বগুড়ায় চুল ছোট করতে বলায় শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ
Why this classification
The article reports a specific incident on 2 April 2026 in which a student's father and brother came to a Bogura school, verbally abused the assistant teacher, and physically assaulted him after he sent the student home over his hair and uniform. This is a concrete physical attack, not a statement or commentary, and it occurred within the recency window.
Killed
0
Injured
1
Summary
বগুড়ার সদর উপজেলার শিকারপুর-কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ এপ্রিল ২০২৬ সকালে চুল ছোট করে স্কুল পোশাকে আসতে বলায় দশম শ্রেণির ছাত্র তাকদীর হোসেন তোহার বাবা ও ভাই স্কুলে এসে সহকারী শিক্ষক জহুরুল বাশার আপেলকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। ঘটনার পর ম্যানেজিং কমিটি ছাত্রটিকে টিসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বগুড়ায় চুল ছোট করতে বলায় শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ
বগুড়ায় চুল ছোট করতে বলায় শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম সংগৃহীত ছবি। বগুড়ায় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রকে চুল ছোট করতে বলায় এক শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার শিকারপুর-কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। স্কুল পরিচালনা কমিটি অভিযুক্ত ছাত্র তাকদীর হোসেন তোহাকে প্রতিষ্ঠান থেকে টিসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্যালয় সূত্র জানায়, দশম শ্রেণির ছাত্র তাকদীর হোসেন তোহা বৃহস্পতিবার সকালে প্রত্যাহিক সমাবেশের সময় মাথায় বড় চুল ও স্কুল পোশাকের পরিবর্তে থ্রি-কোয়াটার প্যান্ট পড়ে উপস্থিত হয়। সহকারী শিক্ষক জহুরুল বাশার আপেল তাকে চুল ছোট ও স্কুল পোশাক পরে আসতে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্র তোহা বাড়িতে গিয়ে বাবা এজাজুর রহমান ও বড় ভাই সামিউলকে অভিযোগ করে। পরে তারা স্কুলে এসে শিক্ষক জহুরুল বাশার আপেলকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনা জানাজানি হলে স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাঝে প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা অভিযুক্তদের আটকে রাখেন। খবর পেয়ে এরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও শিকারপুর-কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। লাঞ্ছিত সহকারী শিক্ষক জহুরুল বাশার আপেল দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে এমন তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হইনি। দশম শ্রেণির ছাত্র তাকদীর হোসেন তোহা মাথায় লম্বা চুল ও স্কুল পোশাকের পরিবর্তে থ্রি-কোয়াটার প্যান্ট পড়ে স্কুলে আসে। তাকে চুল কেটে ও পোশাক পরিবর্তন করে স্কুল আসতে নির্দেশ দেওয়ায় সে তার ভাই ও বাবাকে নিয়ে এসে অত্যন্ত খারাপ আচরণ ও গায়ে হাতে তুলেছেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু জানান, এ ঘটনায় ম্যানেজিং কমিটির জরুরি সভা ডাকা হয়। সভায় ওই ছাত্রকে টিসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্কুলের শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ঘটনায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও এরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আতিক বলেন, ঘটনাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। লাঞ্ছিত শিক্ষক উদারতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বিষয়টি ক্ষমা করেছেন এবং ব্যক্তিগত অভিযোগ করেননি। এরপরও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও মর্যাদা রক্ষায় ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে সে ব্যাপারে সকলে সতর্ক থাকবেন।
