গুলশানে ভারতীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 70%

Why this classification

A 67-year-old woman was found dead in her Gulshan home and taken to hospital, with bruising and blood clots around her face and eyes that suggest a possible assault. Police have not yet confirmed the cause of death, but the discovery of a body with injuries that may be linked to a crime makes this a violence incident.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
28/04/26•Gulshan

Killed

1

Injured

0

Summary

রাজধানীর গুলশানে বসবাসকারী ৬৭ বছর বয়সী ভারতীয় নারী শামীম সালিম কাসিম মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনীত হন, তাঁর শরীরে বিশেষ করে মুখ ও চোখের আশেপাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি এবং ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

70% · severity 7

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

Shamim Salim Kasim (67), Indian woman, Gulshan residentEmergency department doctor, United Hospital (Continental Hospital), GulshanMo. Moklesur Rahman, Inspector (Investigation), Gulshan Police Station

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 28/04/26open original ↗

গুলশানে ভারতীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যু

রাজধানীর গুলশানে বসবাসকারী শামীম সালিম কাসিম (৬৭) নামে এক ভারতীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে বলে হাসাপাতাল সূত্রে জানা গেছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে তাকে গুলশানে অবস্থিত ইউনাইটেড হাসপাতালে (কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল) আনা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের মেডিকেল সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে “আনঅ্যাটেনডেড ডেথ (ফাউন্ড ডেড)” উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থাৎ তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এছাড়া মরদেহের মুখে আঘাতের চিহ্নের কথা উল্লেখ রয়েছে। বিশেষ করে মুখে কালচে-বেগুনি দাগ ও ফোলাভাব লক্ষ্য করা গেছে। চোখের চারপাশেও রক্তজমাটের মতো চিহ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে ডিএমপির গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোকলেসুর রহমান বলেন, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আমরা খবর পাই যে ভারতীয় ওই নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। এমএসি/এসএম

Source 2: Jugantor · 01/05/26open original ↗

গির্জায় ফাদারকে বেঁধে লুটপাট, টাকা-জিনিসপত্র নিয়ে পালাল দুর্বৃত্তরা

গির্জায় ফাদারকে বেঁধে লুটপাট, টাকা-জিনিসপত্র নিয়ে পালাল দুর্বৃত্তরা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম ছবি: সংগৃহীত রাজধানীর বারিধারায় একটি গির্জায় ঢুকে মঙ্গলবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা গির্জার পরিচালককে হাত-পা ও মুখ বেঁধে প্রায় আড়াই লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ‘ডি মাজেন্ড গির্জার’ সীমানা প্রাচীর টপকে এবং জানালার গ্রিল কেটে তারা এ ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ঢাকা ও লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরাঞ্চলের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত চালানো এ অভিযানে তাদের কাছ থেকে ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা, একটি পাসপোর্ট, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র এবং গ্রিল কাটার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— আবুল হোসেন রতন ওরফে হাবু (৩৬), মোহাম্মদ নিজাম ওরফে মিজান (৩৭) এবং আক্তার হোসেন মনা ওরফে মনির (৩৮)। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা মাদক ও অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। এসব আসক্তির খরচ মেটাতেই তারা এ ডাকাতির পরিকল্পনা করে। শুক্রবার ভাটারা থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ। তিনি বলেন, ঘটনাটি গত ২৮ এপ্রিলের (মঙ্গলবার)। সেদিন দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় দুজন দুষ্কৃতকারী ডি মাজেন্ড গির্জার দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে প্রথমে গির্জার কর্মচারীদের কক্ষের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেয়। পরে তারা গির্জার পরিচালক ফাদার সুবাস পুলক গোমেজের অফিস রুমের গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে ফাদারের হাত-পা ও মুখ বেঁধে অফিস রুমের আলমারি খুলে আড়াই লাখ টাকা, একটি পাসপোর্ট ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্রসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লুট করে। পরে আরেকজন দুষ্কৃতকারীর সহযোগিতায় দেয়াল টপকে ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে তারা পালিয়ে যান।