কমলনগরে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

ঘটনাটি একটি সচল মসজিদ ভেঙে ফেলার সাথে জড়িত, যা ধর্মীয় সম্পত্তির বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক কাজ। ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে এই কাজটি সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা একটি সহিংস ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
06/06/26•বাতিরখাল মাছঘাট জামে মসজিদ, চরমার্টিন ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

0

Summary

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ইউপি সদস্য আবদুল মজিদের নেতৃত্বে বাতিরখাল মাছঘাট জামে মসজিদটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় মুসল্লি ও ব্যবসায়ীরা এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

AI analysis

Category

Communal / Religious Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

আবদুল মজিদ (ইউপি সদস্য ও বিএনপির সহ-সভাপতি)

Affected infrastructure

মসজিদ

Tags

Mosque AttackReligious Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 07/06/26open original ↗

কমলনগরে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কমলনগরে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ Advertisement কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ এএম লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আবদুল মজিদ নামে এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে একটি সচল জামে মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের মেঘনা নদীর তীরবর্তী বাতিরখাল মাছঘাট জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। মসজিদ ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, জেলে, মাছ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত আবদুল মজিদ চর কালকিনি ইউনিয়ন পরিষদের ৭নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও একই ইউনিয়নের বিএনপির সহ-সভাপতি এবং বাতিরখাল ঘাট মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। শনিবার (৬ জুন) বিকালে মসজিদ ভাঙার বিষয়টি স্বীকার করে আবদুল মজিদ বলেন, মাছঘাট স্থানান্তর হওয়ায় মসজিদটিও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে মাছঘাট ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে মসজিদটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে চরমার্টিন ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডে মেঘনা নদীর তীরে স্থায়ীভাবে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। সরকারি বরাদ্দের অর্থে মসজিদের ভিটি পাকাকরণসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজও সম্পন্ন করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে বাতিরখাল মাছঘাটের শত শত জেলে, আড়তদার, মাছ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মুসল্লিরা সেখানে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন। কয়েক বছর ধরে জুমার নামাজও নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের জিএসআইডি নামক একটি প্রকল্পের আওতায় কমলনগর এলজিইডি অফিস মসজিদটির উন্নয়নের জন্য ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। ওই অর্থে ঠিকাদার হারুনুর রশিদ ডিলার মসজিদের ভিটি পাকাকরণসহ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করেন। এছাড়া সম্প্রতি মসজিদটির উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান আরও ৩ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ দেন। কিন্তু নতুন বরাদ্দের কাজ শুরুর আগেই মসজিদটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটিকে রাজনৈতিক বিভাজন ও প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান, শুধু টিনের চালা নয়, পুরো মসজিদটিই ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। মসজিদের ভিটিটি অক্ষত থাকলে মুসল্লিরা সেখানে নামাজ আদায় অব্যাহত রাখতে পারতেন এবং নিজেদের উদ্যোগে নতুন করে ছাউনি নির্মাণ করতে পারতেন। কিন্তু প্রভাব খাটিয়ে সম্পূর্ণ মসজিদটি ধ্বংস করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য আবদুল মজিদ বলেন, ঘাট স্থানান্তরের কারণে মসজিদের টিনের চালা খুলে নেওয়া হয়েছে। মসজিদের ইমামের বেতন ঘাট ব্যবসায়ীরা বহন করতেন এবং ঘাটের স্বার্থেই মসজিদটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।