মসজিদে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৩
Why this classification
This is a single, specific physical clash in a Narayanganj mosque on Thursday 5 March 2026, between BNP and Jamaat supporters over a mosque committee dispute, in which three people, including a Jamaat leader, were injured. It is recent, involves fighting between political groups, and occurred in Bangladesh, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
3
Summary
নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ২০২৬ সালের ৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) রাতে তারাবির নামাজের আগে সংঘর্ষে জামায়াত নেতাসহ ৩ জন আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মসজিদে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৩
মসজিদে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৩ Advertisement বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার তারাবির নামাজের আগ মুহূর্তে এই সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় জামায়াত নেতাসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। তারা হলেন-জামায়াত নেতা কাজী রেদওয়ানুল হক মামুন, মোহাম্মদ আল আমিন সুমন ও মো. শ্যামল। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় নাসিক ২১নং ওয়ার্ড বন্দরের সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদে তারাবির নামাজ শুরুর আগে মসজিদ কমিটির এক সদস্য বক্তব্য দেন। এটাকে রাজনৈতিক বক্তব্য বলে বাধা প্রদান করেন আগের কমিটির মো. সাখায়াত হোসেন পারভেজ। এর জেরে মসজিদের ভিতরেই শুরু হয় বাগ্বিতণ্ডা ও মারামারি। মসজিদ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে দীর্ঘদিন মতবিরোধ চলছিল। ৫ আগস্টের আগে মসজিদ পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন বন্দর থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ পনেছ, আর ৫ আগস্টের পরে মসজিদ পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হন বন্দর থানা দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মামুন। আগের কমিটির সঙ্গে বর্তমান কমিটির দ্বন্দ্ব চলছিল। এ ব্যাপারে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোক্তার আশরাফউদ্দিন জানান, বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে মসজিদের ভিতরে সংঘর্ষ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বন্দর থানায় তাৎক্ষণিক উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
