আলমডাঙ্গায় ৪ ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ফেরা নিয়ে উত্তেজনা, এক ইউপিতে সংঘর্ষ
Why this classification
This is a single, concrete incident on Thursday 30 April 2026 in which BNP activists and the chairman's supporters physically fought at the Khadimpur Union Parishad office, injuring at least three people. Police intervened to separate the sides, so the event qualifies as a physical political clash.
Killed
0
Injured
3
Summary
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে (৩০ এপ্রিল, ২০২৬) বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার দায়িত্ব পালনে গেলে উভয় পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হন এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
আলমডাঙ্গায় ৪ ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ফেরা নিয়ে উত্তেজনা, এক ইউপিতে সংঘর্ষ
সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায়ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-দলীয় চারজন ইউপি চেয়ারম্যান প্রায় ১৯ মাস পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্বপদে ফিরে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। তবে দায়িত্বে ফেরা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বাধায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। একটি ইউনিয়ন পরিষদে এ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খাদিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে গিয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন। সেখানে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। এদিকে ‘ঝামেলার আশঙ্কায়’ খাসকররা ইউপি চেয়ারম্যান তাফসির আহমেদ মল্লিক, চিৎলা ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান সরোয়ার ও ডাউকী ইউপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম ইউপি কার্যালয়ে যাননি। স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২১ মে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ওই চার ইউপি চেয়ারম্যান জয়ী হন। তবে একই বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে নির্বাচিত এই জনপ্রতিনিধিরা আত্মগোপনে চলে যান। এমতাবস্থায় জেলা প্রশাসক ২৭ নভেম্বর এক আদেশে উপজেলা পর্যায়ের চারজন কর্মকর্তাকে পূর্ণ আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করে প্রশাসক নিয়োগ করেন। এদিকে প্রশাসক নিয়োগের এই ঘটনায় ওই চার চেয়ারম্যান উচ্চ আদালতে রিট করেন। শুনানি শেষে আদালত চলতি বছরের ১২ মার্চ ওই আদেশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন এবং ওই চার চেয়ারম্যানকে স্বপদে বহাল রেখে দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রদানের অনুরোধ জানান। স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউপি শাখা-১-এর উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষরিত গত ১৩ এপ্রিল এক চিঠিতে ওই চারজন ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বহালের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার ২২ এপ্রিল আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একই ধরনের নির্দেশনা দেন। আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের স্বপদে বহালের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেন। গত ২৯ এপ্রিল ওই চারজন চেয়ারম্যান উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় অংশ নেন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন থেকে নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের স্বপদে বহালের খবর গতকাল বুধবার ছড়িয়ে পড়ে। খাসকররা ইউপি চেয়ারম্যান তাফসির আহমেদ মল্লিক বুধবার নিজ কার্যালয়ে ঢুকতে গেলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন। তাফসির বলেন, ‘বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা ও ধারালো দা থাকায় ওমুখো হইনি। তবে আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও ইউএনওকে অবহিত করেছি।’ পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে খাদিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার নিজ কার্যালয়ে যান। খবর পেয়ে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব রাজু আহমেদের নেতৃত্বে দলের নেতা-কর্মীরা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে চেয়ারম্যানকে চলে যেতে চাপ সৃষ্টি করেন। খবর পেয়ে চেয়ারম্যানের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা জামসেদুর রহমান জোয়ার্দ্দার ও মা অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক হোসনে আরা বেগমসহ তাঁদের অনুসারী লোকজন ছুটে আসেন এবং উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ছাত্রদল নেতা মাসুদ রানা ও সাইফ এবং খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল কাদের আহত হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। এদিকে ছাত্রদলের দুই নেতা আহত হওয়ার ঘটনায় দুপুরে আলমডাঙ্গা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মোমিন মালিতা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসরদের চেয়ারে বসার বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ চলছে। যে কারণে আমাদের নেতা-কর্মীরা তাঁকে চেয়ার থেকে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। অথচ তাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়।’ ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আজকের এই পরিকল্পিত হামলার নিন্দা জানাই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা আছে। তারাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। চেয়ারম্যানদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে দায়িত্ব পালনে অনুরোধ করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খাদিমপুরের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশকে পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন আলমডাঙ্গাবিএনপিখুলনাসংঘর্ষখুলনা বিভাগচুয়াডাঙ্গাআওয়ামী লীগ
