সাইন্সল্যাবে ঢাকা-আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This incident was classified as political violence because it involved a physical clash and chase between organized student groups from two different colleges resulting in injuries and property damage, meeting the criteria for student factional conflict.

Reported by:SamakalProthom AloJugantorCorroborated · 3 sources
27/09/26•Science Lab

Killed

0

Injured

5

Summary

রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় বাসে ইটপাটকেল ছোঁড়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। এতে উভয় কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

Students

Victim side

Students

Other actors

জাহাঙ্গীর আলম (নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার)এ কে ইলিয়াস (ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ)মো. আইয়ুব (নিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ)

Affected infrastructure

buses

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 5

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Students

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Students

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 28/09/26open original ↗

সাইন্সল্যাবে ঢাকা-আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

সাইন্সল্যাবে ঢাকা-আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ সাইন্সল্যাব-সংলগ্ন গ্রিন রোডের মুখে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ছবি: সমকাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮:২৯ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮:৩০ বাসে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সাইন্সল্যাব-সংলগ্ন গ্রিন রোডের মুখে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ও দুই কলেজের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগে, সকাল থেকেই দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কায় সাইন্সল্যাব এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা কলেজের একটি বাস শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়ার সময় সেটিতে ঢিল ছোড়ার ঘটনা ঘটনা ঘটে। পরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা কলেজে ফিরে গিয়ে ঘটনা জানালে তারা লাঠিসোটা নিয়ে আইডিয়াল কলেজের দিকে যায়। পরে সেন্ট্রাল রোডে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম সমকালকে বলেন, ঢাকা কলেজের একটি বাসে ইট ছোঁড়াকে কেন্দ্র করে ঝামেলার শুরু। পরবর্তীতে পুলিশ সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে সরিয়ে দেয় এবং দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী হাবিব আহমেদ বলেন, ক্লাস শেষে ছুটির পর ঢাকা কলেজের বাস সাইন্সল্যাব দিয়ে যাওয়ার সময় আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা বাসে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে বাসের জানালার কিছু কাচ ভেঙে যায়। পরবর্তী ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরাও সেখানে গেলে ঝামেলা শুরু হয়। আইডিয়াল কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা হঠাৎ তাদের ওপর আক্রমণ করেন। কী কারণে আক্রমণ করা হয়েছে, তা তারা জানেন না। এতে তাদের কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন এবং কয়েকজনের মাথা ফেটে গেছে। এ বিষয়ে ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে ইলিয়াস বলেন, সংঘর্ষের আশঙ্কায় কলেজ প্রশাসন সকাল থেকে নিউমার্কেট ও ধানমন্ডি থানায় সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছিলো। আমাদের শিক্ষকদেরও পাঠানো হয়েছিলো যেন শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকে। নিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আইয়ুব বলেন, সাইন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের ছাত্রদের মধ্যে একটু উত্তেজনা ছিল। যাতে পরিস্থিতির অবনতি না হয়, সে জন্য পুলিশ সাইন্সল্যাবে অবস্থান করছে। কোনো অঘটন যাতে না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উভয় কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পুলিশের কথা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কলেজের ভেতরে অবস্থান করছেন। বাইরে থেকে কেউ যাতে কাউকে ঢিল বা অন্য কোনোভাবে আক্রমণ করতে না পারে, সেজন্য পুলিশ শক্ত অবস্থান নিয়েছে। ওসি আরও বলেন, সাইন্সল্যাবে প্রায় ৬০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। নিউমার্কেট, কলাবাগান ও ধানমন্ডি এই তিন থানা থেকে আলাদা আলাদা স্থানে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেন। পরে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। - বিষয় : - রাজধানী

