হামলা পালটাহামলা বাড়ি ভাঙচুর, আগুন
Why this classification
This is a specific, recent incident in which supporters of two rival village leaders attacked each other on Monday, May 4, 2026. A man was cut with a blade, and 20 to 25 houses were vandalised and set on fire, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
3
Summary
ফরিদপুরের সালথার গট্টি ইউনিয়নের মিরের গট্টি গ্রামে সোমবার (৪ মে ২০২৬) নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের প্রতিশোধমূলক হামলায় জাহিদ সমর্থকদের অন্তত ২০-২৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এর আগে একই দিন সকালে নুরু মাতুব্বরের ছেলে রাজিব মাতুব্বর কুপিয়ে আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হামলা পালটাহামলা বাড়ি ভাঙচুর, আগুন
সালথায় দুই মোড়লের দ্বন্দ্বের জের হামলা পালটাহামলা বাড়ি ভাঙচুর, আগুন Advertisement সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সালথায় এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রাম্য মোড়লের দ্বন্দ্বের জেরে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। হামলা পালটাহামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হচ্ছে বসতবাড়ি। এতে অসংখ্য মানুষ আহত হচ্ছেন। এর মধ্যে অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। সম্প্রতি গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গট্টি বাজার, আড়য়াকান্দী ও মিরের গট্টি এলাকায় একের পর এক এই সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় একাধিক মামলা ও দুই মোড়ল একাধিকবার জেল খাটলেও এলাকায় শান্তি ফিরে আসছে না। সবশেষ সোমবার মিরের গট্টি গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০-২৫টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। জানা গেছে, আড়ুয়াকন্দী গ্রামের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বরের সঙ্গে বালিয়া গট্টি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের বিরোধ চলে আসছে। এলাকায় তারা মোড়ল হিসাবে পরিচিত। একসময় নুরু আর জাহিদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারা বিএনপিতে যোগ দিয়ে এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে দুই মোড়ল মরিয়া হয়ে ওঠে। যে কারণে আওয়ামী লীগের পতনের পর দুই মোড়লের সমর্থকদের মধ্যে অন্তত ১০টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিরোধের জেরে গত রোববার দুপুরে নুরু মাতুব্বরের সমর্থক আনোয়ার শেখকে পিটিয়ে আহত করে জাহিদের সমর্থকরা। পরে জাহিদের সমর্থক রেজাউলকে মারধর করে নুরু মাতুব্বরের সমর্থকরা। সোমবার সকালে মিরের গট্টি এলাকায় নুরু মাতুব্বরের ছেলে রাজিব মাতুব্বরকে কুপিয়ে আহত করে জাহিদের সমর্থকরা। পরে নুরু মাতুব্বর সমর্থকরা জাহিদের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ২০ থেকে ২৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। নুরু মাতুব্বর বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জাহিদ ও আজাদ মাতুব্বরের সমর্থকরা আমাদের ১০-১২ জনকে পিটিকে কুপিয়ে পঙ্গু করে ফেলেছে। থানায় অভিযোগ দিলে অভিযোগ নেয় না। পুলিশ তাদের পক্ষে কাজ করে। পুলিশ শক্ত ভূমিকা নিলে এমন পরিস্থিতি ঘটত না। জাহিদ মাতুব্বর বলেন, আমার কোনো সমর্থক নেই। আমি এখন নিজেও অসুস্থ। তারপরও আমি আজ থেকে কোনো রাজনীতি, মাতুব্বরি কোনো ঝুট-ঝামেলার মধ্যে নেই।
