সুদের পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

The article describes a physical attack with beatings, stabbing and looting that occurred in Faridpur within the last 14 days, involving a Jubo League leader but motivated by a debt dispute. Therefore it meets the relevance, recency, and location criteria and is classified as a violence incident.

Reported by:Ajker PatrikaSingle source
11/10/26•Kaichail village

Killed

0

Injured

6

Summary

রোববার সকাল ১০টায় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল গ্রামে হানিফ রানা (জুবো লীগ সভাপতি) নেতৃত্বে ৪০-৫০ জনের দল রামদা, ঢাল ও সরকি নিয়ে এক পরিবারের পাঁচ সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে এবং পাঁচটি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে। আহতদের মধ্যে ইয়ার আলীর শারীরিক আঘাত, সুজন মিয়া, শিউলি বেগম, রত্না বেগম, ইয়ামিন এবং চা দোকান মালিক মনু মিয়ার হাত ভাঙা অন্তর্ভুক্ত।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

93% · severity 5

Perpetrator side

Awami LeagueLocals

Victim side

Locals

Other actors

Hanif RanaAyub Ali MiaFozlul HaqueIyar AliSujan MiaShiu Li BegumRatna BegumYaminMonu MiaAl-Mugir MiaRasool Samdani Azad

Affected infrastructure

houses (5)tea shop

Tags

ExtortionRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 6

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Ajker Patrika · 11/10/26open original ↗

সুদের পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

ফরিদপুরের নগরকান্দায় তাস খেলায় সুদের টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় বাধা দেওয়ায় একই পরিবারের ৫ সদস্যসহ মোট ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এ সময় পাঁচটি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। আহত ব্যক্তিদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের মধ্য কাইচাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নগরকান্দা থানা যুবলীগের সভাপতি ও পাচকাইচাইল গ্রামের বাসিন্দা হানিফ রানার (৪৮) বিরুদ্ধে। আহত ব্যক্তিরা হলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ও মধ্য কাইচাইল গ্রামের বাসিন্দা ফজলুল হকের ছোট ভাই ইয়ার আলী (৪০) ও সুজন মিয়া (৩৫), বোন শিউলী বেগম (৩০), সুজনের স্ত্রী রত্না বেগম (২৫) এবং ইয়ার আলীর ছেলে ইয়ামিন (১৭)। স্থানীয় বাজারের চা-দোকানি মনু মিয়াকে (৫৫) পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। তিনি ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন। সন্ধ্যায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, একই পরিবারের পাঁচ সদস্য হাসপাতালের জরুরি ও স্নায়ুরোগ বিভাগের পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। ইয়ার আলীর শরীরে ধারালো অস্ত্র রামদার ছয়টি কোপ রয়েছে। চিকিৎসকেরা তাঁকে আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন। পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, হানিফ রানার সমর্থক একই গ্রামের আয়ুব আলী মিয়া (৬০) ও ফজলুল হকের সমর্থক আলমগীর মিয়ার মধ্যে তাস খেলা ও সুদের টাকা পাওনা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এর জেরে সকালে পাওনাদার আয়ুব আলীর নেতৃত্বে আলমগীরকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। ফজলুল হকের ভাই ইয়ার আলী ও সুজন বাধা দিলে বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ। পরে হানিফ রানার নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল রামদা, ঢাল ও সরকি নিয়ে পরিবারটির ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা পরিবারের পাঁচ সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেন এবং পাঁচটি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত সুজন মিয়া অভিযোগ করেন, ‘আয়ুব আলী মিয়া এলাকায় তাস খেলোয়াড়দের সুদের ওপর টাকা দিয়ে থাকে। এভাবে অনেক পরিবারকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। আলমগীরকেও এভাবে টাকা দিয়ে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। প্রতিদিন এক হাজার করে টাকা দেওয়ায় সে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। একপর্যায়ে টাকা দিতে ব্যর্থ হলে সকালে আলমগীরকে গামছা দিয়ে বেঁধে নিয়ে যেতে যায়। তখন আমরা পাশের মনু মিয়ার চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলাম। আলমগীরকে ধরে নিতে দেখে আমরা ছাড়াতে চাইলে উল্টো আমাদের মারধর করা হয়, চায়ের দোকানির হাত পর্যন্ত ভেঙে ফেলা হয়।’ বিচারের দাবি জানিয়ে ইউপি সদস্য ফজলুল হক বলেন, ‘হানিফ রানা থানা যুবলীগের সভাপতি ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। তাঁর নামে অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে। হানিফ রানাসহ সব হামলাকারীকে দ্রুত গ্রেপ্তার দেখতে চাই।’ হানিফ রানা বলেন, অপর পক্ষের আয়ুব আলী মিয়াসহ চারজন নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না বলে দাবি করেন তিনি। নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ বলেন, আহত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে কিসের টাকা, সে বিষয়ে পুলিশ অবগত নয়। এক পক্ষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা প্রক্রিয়াধীন।