুলে নিয়ে বেঁধে পিটিয়ে ও কুপিয়ে তার হাত-পা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে ২ এপ্রিল ঢাকার বিএমইউ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বগুড়ায় হাত-পা গুঁড়িয়ে দেওয়া যুবলীগকর্মীর মৃত্যু
মারধরে নেতৃত্ব দেন যুবদল নেতা বগুড়ায় হাত-পা গুঁড়িয়ে দেওয়া যুবলীগকর্মীর মৃত্যু Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বগুড়া শহরের ফতেহ আলী বাজার থেকে দিনের বেলায় যুবদল নেতার নেতৃত্বে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হাত-পা গুঁড়িয়ে দেওয়া শহর যুবলীগকর্মী আলাল শেখ (৩৬) মারা গেছেন। পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে তিনি ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে মারা যান। গত ২৮ মার্চ সকালে ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির নির্বাচন চলাকালে সাধারণ সম্পাদক ওই প্রার্থীকে ধরে শহরের মালগ্রাম ডাবতলা এলাকায় বাগানের মধ্যে নিয়ে মব সৃষ্টির পর বেঁধে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হাত-পা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। হামলার পর পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করলেও মূল হোতা যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। শুক্রবার সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাজিব হোসেন জানান, আগের ৫৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলাটি হত্যা মামলায় পরিণত হবে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। পুলিশ, মামলা সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বগুড়া শহর যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সক্রিয় কর্মী আলাল শেখ শহরের চকসূত্রাপুর কসাইপাড়ার মেরু শেখের ছেলে। তিনি শহর যুবলীগের বহিষ্কৃত যুগ্ম সম্পাদক আলোচিত মতিন সরকারের শ্যালক। আলাল শেখ বগুড়া ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও গত ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে একই পদে প্রার্থী ছিলেন। তিনি ওই বাজারে মাংসের ব্যবসা করতেন। গত নির্বাচনে আলাল শেখের কাছে বিপুল ভোটে জেলা যুবদলের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পরাজিত হন। ওইদিন সকাল ৯টার দিকে ভোটগ্রহণ চলাকালে পূর্ববিরোধের জের ধরে যুবদল নেতা শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে তার লোকজন বাজার থেকে আলাল শেখকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। প্রথমে তাকে শহরের নবাববাড়ি সড়কে জেলা যুবদল কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে শহরের মালগ্রাম ডাবতলা এলাকায় বাগানের মধ্যে নিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। সেখানে মব সৃষ্টি করে তাকে মারধর ও কুপিয়ে দুই পা ও একটি হাত গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। এ ছাড়া রক্তাক্ত জখম করা হয় বিভিন্ন স্থানে। নির্যাতনে অচেতন হয়ে পড়লে হামলাকারীরা তাকে (আলাল) রিকশায় তুলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে বিকাল ৩টার দিকে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি ও কিডনি অকেজো হলে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান। এদিকে গত ২৮ মার্চ ঘটনার রাতে যুবলীগকর্মী আলাল শেখের বাবা মেরু শেখ সদর থানায় জেলা যুবদলের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ২৮ জনের নাম উল্লেখসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে অপহরণের পর হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। ডিবি পুলিশ এজাহারনামীয় চার আসামি রনি শেখ (৩০), তৌফিক খান তৌফিক (২৬), গোলাম রসুল নাহিদ (৩০) ও সুমন মিয়াকে (৩৮) গ্রেফতার করে। এরপর বেশ কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ মূল আসামি জেলা যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম ও অন্যদের গ্রেফতার করেনি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে জেলা যুবদল থেকে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রাজিব হোসেন জানান, হত্যাচেষ্টার আগের মামলাটি হত্যা মামলায় পরিণত হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
