ইজিবাইকে পড়ল ক্রিকেট বল পাঁচ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
Why this classification
The article reports a physical clash between multiple village groups following a minor dispute over a cricket ball, resulting in injuries, vandalism, and arson.
Killed
0
Injured
25
Summary
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ক্রিকেট খেলায় ইজিবাইকে বল পড়াকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন এবং কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর, লুটপাট ও একটি ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 25
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
ইজিবাইকে পড়ল ক্রিকেট বল পাঁচ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
ইজিবাইকে পড়ল ক্রিকেট বল পাঁচ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ সংঘর্ষস্থল থেকে আহতদের পিকআপে তুলে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। গতকাল দুপুরে তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের মধ্য তাহিরপুর গ্রাম থেকে তোলা সমকাল তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৩১ | প্রিন্ট সংস্করণ তাহিরপুরে শিশুদের ক্রিকেট খেলার সময় ইজিবাইকে বল পড়াকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের লোকজনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের চারটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট এবং একটি ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে তাহিরপুর সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহতদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে বীরজয়-লক্ষ্মী-ধুতমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ক্রিকেট খেলার সময় একটি বল মধ্য তাহিরপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক জালাল মিয়ার অটোরিকশায় গিয়ে পড়ে। এ নিয়ে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের হাফিজ মিয়ার সঙ্গে ক্রিকেট খেলোয়াড়দের কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে ওইদিন বিকেলে তাহিরপুর বাজারে ধুতমা গ্রামের জসিম উদ্দিনকে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের কয়েকজন মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে হাফিজ মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁর পক্ষের লোকজন। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে বীরনগর গ্রামে একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর বুধবার সকালে বীরনগর, জয়নগর, লক্ষ্মীপুর ও ধুতমা গ্রামের লোকজন একত্রিত হয়ে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের দিকে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে বীরনগর গ্রামের ওয়াজ আলীর ছেলে মাইনুদ্দিন (৩৫), সুবাহানের ছেলে আশিষ মিয়া (৪০), আলীমের ছেলে রেজাউল (৩৫) ও নবী হোসেনের ছেলে খোকন মিয়া (৩৬) গুরুতর আহত হন। তাদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মধ্য তাহিরপুর গ্রামের দোকানদার দুলু মিয়া বলেন, চার গ্রামের লোকজন এসে আমাদের দোকানপাটে হামলা চালায়। দোকানের মালাপত্র লুট করে নিয়ে যায় এবং ভাঙচুর করা হয়। পরে একটি ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। মধ্য তাহিরপুর গ্রামের বাসিন্দা তানিম আহমদ লিংকন বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের লোকজন একত্রিত হয়ে হামলার ঘোষণা দেন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাদের বাধা দিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও তারা তা মানেননি। পরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আমাদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। নারী-শিশুরাও হামলার শিকার হয়েছেন। মধ্য তাহিরপুর গ্রামের খাদিজা বেগম বলেন, দেশি অস্ত্র ও দলবল নিয়ে লোকজন আমাদের বাড়ির দিকে আসার সময় ইউএনও, ওসি ও স্থানীয় নেতারা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। তারা কারও কথা না শুনে হামলা চালায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মসজিদের মাইক ব্যবহার করে লোকজন জড়ো করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। অভিযোগের ব্যাপারে বীরনগর গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, শিশুদের ক্রিকেট খেলার সময় ইজিবাইকে বল পড়া নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে মারধর ও পাল্টা মারধরের ঘটনা ঘটে। আজ (বুধবার) দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল; এলাকার লোকজন ও প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। জয়নগর গ্রামের বাসিন্দা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও তাহিরপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান জুনাব আলী বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মারামারি থেকে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমরা লজ্জিত। সংসদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়ি এই এলাকায় হলেও আমরা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারিনি। উভয় পক্ষের অতিউৎসাহী কিছু লোকের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।’ তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমদ বলেন, মসজিদে মাইকিংয়ের পর থেকে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন ছিল। ঘটনার সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। - বিষয় : - সংঘর্ষ
