লালপুরে শিক্ষিকার ডাস্টারের আঘাতে আহত ছাত্র
Why this classification
A teacher threw a duster at a six-year-old student, striking his jaw hard enough to cut his tongue and leave a deep wound, and the child was hospitalised. This is a physical attack causing serious injury, so it counts as violence, although the teacher claims she aimed at the bench and not the student.
Killed
0
Injured
1
Summary
নাটোরের লালপুরে ২০২৬ সালের ১২ মে (মঙ্গলবার) ওয়ালিয়া শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা হাফিজা খাতুনের ছোড়া ডাস্টারের আঘাতে প্রথম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (৬) চোয়ালে আঘাত পেয়ে জিহ্বা কেটে গুরুতর আহত হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
লালপুরে শিক্ষিকার ডাস্টারের আঘাতে আহত ছাত্র
লালপুরে শিক্ষিকার ডাস্টারের আঘাতে আহত ছাত্র রামেক হাসপাতালে ভর্তি Advertisement লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ লালপুরে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকার ছোড়া ডাস্টারের আঘাতে আহত হয়েছে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্র। মঙ্গলবার উপজেলার ওয়ালিয়া শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ছাত্র তাওহীদ (৬) উপজেলার ওয়ালিয়া গ্রামের সোহানুর রহমানের ছেলে। জানা যায়, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালে শিক্ষিকা হাফিজা খাতুন তাওহীদের দিকে একটি ডাস্টার ছুড়ে মারেন। ডাস্টারটি তাওহীদের চোয়ালে সজোরে আঘাত করলে তার জিহ্বা কেটে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়। আহত তাওহীদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাওহীদের বাবা সোহানুর রহমান এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন। অভিযুক্ত শিক্ষিকা হাফিজা বলেন, ধর্ম ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণের উদ্দেশ্যে তিনি বেঞ্চের ওপর ডাস্টার দিয়ে আঘাত করেছিলেন। তবে ওই ডাস্টারের আঘাত সরাসরি শিক্ষার্থীর মুখে লাগেনি বলে দাবি করেন তিনি। প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় তদন্ত করে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইউএনও জুলহাস হোসেন বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