Source 2: Jugantor · 28/09/26open original ↗

ঢাকা-আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের সংঘর্ষ

ঢাকা-আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের সংঘর্ষ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষকালে লাঠিসোঁটা হাতে চড়াও এক পক্ষ। রোববার রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় -রফিকুল ইসলাম রাজধানীর ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সায়েন্স ল্যাব মোড়সংলগ্ন গ্রিন রোডের দক্ষিণ প্রান্তে এ ঘটনা ঘটে। এ কারণে কিছু সময়ের জন্য সায়েন্স ল্যাব মোড় দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সায়েন্স ল্যাব দিয়ে ঢাকা কলেজের একটি বাস যাওয়ার সময় ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা সেটি লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছেন-এমন খবরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা আইডিয়াল কলেজের দিকে যান। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের হামলায় ঢাকা কলেজের তিনজন শিক্ষার্থী আহত হন। গ্রিন রোডের রিকশাচালক মো. আলী বলেন, দুপুরের দিকে গ্রিন রোডের মাথায় দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ডিএমপি নিউমার্কেট জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার শওকত আলী জানান, ঢাকা কলেজের কিছু ছেলে বের হয়ে এসেছিল আইডিয়াল কলেজের উদ্দেশে যাওয়ার জন্য। সেটা নিয়ে সামান্য উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। পরে আমাদের হস্তক্ষেপে ও শিক্ষকদের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। উল্লেখ্য, দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা নতুন নয়। গত বছর অন্তত ১৫ বার সংঘর্ষে জড়িয়েছিলেন তারা। সায়েন্স ল্যাব এলাকায় দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা আর মারামারি করবেন না-এই মর্মে গত বছরের ৯ নভেম্বর নিউমার্কেট থানা-পুলিশের মধ্যস্থতায় মৌখিক ‘শান্তি চুক্তি’ হয়েছিল। সেদিন শিক্ষার্থীরা ‘ভাই ভাই’ স্লোগানও দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ভাই ভাইরা রোববার আবার মারামারিতে জড়ালেন।

Source 3: Prothom Alo · 27/09/26open original ↗

জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ

জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ধরে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২৭ জনকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাতে ঢাকার সিএমএম আদালত প্রাঙ্গণেছবি: প্রথম আলো রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আটক করা ২৮৯ জনের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ২৭ জনের বিরুদ্ধে জাসদ কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগ এনেছে পুলিশ। আজ রোববার রাতে ২৭ জনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। তাঁদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন। একই সঙ্গে জামিন শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুদ খান প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের জামিন শুনানির জন্য আগামীকাল দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রিজন ভ্যানে ২৭ জনকে আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। তাঁরা হলেন মো. দিনারুল আলম (৫০), ইমান আহম্মেদ (৪৫), মোল্লা মোহাম্মদ শাহাজাহান সিরাজ (৩৭), জয় সরকার (৩১), মো. মিরাজ আহমেদ (১৯), মো. মিরাজ মল্লিক (৩৯), মো. রবিউল ইসলাম (৪২), মিলন কুমার (৩৯), মো. কাউসার হোসেন (৫০), শ্রী অন্তর শিল (৪০), জালাল উদ্দিন মণ্ডল (৫৫), আবদুল লতিফ (৪৬), শামীম আহমেদ (৩০), আহম্মেদ আহসান হাবিব (৪৩), মো. সুজন আলী (৩২), মো. তরিকুল ইসলাম (৩৭), মো. সাইফুল্লার সাদেক (৪৩), নয়ন আলী (৩০), সাজিদুল ইসলাম (৪০), তাজুল ইসলাম (৩৪), নিস্কর সম্রাট হোসেন তালুকদার (৪৩), আনোয়ার হোসেন (৫২), মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), মো. আল আমিন হাওলাদার (৩৯), মো. তুষার আলী (৫০), মো. রাসিদুল হক (৪৪) ও মীর মুক্তিসুর রহমান (৫১)। আদালতে জমা দেওয়া পুলিশের আবেদনে বলা হয়, এই ব্যক্তিরা গতকাল জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাঁদের আটক করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ঘটনাস্থলে আসার বিষয়ে তাঁরা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তাঁরা কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন, প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করা হচ্ছে। এসব কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। গতকাল বিকেলে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এই ২৭ জনসহ ২৮৯ জনকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনার বিষয়ে জাসদের পক্ষ থেকে বলা হয়, গতকাল তাদের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা ছিল। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অনুমতি নিয়ে ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় সারা দেশ থেকে আসা ৪০০–এর মতো নেতা-কর্মী অংশ নেন। সভা চলার এক পর্যায়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সেখানে হামলা চালান। পরে পুলিশ এসে কার্যালয় ঘেরাও করে নেতা-কর্মীদের আটক করে নিয়ে যায়। পরে রাতেই যাচাই-বাছাই করে অনেককে ছেড়ে দেওয়া। আজ দুপুরে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চাবি দলটির নেতাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জাসদের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন জানিয়েছেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন পুলিশগ্রেপ্তারজাসদ