শাহবাগে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় মারধর, পুলিশ হেফাজতে ২
Why this classification
On the night of Saturday 7 March 2026, two rival student groups fought at Shahbagh police station over playing the 7 March speech, and two members of one group were beaten inside the station. This is a physical clash between political groups, so it counts as violence within the recent window.
Killed
0
Injured
2
Summary
শনিবার (৭ মার্চ ২০২৬) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির অনুসারী ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। থানার ভেতরে ইমির দলের দুই সদস্যকে ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা মারধর করে, পরে তাদের পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Chhatra Shakti
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শাহবাগে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় মারধর, পুলিশ হেফাজতে ২
শাহবাগে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় মারধর, পুলিশ হেফাজতে ২ ৩২ নম্বর ও চানখাঁরপুল মোড়ে গ্রেফতার ৬ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের হাতাহাতি ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় শাহবাগ থানার সামনে একটা রিকশায় আনা মাইকে এই ভাষণ চালানো হয়। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের ইমি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের অস্তিত্বের প্রতীক। তিনি তো আর এমন না যে, তাকে ব্যবহার করলাম, তারপর প্রয়োজন ফুরিয়ে গেল, ৩২ নম্বর ভাঙলাম, তার ম্যুরাল ভাঙলাম, এমন তো না। তিনি আমাদের জাতির জনক। জানা গেছে, রাতেই ইমির গ্রুপের ২ সদস্যকে ছাত্রলীগ আখ্যা দিয়ে মারপিট করে পুলিশ হেফাজতে দিয়েছে ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র বলছে, পুলিশের কাছে সোপর্দের সময় রাত সাড়ে ১০টায় শাহবাগ থানার ভেতরেই ইমির দলের সদস্যদের ওপর হামলা করেন ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা। এরপর তাদের পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়। মারপিটের ঘটনার ভিডিও রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ সময় রমনা বিভাগের ডিসি মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘যাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে, তার বিরুদ্ধে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ থানার ভেতরে মারপিটের বিষয়ে জানতে শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল নিয়ে রাজধানী ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে যাওয়ার সময় তিন নারীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- রুনা বেগম, জনতা বেগম, আকছারী খানম উর্মি ও সোহেল মিজি। শনিবার সকালে ডিএমপির কলাবাগান থানাধীন স্কয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে একইদিন রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সাউন্ড বক্সে বাজানোয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীসহ দুজনকে আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। এছাড়া ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেলে তিন নারীসহ চার জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অপরদিকে রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সাউন্ড বক্সে বাজানোয় ঢাবি শিক্ষার্থীসহ দুজনকে আটকের পাশাপাশি শাহবাগ থানা পুলিশ সাউন্ড বক্সটিও জব্দ করেছে। আটক শিক্ষার্থীর নাম আসিফ আহমেদ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং শহীদুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র। তার সঙ্গীর পরিচয় জানা যায়নি। শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ওরা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজাচ্ছিল। এটা তো নিষিদ্ধ, এ জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত আটককৃতরা থানাতেই ছিলেন।
