স্বামী-স্ত্রীসহ চারজনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
Why this classification
This is a single, concrete incident from 25 February 2026 in which four people were beaten and tied to a tree in Baraigram, Natore, during a dispute over unreturned gold jewellery. The article reports the victims were freed by police, which makes it a real physical attack rather than a simple arrest or a report of threats.
Killed
0
Injured
4
Summary
নাটোরের বড়াইগ্রামে গহনা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী, মেয়ে ও মেয়ে জামাইকে মারধর করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকালে গোয়ালিফা কদমতলা এলাকায় একটি সালিশ চলাকালে ঘটে এবং পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
80% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 4
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
স্বামী-স্ত্রীসহ চারজনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
বড়াইগ্রামে গহনা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ স্বামী-স্ত্রীসহ চারজনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন Advertisement বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নাটোরের বড়াইগ্রামে গহনা নিয়ে প্রতারণার অপবাদে স্বামী-স্ত্রী, মেয়ে ও মেয়ে জামাইকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বিকালে উপজেলার গোয়ালিফা কদমতলা এলাকায় সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মহররম আলীর ছেলে ইউনুস আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, গোয়ালিফা কদমতলা এলাকার বাসিন্দা বাদশার স্ত্রী সাহারা খাতুন ১৪ দিন আগে প্রতিবেশী মতিন সরকার ও জুয়েল আহমেদের স্ত্রী এবং টুটুলের মায়ের কাছ থেকে বিয়ে খেতে যাওয়ার কথা বলে দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা ধার নেন। বিয়ে বাড়ি থেকে এসে পরের দিনই গহনাগুলো ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৪ দিন পার হয়ে গেলেও তিনি গহনাগুলো ফেরত দেননি। অপরদিকে প্রায় তিন মাস আগে আহম্মেদপুর এলাকায় বাদশার নাতনি তিথী খাতুনের কাছ থেকেও একটি গহনা চেয়ে নিয়ে আসেন তিনি। বুধবার এসব গহনা ফেরত চাইলে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বাদশা মিয়াকে ডেকে এনে ইউনুস আলী বিদ্যুতের বাড়িতে সালিশ বসে। খবর পেয়ে বাদশার স্ত্রী সাহারা খাতুন, মেয়ে হাজেরা খাতুন ও মেয়ে জামাই নটাবাড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমও সেখানে আসেন। উত্তেজনার একপর্যায়ে তাদের চারজনকে মারধর করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে। এরপর তারা দুজনের গহনা ফেরত দিয়ে অন্য দুজনের গহনা ফেরত দিতে রোববার পর্যন্ত সময় চেয়ে নেন। এ ব্যাপারে কথার বলার জন্য বাদশা মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার ঘরে তালা দেওয়া। তারা অন্যত্র চলে গেছে। এজন্য তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে ইউনুস আলী বিদ্যুৎ বলেন, ঘটনার দিন আমি বাড়িতে ছিলাম না। প্রতিবেশী বাদশা ও তার লোকজনকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য ডেকে এনে আমার বাড়িতে বসা হয়েছিল। এ সময় কে বা কারা তাদের বেঁধেছে আমি জানি না, তবে তাদের কোনো মারধর করা হয়নি। নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বলেন, যাদের বেঁধে রাখা হয়েছিল, পুলিশ যাওয়ার পরেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
