পুত্রবধূকে বাঁচাতে গিয়ে ছেলের কোপে বৃদ্ধ হাসপাতালে
Why this classification
A drug-addicted son beat his wife, choked her, and attacked his father with a machete (dah) in Kalihala village, Kalmakanda, on Thursday night, and the father was injured in the finger. This is a specific, recent physical attack with a weapon, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কালিহালা গ্রামে মাদকাসক্ত ছেলে ইমামুল বৃহস্পতিবার (০৭ মে ২০২৬) গভীর রাতে স্ত্রীকে মারধর ও গলা চেপে ধরে, এবং বাধা দিতে গেলে বাবা আবুল হাসেমকে মারধর করে দা নিয়ে তেড়ে যায়। পরে দরজায় দা দিয়ে কোপ দেওয়ায় দরজা ভেঙে বাবার আঙুলে আঘাত লাগে, স্থানীয়রা উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পুত্রবধূকে বাঁচাতে গিয়ে ছেলের কোপে বৃদ্ধ হাসপাতালে
কলমাকান্দায় মাদক সেবনে বাধা পুত্রবধূকে বাঁচাতে গিয়ে ছেলের কোপে বৃদ্ধ হাসপাতালে Advertisement কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কলমাকান্দায় আবুল হাসেম নামের এক বৃদ্ধ বাবাকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে তার মাদকাসক্ত ছেলে ইমামুলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কালিহালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় আবুল হাসেমকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আবুল হাসেম জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার ছেলে মাদকাসক্ত হয়ে স্ত্রী, মা ও তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইমামুল তার স্ত্রীকে মারধর করে গলা চেপে ধরেন। এ সময় তিনি ছেলেকে থামাতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ইমামুল অন্য একটি ঘর থেকে দা এনে তার দিকে তেড়ে যান। প্রাণভয়ে তিনি নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে সে বাইরে থেকে দরজায় জোরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। আমি ভেতর থেকে দরজা চেপে ধরে রাখি। একপর্যায়ে দরজায় দা দিয়ে কোপ দিলে দরজা ভেঙে আমার হাতের আঙুলে লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইমামুলের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
