বাউফলে ছাত্রদলের দুই নেতার মধ্যে মারামারি
Why this classification
The article reports a recent (27 July 2026) physical altercation in Bauphal involving a BNP affiliate and a student group leader, which meets the definition of political violence. No casualties or property damage were reported, but the party link makes it a political clash.
Killed
0
Injured
0
Summary
বাউফলে নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্রে বিএনপি সাবেক এমপি’র ছেলে আকাশ তালুকদার ও উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ঘটনায় কোনো আহত বা নিহতের রিপোর্ট নেই।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাউফলে ছাত্রদলের দুই নেতার মধ্যে মারামারি
পরীক্ষা কেন্দ্রে সাবেক এমপির ছেলের প্রবেশ বাউফলে ছাত্রদলের দুই নেতার মধ্যে মারামারি Advertisement বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পটুয়াখালীর বাউফলে নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্রে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ছেলের প্রবেশ নিয়ে ছাত্রদলের দুই নেতার মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও আইসিটি সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষায় এ ঘটনা ঘটে। একাধিক পরীক্ষার্থী জানায়, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালে বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদারের ছেলে আকাশ তালুকদার ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদ কক্ষে অবস্থান করেন। পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব সাদিকুজ্জামান রাকিব এর প্রতিবাদ জানান। ওই কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ছিলেন সাদিকুজ্জামানের ভাই জসীম উদ্দিন। পরীক্ষার পর বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ছাত্রদল নেতা ফাহাদ ও রাকিবের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা হাতাহাতি ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। আকাশ তালুকদার বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে তিনি গিয়েছিলেন। আবদুল্লাহ আল ফাহাদের দাবি, পরীক্ষার সময় তারা পরীক্ষা কক্ষে ছিলেন না। হামলার অভিযোগ সত্য নয় বলেও তিনি দাবি করেন। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, পরীক্ষার শেষের দিকে কক্ষে আকাশ ঢুকেছেন। তাকে (আকাশ) নিষেধ করার পর তিনি বলেন, ‘কোনো সমস্যা হবে না, এর মধ্যে পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়।’ অবৈধভাবে কারও পরীক্ষার কক্ষে থাকার সুযোগ নেই জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা ও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানায়, তিনটি পদে ১ হাজার ১৫৫ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন কক্ষে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
