ভিডিওতে দেখা মুঠোফোন দিল খুনির খোঁজ
Why this classification
The article reports a single murder that took place openly in the capital, which is a fatal violent crime and falls within the scope of violence tracking. No date is given, so it is treated as recent, and the article is an investigation report about the murder itself rather than commentary on it.
Killed
1
Injured
0
Summary
রাজধানীতে প্রকাশ্যে একটি খুনের ঘটনা ঘটে, যার সিসিটিভি ভিডিও পাওয়া গেলেও খুনিকে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। গুপ্তচর লাগিয়ে এবং আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকার ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণেও ব্যর্থ হয়ে, এক পুলিশ কর্মকর্তা ভিডিওতে সন্দেহভাজনের হাতের মুঠোফোনের পেছনের অংশ দেখে সূত্র পান।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ঢাকায় ভয়ংকর ‘কলম অস্ত্র’ উদ্ধার
ঢাকায় ভয়ংকর ‘কলম অস্ত্র’ উদ্ধার গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী আইসিইউতে Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দেখতে সাধারণ লেখার কলমের মতো যা সহজেই পকেটে বা কলমদানিতে লুকিয়ে রাখা যায়। কিন্তু আসলে সেটি কলম নয়, ভয়ংকর এক আগ্নেয়াস্ত্র। এর নাম ‘পেনগান’। এই পেনগানে কলমের ক্লিপ আকৃতির অংশই ট্রিগার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এ অস্ত্র দিয়ে খুব কাছ থেকে কাউকে গুলি করলে বাঁচা কঠিন। মঙ্গলবার লালবাগের কোতোয়ালি থেকে এমনই একটি ‘পেনগান’ উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুই ব্যক্তিকে। এ ধরনের অস্ত্র বিশ্বের আলোচিত বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে বলে রহস্য ও গোয়েন্দা উপন্যাসে পাওয়া যায়। ডিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পেনগানটি লম্বা অনুমান ৬ ইঞ্চি। মাথার অংশ পিতলের তৈরি গোলাকার। কলমের ক্লিপ আকৃতির অংশ ট্রিগার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। নিচের অর্থাৎ নিবের অংশ খোলা যায়, এর মধ্যেই বুলেট .২২ গুলি ব্যবহার করা যায়। তারা আরও জানান, ঢাকায় উদ্ধার হওয়া পেনগানটি ৮০ হাজার টাকায় কেনে গ্রেফতারকৃতরা। এই পেনগানে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী মো. রাসেল। পূর্ববিরোধের জেরে খুব কাছ থেকে রাসেলের বুকে গুলি করা হয়। তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে আইসিইউতে রয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ‘পেনগান’ উদ্ধারের নজির নেই বলেও ডিবি কর্মকর্তারা জানান। ডিবি লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. নূরে আলম যুগান্তরকে বলেন, গ্রেফতার দুজন রাসেল নামের এক ব্যবসায়ীকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। এ ঘটনার সূত্র ধরে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পেনগানটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ধরনের অস্ত্র তারা কোথায় পেল, আরও কতগুলো অস্ত্র তাদের কাছে রয়েছে-এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলমান আছে। এদিকে পেনগানের বিষয়ে জানা গেছে, এটি দেখতে অত্যন্ত ছোট ও গোপনে বহনযোগ্য আগ্নেয়াস্ত্র। পেনগান দিয়ে একেবারে সাধারণত সিঙ্গল-শট বা একটিমাত্র গুলি করা যায়। এতে .২২ এলআর, .২৫ এসিপির মতো ক্ষুদ্র ক্যালিবারের কার্তুজ ব্যবহার করা হয়। খুব কাছ থেকে হামলার জন্য ব্যবহৃত এই অস্ত্র অত্যন্ত বিপজ্জনক। পেনগানে সাধারণত একটি ছোট ব্যারেল, ফায়ারিং পিন এবং একটি ট্রিগার মেকানিজম থাকে। খুব স্বল্প দূরত্বে শত্রুকে ঘায়েল করতে এটি ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত পিনফায়ার, রিমফায়ার বা সেন্টারফায়ার পদ্ধতির হতে পারে। এফবিআইর মতো সংস্থা একে অন্যান্য হ্যান্ডগানের মতোই ভয়ংকর হিসাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। ডিবি সূত্রে জানা গেছে, ৩ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানাধীন তাঁতীবাজারের প্রসন্ন পোদ্দার লেন এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে মো. রাসেল (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। রাসেল বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা হয়। ওই ঘটনা তদন্তকালে গোয়েন্দা (লালবাগ) বিভাগ কোতোয়ালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি মো. সায়মন ও সোহেল আহম্মেদ কাল্লুকে গ্রেফতার করে। তাদের স্বীকারোক্তির সূত্র ধরে মঙ্গলবার সকালে প্রসন্ন পোদ্দার লেনে ময়লার মধ্যে লুকানো অবস্থায় কলম আকৃতির আগ্নেয়াস্ত্র (পেনগান) উদ্ধার করা হয়।
ভিডিওতে দেখা মুঠোফোন দিল খুনির খোঁজ
রাজধানীতে খুনটি প্রকাশ্যেই হয়েছিল, সিসি ক্যামেরার ভিডিও–ও পাওয়া গিয়েছিল; কিন্তু তারপরও খুনি শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। গুপ্তচরও লাগানো হয়েছিল, তাতেও কোনো ফল আসেনি। এরপর আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকার আরও সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ শুরু হয়। তাতেও যখন খুনিকে চিহ্নিত করা যাচ্ছিল না, তখন এক পুলিশ কর্মকর্তার চোখ আটকে যায় ভিডিওর একটি দৃশ্যে, যেখানে সন্দেহভাজন একজনের হাতে থাকা মুঠোফোনটির পেছনটা দেখা যাচ্ছিল।
