সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ সেই যুবকের মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

ঘটনাটি ২৯ মে ২০২৬-এ যশোরের অভয়নগরে ঘটে, যেখানে সাবেক স্ত্রী ও তার স্বজনরা রুবেল হোসেনের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়, তাই এটি একটি সহিংস ঘটনা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
29/05/26•Bahirghat, Abhaynagar

Killed

1

Injured

0

Summary

যশোরের অভয়নগরে সাবেক স্ত্রী ও তার স্বজনদের পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ায় দগ্ধ রুবেল হোসেন (৩৩) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঘটনাটি ঘটে ২৯ মে সকালে বাহিরঘাট গ্রামে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Parvin Akhtar and relatives

Victim side

Rubel Hossain

Other actors

Rubel HossainParvin AkhtarZiaur RahmanMd. Jahidul Islam (Police Inspector)

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Parvin Akhtar and relatives

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Rubel Hossain

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 06/06/26open original ↗

সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ সেই যুবকের মৃত্যু

সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ সেই যুবকের মৃত্যু ফাইল ছবি নওয়াপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬ | ২১:৩৯ যশোরের অভয়নগর উপজেলায় সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে ডেকে নিয়ে শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ যুবক রুবেল হোসেন (৩৩) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা রুবেল হোসেনের সঙ্গে বেশ কিছুদিন আগে স্ত্রী পারভীন আক্তারের বিয়েবিচ্ছেদ হয়। ঈদের আগে পারভীন মোবাইল ফোনে রুবেলকে তাদের দুই সন্তান রিফাত (১৫) ও আরাফাতকে (৩) তাঁর কাছে পাঠানোর অনুরোধ করেন। পরে রুবেল সন্তানদের মায়ের কাছে পাঠিয়ে দেন। ঈদের পরদিন ২৯ মে সকালে সন্তানদের দেখতে সাবেক স্ত্রী পারভীনের বাবার বাড়ি উপজেলার বাহিরঘাট গ্রামে যান রুবেল। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে পারভীন ও তাঁর স্বজনরা রুবেলের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। প্রাণ বাঁচাতে দগ্ধ অবস্থায় রুবেল পাশের একটি মাছের ঘেরে ঝাঁপ দেন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। টানা কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মারা যান। নিহত রুবেলের ভাই জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ এ ঘটনায় জিয়াউর রহমান অভয়নগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভয়নগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ - বিষয় : - অগ্নিদগ্ধ

Source 2: Jugantor · 26/05/26open original ↗

ইয়াবার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হত্যা

বেনাপোলে আসামি গ্রেফতার ইয়াবার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হত্যা Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বেনাপোলে নিরাপত্তাকর্মী ইউনুস আলী হত্যা মামলায় আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই। একই সঙ্গে হত্যায় ব্যবহৃত গামছাও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার সোহেল রানা বেনাপোলের রহমতপুর গ্রামের বাসিন্দা। রোববার রাতে শার্শার গোগা বাগানপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বেনাপোলের রহমতপুর গ্রামের তরিকুল ইসলাম এবং একই গ্রামের সবুজ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। নিহত ইউনুস আলী ছোট আঁচড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বেনাপোল স্থলবন্দরের একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন। আটকের পর সোহেল রানা জানায়, ঘটনার রাতে আনোয়ার ও ইউনুস তার ঘরে গিয়ে তাকে ১০টি ইয়াবা কিনে আনতে বলে। পরে এর মধ্যে একটি ইয়াবা সোহেল রানা সেবন করে এবং বাকি নয়টি তারা দুজন সেবন করে। আনোয়ার ইয়াবার সঙ্গে কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দেওয়ায় কিছু সময় পর ইউনুস অচেতন হয়ে পড়ে। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, নিহতের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে আনোয়ার হোসেনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ে, বিচ্ছেদ এবং পুনরায় সংসার এসব ঘটনার জেরে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং সেখান থেকেই হত্যার পরিকল্পনা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইউসুফ আলী মামলা করেন। তবে আনোয়ার হোসেন এখনো পলাতক রয়েছেন।