ছুটির দিনেও ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়, লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে হাতাহাতি
Why this classification
Motorcycle riders physically fought (হাতাহাতি) at a Paribagh, Dhaka fuel station around 12:15 PM on Friday, March 6, 2026, after a dispute over queue position. The report describes a concrete physical altercation at one place and time, though no injuries or weapons were reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার পরীবাগের মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার লাইনে আগে-পরে দাঁড়ানো নিয়ে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালকের মধ্যে তর্কবিতর্ক থেকে হাতাহাতি হয়। জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ছুটির দিনেও ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়, লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে হাতাহাতি
ছুটির দিনেও ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়, লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে হাতাহাতি Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম ছবি: সংগৃহীত। রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে শুক্রবার ছুটির দিনেও জ্বালানি তেল নিতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। কোথাও কোথাও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে তর্কবিতর্ক এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরীবাগের মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তেল নিতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ সারি। স্টেশনটির সামনে থেকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল হয়ে শাহবাগ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ পর্যন্ত যানবাহনের লাইন গিয়েছে। এ কারণে ছুটির দিনেও ওই সড়কে যানজট তৈরি হয়। লাইনে আগে-পরে দাঁড়ানো নিয়ে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালকের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। উবারচালক জহির জানান, তিনি শাহবাগ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রায় ৫০ মিনিট অপেক্ষার পর তেল নিতে পেরেছেন। তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে অন্তত দু-তিনটি ভাড়া পাওয়া যেত। প্রতিদিন তার ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল লাগে। তেল ছাড়া তার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তবে পরীবাগের ওই ফিলিং স্টেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক আহমেদ রুশদ বলেন, ‘তাদের কাছে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তেল দেওয়া হচ্ছে। মানুষের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।’ এদিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরের পাশে করিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনেও মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। স্টেশনটির কোষাধ্যক্ষ মো. সোহাগ বলেন, সাধারণত ছুটির দিনে এত ভিড় থাকে না। কিন্তু বর্তমানে ডিপো থেকে আগের তুলনায় কম তেল আসছে। আগে যারা ২০০-৪০০ টাকার তেল নিতেন, তারা এখন ট্যাংক ভরে তেল নিচ্ছেন। অন্যদিকে রাজারবাগ সার্ভিস স্টেশনে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, শুধু অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশের গাড়ি, সরকারি যানবাহন এবং একেবারে তেল শেষ হয়ে যাওয়া কিছু গাড়িকে তেল দেওয়া হচ্ছে। স্টেশনটির কোষাধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন বলেন, সাধারণত শুক্র ও শনিবার ডিপো থেকে তেল আসে না। রিজার্ভে থাকা কিছু তেল বিক্রি করা হচ্ছে। আগে যেখানে তিন গাড়ি তেল আনা হতো, এখন সেখানে একটি গাড়ি দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তেল দেওয়া যাচ্ছে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা চলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। ইরান পালটা হামলা চালানোর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই বাড়তি তেল কিনে রাখছেন।
