ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as gender-based violence in Patuakhali. Parties reported: Jamaat. Reported by 1 source.

Reported by:Prothom AloDhaka PostCorroborated · 2 sources
22/07/26•Patuakhali Sadar

Killed

0

Injured

0

Summary

পটুয়াখালীতে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে সদর উপজেলা যুব জামায়াত সভাপতি শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালতের আদেশে পটুয়াখালী সদর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

74% · severity 4

Parties involved

Jamaat

Tags

RapeSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 04/07/26open original ↗

পটুয়াখালীতে ঘুমন্ত বৃদ্ধাকে শিল-পাটার আঘাতে হত্যা, ছেলে আটক

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে শিল-পাটার আঘাতে মাথা থেঁতলে উত্তম দেবনাথ (৬০) নামে একজনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে তাপস দেবনাথের (৩৫) বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোররাত ৪টার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলি সুবিদখালী ইউনিয়নের পূর্ব সুবিদখালী লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ছেলে তাপসকে আটক করেছে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ। নিহত উত্তম দেবনাথ পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতের খাবার খেয়ে উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোররাত ৪টার দিকে তাপস ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে তার বাবার কপালের ডান পাশের ভ্রুর ওপর সজোরে আঘাত করেন। এ সময় উত্তম দেবনাথ চিৎকার করলে পাশের কক্ষে শুয়ে থাকা তার স্ত্রী কানন দেবনাথ ছুটে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তার ডাক-চিৎকার শুনে আশপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোশারেফ হোসেন বিষয়টি পুলিশকে জানালে ভোর ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। একই সময় ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্ত তাপস দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ কারণেই হয়তো এমন ঘটনা ঘটাতে পারেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, উত্তম দেবনাথের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/এএমকে

Source 2: Prothom Alo · 29/07/26open original ↗

ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

শহিদুল ইসলামছবি : সংগৃহীত পটুয়াখালীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে সদর উপজেলার যুব জামায়াতের সভাপতি শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশের পর আজ বুধবার পটুয়াখালী সদর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত (রেকর্ড) করেছে পুলিশ। শহিদুল ইসলামের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে। তাঁর বাবার নাম আবুল কালাম। থানা–পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২২ জুলাই এক নারী (২৮) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। এতে একমাত্র আসামি হিসেবে শহিদুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই দিন শুনানি শেষে বিচারক অভিযোগটি গ্রহণ করে সদর থানায় মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। মামলা নথিভুক্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান। ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আজ বুধবার বিকেলে আদালতের মামলা গ্রহণের আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পর মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত করে আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ মামলার আরজিতে বাদী অভিযোগ করেন, সাত বছর আগে তাঁর স্বামী মারা যান। একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। আসামি তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে শহিদুল ইসলাম তাঁকে (বাদী) অনৈতিক প্রস্তাব দেন। বাদী তা প্রত্যাখ্যান করলে আসামি তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়ের অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করার কথা বলে তাঁকে জেলা শহরে বসবাসকারী আসামির বোনের বাসায় নেওয়া হয়, সেখানে কিছুদিন থাকতে বাধ্য করা হয়। গত ২৪ মার্চ তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে প্রায় ছয় সপ্তাহের গর্ভের ভ্রূণ ওষুধ প্রয়োগ করে নষ্ট করা হয়। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে আসামি তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি সদর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাঁকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এ বিষয়ে জানতে শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসান বলেন, ‘যেহেতু শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। তাই এ বিষয়ে আমাদের মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। আদালত বিষয়টি বিচার করবেন। আদালতে দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর (শহিদুল ইসলাম) বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পটুয়াখালীবরিশাল বিভাগনারী নির্যাতনমামলাধর্ষণ