খুবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া
Why this classification
The event is classified as political or factional-style violence because it involves a direct physical clash and stone-pelting between two organized groups (university students and local residents) within the 14-day recency window.
Killed
0
Injured
2
Summary
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফেসবুকে নেতিবাচক পোস্ট দেওয়ার জেরে স্থানীয় এক যুবককে মারধরের ঘটনায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে পুলিশ ও শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
খুবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া
খুবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | ০৩:২৯ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে করে নেতিবাচক ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সজল নামের স্থানীয় এক যুবককে বেদম মারপিট করেছে শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের ভেতরে ওই যুবককে আটকে রাখার খবরে স্থানীয় যুবকদের আরেকটি অংশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে উভয়ের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসের পাশে হল রোডে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও শিক্ষকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের মাদক পরিস্থিতি ও হল রোডের কয়েকটি বাসায় অনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করেন সজল। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র সজলকে মারতে মারতে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সজলের বন্ধু ও স্থানীয়রা হল গেটে জড়ো হলে স্থানীয় এক মুরুব্বীকেও মারধর করে ছাত্ররা। তবে ছাত্রদের পক্ষ থেকে লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন ব্যক্তি ছদ্মনাম ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্টের বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে খাজা গেট এলাকায় ডাকে। এ সময় কতিপয় রাজনৈতিক ব্যক্তির মদদে সেখানে একদল লোক জড়ো হয়। তারা ওই ব্যক্তিকে মারতে মারতে সেখান থেকে নিয়ে যেতে শুরু করে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা তখন তাকে ফিরিয়ে এনে তাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানায়। কিন্তু তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর সরাসরি হামলা চালায় এবং তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে শিক্ষার্থীরা আঘাতপ্রাপ্ত হয়। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কোনো হামলা শুরু হয়নি; বরং তাদের ওপর আক্রমণ ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মাধ্যমেই পরিস্থিতি সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন বলেন, পুলিশ ও শিক্ষকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। কি নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত খুঁজে বের করা হচ্ছে। ছাত্রদের হেফাজতে থাকা যুবককে হরিণটানা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নগরীর হরিণটানা থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়। এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উভয়পক্ষ আলোচনা করে শনিবার তাদের পদক্ষেপ জানাবেন। স্থানীয়রা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উগ্র আচরণে আশপাশের বাড়ির মালিকরা অতিষ্ঠ। তুচ্ছ কারণে স্থানীয়দের মারধরসহ প্রায় এমন ঘটনা ঘটছে। বিষয়টির স্থায়ী সুরাহার দাবি জানান তারা। - বিষয় : - খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
খুলনায় ছেলের পর এবার বাবাকে গুলি করে হত্যা
খুলনায় ছেলের পর এবার বাবাকে গুলি করে হত্যা Advertisement খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ খুলনার রূপসার দুর্জনীমহল গ্রামে ছেলে জয় ঢালীকে হত্যার শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই এবার বাবা আক্তার ঢালীকে (৬০) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ১৫ আগস্ট রাতে ছেলেকে গলা কেটে হত্যার এক মাস ২০ দিন পর সোমবার সন্ধ্যায় একই এলাকায় বৃদ্ধ বাবাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এমন হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের দুর্জনীমহল গ্রামের শহীদের মোড় সংলগ্ন নিজ বাড়ির সামনে অবস্থান করছিলেন আক্তার ঢালী। এ সময় একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এর আগে ১৫ আগস্ট রাত সোয়া ৯টার দিকে আক্তার ঢালীর ছেলে জয় ঢালীকে (২৭) দুর্জনীমহল শহীদের মোড়ের একটি চায়ের দোকানের সামনে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে একদল লোক। ওই ঘটনায় জয়ের মা নাসিমা বেগম রূপসা থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ওই মামলার প্রধান আসামিসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছিল। ছেলের পর এবার বাবাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় স্থানীয়রা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। খবর পেয়ে রূপসা থানা পুলিশ ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রূপসা থানার ওসি আনোয়ার জাহিদ জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পূর্বশত্রুতা বা ছেলে হত্যার মামলার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাব ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
