গণেশ মূর্তিকে সোনা ভেবে কেটে ভাগ করল তিন কিশোর
Why this classification
Three teenagers in Gonipur village cut a Ganesh idol weighing about one kilogram with a hacksaw blade after mistaking it for gold, damaging a religious object found near a puja pavilion. No person was hurt and there was no clash, so it is classed as vandalism of property rather than an attack on people.
Killed
0
Injured
0
Summary
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের গণিপুর গ্রামে (২০ মে ২০২৬) তিন কিশোর মাটি থেকে পাওয়া একটি গণেশ মূর্তিকে স্বর্ণ ভেবে হ্যাকসো ব্লেড দিয়ে কেটে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
70% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গণেশ মূর্তিকে সোনা ভেবে কেটে ভাগ করল তিন কিশোর
গণেশ মূর্তিকে সোনা ভেবে কেটে ভাগ করল তিন কিশোর আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬ | ০৮:৪৯ | প্রিন্ট সংস্করণ জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ফল পাড়তে গিয়ে তিন কিশোরের সোনালি রঙের ধাতব পদার্থের গণেশ মূর্তি পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় এক কেজি ওজনের মূর্তিটিকে স্বর্ণ ভেবে ওই তিন কিশোর হ্যাকসো ব্লেড দিয়ে কেটে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। গত বুধবার উপজেলার সোনামুখি ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুরে গণিপুর গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে সাজু হোসেন তার বন্ধু মিনহাজ ও রব্বানীকে নিয়ে স্থানীয় একটি পূজামণ্ডপসংলগ্ন জঙ্গলে গাব ফল পাড়তে যায়। গাছ থেকে নামার সময় সাজুর পায়ে মাটির নিচে শক্ত ধাতবজাতীয় কিছু অনুভূত হয়। পরে তিন বন্ধু মাটি খুঁড়ে সোনালি রঙের একটি গণেশ মূর্তি উদ্ধার করে। মূর্তিটি স্বর্ণের হতে পারে–এমন ধারণা থেকে তারা ধনী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। মূর্তিটি পুকুরের পানিতে ধোয়ার পর সাজু বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তিন বন্ধু মিলে হ্যাকসো ব্লেড দিয়ে মূর্তিটির মাথা ও কানের অংশ কেটে ভাগাভাগি করে নেয়। শুক্রবার সকালে সাজুর পরিবারের সদস্যরা মিনহাজ ও রব্বানীর বাড়িতে গিয়ে কাটা অংশ ফেরত চাইলে পুরো ঘটনা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মিনহাজ ও রব্বানী মূর্তিটির মাথা ও একটি কান নিজেদের কাছে রাখে। অপর একটি কান ও মূল দেহাংশ সাজুর কাছে ছিল। পরে সাজুর বড় ভাই সজীব মূর্তিটির অবশিষ্ট অংশ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও বেড়েছে। সাজু হোসেন জানায়, মূর্তিটি দেখতে ভারী আর ধাতব মনে হওয়ায় তারা বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে সেটি স্বর্ণ মনে করে সেটির অংশ কেটে ভাগ করে। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জেনে যায়। ওসি শাহীন রেজা বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মূর্তিটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - মূর্তি