সুনামগঞ্জে মাছের আড়ৎ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় মাছের আড়ৎকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। রোববার (৭ জুন) দুপুরে ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরহাটি ইউনিয়নের সুনই গ্রামে কারির বাজারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত নাসিম মিয়া (৩৫) সুনই গ্রামের মঞ্জুরুল হকের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ধর্মপাশার সুনই গ্রামের নাসিম মিয়া ও আনু মিয়ার মধ্যে গ্রামের কারির বাজারে মাছের আড়ৎ নিয়ে বিরোধ চলছে। যার সূত্র ধরে রোববার দুপুরে নাসিম মিয়া ও আনু মিয়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গুরুতর আহত হন নাসিম মিয়া। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যা ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ এখনও পাইনি। তবে ওই এলাকার পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তামিম রায়হান/এসএইচএ
মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাহিরপুরে সংঘর্ষ টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ২০
মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাহিরপুরে সংঘর্ষ টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ২০ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মাইকে আগাম ঘোষণা দিয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সদরে পাঁচ গ্রামের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষের টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। এ সময় বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর এবং একটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। বুধবার মধ্য তাহিরপুর সদরে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক ও শনির হাওড়ে সংঘর্ষ হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা ঘটনায় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় মাঠে ইজিবাইকে ক্রিকেটের বল লাগাকে কেন্দ্র করে হাফিজ মিয়া ও খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এর জেরে ওইদিন তাহিরপুর সদর বাজারে ধুতমা গ্রামের জসিম উদ্দিনকে ময়মনসিংহ হাটির কয়েকজন মারধর করে। একই দিন হাফিজ মিয়াকেও বীরনগর গ্রামের কয়েকজন মারধর করে। মঙ্গলবার রাতে বীরনগর গ্রামের মসজিদের মাইকে বীরনগর, জয়পুর, লক্ষ্মীপুর, ধুতমা চার গ্রামের লোকজনকে বুধবার সকালে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বুধবার দুপুরে ওই চার গ্রামের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে ময়মনসিংহ হাটিতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় আলকাছ মিয়ার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ২০-৩০টি বাড়ি ও চারটি দোকানে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। তাহিরপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুনাব আলী বলেন, সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করা হয়েছে। তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহম্মেদ বলেন, পুনরায় সংঘর্ষ ঠেকাতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চার গ্রামের বাসিন্দাদের আবারও সংঘর্ষের প্রস্তুতি, পরিস্থিতি শান্ত করতে লাঠি হাতে এমপি
নামগঞ্জের তাহিরপুরে উত্তেজিত জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরেছবি : প্রথম আলো সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শনির হাওরপাড়ের চার গ্রামের বাসিন্দারা আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেন। একপর্যায়ে মুখোমুখি অবস্থান নেন তাঁরা। এ অবস্থায় সেখানে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। তিনি উত্তেজিত জনতাকে নিয়ে আলাদা সভা করে তাঁদের শান্ত করেন। ইজিবাইকের কাচে ক্রিকেট বল পড়া নিয়ে গতকাল বুধবার উপজেলার চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উপজেলার মধ্যতাহিরপুর এলাকায় সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সামনে দুপুরে দুই ঘণ্টা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে। এতে ৩০ জন আহত হন। এর আগের রাতে গ্রামের মসজিদের মাইকে সংঘর্ষের ঘোষণা দেওয়া হয়। পুলিশ রাত থেকেই চেষ্টা চালায় সংঘর্ষ থামাতে, কিন্তু সম্ভব হয়নি। গতকাল সকালে লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে লাঠি হাতে নিয়ে তরুণ-যুবকদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেনছবি : প্রথম আলো তাহিরপুরের বাসিন্দা সুনামগঞ্জ-১ আসনের (তাহিরপুর, ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ ও মধ্যনগর) আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল ছিলেন যুক্তরাজ্যে। গতকাল বুধবার তিনি দেশে ফেরেন। আজ সকালে উত্তেজিত লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হলে সংসদ সদস্য ঘটনাস্থলে যান। তিনি নিজেও একটি লাঠি হাতে নিয়ে তরুণ-যুবকদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন। এরপর পৃথকভাবে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বিষয়টি সীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দিলে উভয় পক্ষ সেখান থেকে সরে যায়। আরও পড়ুন মাইকিং করে লোক জড়ো, পুলিশের সামনে চার গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ ০৭ অক্টোবর ২০২৬ সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল প্রথম আলোকে বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতেই পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তারা আশ্বস্ত করেছিল মারামারি হবে না। কিন্তু পরে সেটি থামানো যায়নি। এতে এলাকার সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। আজ আবার লোকজন মারমারির প্রস্তুতি নিয়েছিল। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে সবার সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই এখন শান্ত আছে। আশা করি এ রকম ঘটনা আর ঘটবে না।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সিলেট বিভাগসুনামগঞ্জসংসদ সদস্যসংঘর্ষ
