আগাছানাশক ছিটিয়ে পাঁচ একর পেঁয়াজক্ষেত বিনষ্ট

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a deliberate destructive act: unknown people sprayed herbicide on about five acres of onion field at night, destroying the crop. No one was reported killed or injured, and the incident occurred within the 14-day window, with a police complaint filed on 11 February.

Reported by:SamakalSingle source
20/02/26•দাশেরহাট গ্রাম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন, মুকসুদপুর

Killed

0

Injured

0

Summary

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দাশেরহাট গ্রামে রাতের বেলা অজ্ঞাত ব্যক্তিরা প্রতিহিংসাবশত ফরিদপুরের কৃষকদের লিজ নেওয়া পাঁচ একর পেঁয়াজক্ষেতে আগাছানাশক ছিটিয়ে ফসল নষ্ট করে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ১১ ফেব্রুয়ারি মুকসুদপুর থানায় অভিযোগ করেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

ক্ষতিগ্রস্ত পেঁয়াজচাষি ইমরান মিয়াক্ষতিগ্রস্ত পেঁয়াজচাষি বসার মিয়াক্ষতিগ্রস্ত পেঁয়াজচাষি আজাদ ফকিরজমির মালিক মতিয়ার রহমান খানমুকসুদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানমুকসুদপুর থানার উপপরিদর্শক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মাসুদ রানা

Affected infrastructure

পেঁয়াজক্ষেত (পাঁচ একর)

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 21/02/26open original ↗

আগাছানাশক ছিটিয়ে পাঁচ একর পেঁয়াজক্ষেত বিনষ্ট

আগাছানাশক ছিটিয়ে পাঁচ একর পেঁয়াজক্ষেত বিনষ্ট গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৯:২০ | প্রিন্ট সংস্করণ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে প্রতিহিংসাবশত আগাছানাশক প্রয়োগে কয়েকজন কৃষকের পাঁচ একর পেঁয়াজক্ষেত বিনষ্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দাশেরহাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পক্ষ থেকে মুকসুদপুর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর জেলার কৃষকরা জমি লিজ নিয়ে গোপালগঞ্জে পেঁয়াজের আবাদ করে আসছেন। এতে গোপালগঞ্জে পেঁয়াজের আবাদ ও উৎপাদন বেড়েছে। এসব কৃষকের কাছে জমি লিজ দিয়ে বছরে দ্বিগুণ হারে টাকা পাচ্ছেন জমির মালিক। এতে পেঁয়াজচাষি ও জমির মালিক উভয় পক্ষই লাভবান হচ্ছে।  গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দাশেরহাট গ্রামের জমির মালিক মতিয়ার রহমান খান বলেন, তাদের এলাকায় পেঁয়াজের আবাদ আগে তেমন ছিল না। কয়েক বছর আগে ফরিদপুরের সালথা ও নগরকান্দা উপজেলার কৃষকরা এখানে এসে জমি লিজ নিয়ে পেঁয়াজের আবাদ শুরু করেন। এখানে পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়। এ কারণে প্রতিবছর পেঁয়াজের চাষাবাদ বাড়ছে। তিনি জানান, আগে এখানে স্থানীয় কৃষকরা জমি লিজ নিয়ে বছরে তাদের বিঘাপ্রতি আট থেকে ১০ হাজার টাকা দিতেন। কিন্তু সালথা ও নগরকান্দা উপজেলার পেঁয়াজচাষিরা তাদের বছরে বিঘাপ্রতি ২০ হাজার টাকা দিচ্ছেন। এখন স্থানীয় কৃষকরা জমি লিজ নিতে পারছেন না। এ এলাকা থেকে ফরিদপুরে পেঁয়াজচাষিদের তাড়াতে চাইছেন। এ কারণে হয়তো কেউ কেউ প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।  ক্ষতিগ্রস্ত পেঁয়াজচাষি ইমরান মিয়া, বসার মিয়া, আজাদ ফকির বলেন, তাদের বাড়ি ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে। তারা মুকসুদপুর উপজেলার দাসেরহাটে জমি লিজ নিয়ে ১৫ একর জমিতে পেঁয়াজের চাষাবাদ করেছেন। এতে তাদের অন্তত ছয় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এ জমিতে অন্তত তিন হাজার মণ পেঁয়াজ উৎপাদিত হতো। এর মধ্যে পাঁচ একর জমির পেঁয়াজে কে বা কারা রাতে ঘাসনাশক পচনশীল ওষুধ ছিটিয়ে দেয়। কিন্তু তারা এটি বুঝতে পেরেছেন দেরিতে। এখন পেঁয়াজ গাছ ঝলসে যাচ্ছে।  মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ বছর উপজেলায় তিন হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে দাসেরহাট গ্রামে এক মাঠেই ২০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করা হয়েছে। ওই পেঁয়াজ মাঠে এ ঘটনা ঘটেছে। পেঁয়াজ মাঠের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে পেঁয়াজক্ষেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে প্যারাকুয়েট নামক আগাছানাশক ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে অন্তত পাঁচ একর জমির পেঁয়াজ গাছ আক্রান্ত হয়েছে। এতে গাছ শুকিয়ে মারা যাওয়ার অবস্থা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে পেঁয়াজ বিনষ্টের আশঙ্কাও রয়েছে। তিনি জানান, ফরিদপুর জেলার কৃষকরা এ উপজেলায় এসে বেশি টাকা দিয়ে জমি লিজ নেন। তারা পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এ উপজেলায় ফরিদপুরের পেঁয়াজচাষিদের চাষাবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের বিতাড়িত করতে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি ।   মুকসুদপুর থানার উপপরিদর্শক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়। ওসি এটি তদন্তের জন্য তাঁকে দায়িত্ব দেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।  - বিষয় : - গোপালগঞ্জ